Advertisement
Advertisement
বঙ্গে পালাবদল
Tista River Sand mafia

সরকার বদল হতেই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তিস্তা থেকে উধাও বালি পাচারকারীরা!

ডুয়ার্সের নদীগুলি থেকেও বালি, পাথর উত্তোলন বন্ধ হয়েছে বলে খবর। পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে নদীর বেডে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৬, ১২:০০

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৬, ১২:০০

options
link
সরকার বদল হতেই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তিস্তা থেকে উধাও বালি পাচারকারীরা! zoom
প্রতীকী ছবি।

পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে গা ঢাকা দিয়েছে বালি পাচারকারীরা! তিস্তার রংধামালি এলাকায় অবৈধ বালি খাদানে মহকুমা শাসকের হানাদারির পর স্থানীয়দের দাবি, শুক্রবার আর তিস্তা পাড়ে দেখা মেলেনি কোনও পাচারকারীর। নদীর চর থেকে একটি পোকলিন মেশিন বাজেয়াপ্ত করার পর একটিও ট্রাক্টর ও ডাম্পারের দাগ পড়েনি তিস্তার বালিতে। স্থানীয়দের দাবি, ‘রংধামালির এই অবৈধ খাদানটি পলাতক তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাসের বলে চিহ্নিত ছিল। তিস্তা নদীর এই অংশে প্রতিদিন পঞ্চাশ থেকে একশো ট্রাক, ডাম্পার, ট্রাক্টর ভরে বালি পাচার করা হত। পরপর আরও কয়েকটি খাদান রয়েছে, যা কৃষ্ণ দাসের অনুগামী প্রধান হেমব্রম, নন্দন ওরাও, লুতফুর রহমান দের বলে চিহ্নিত।’ গত মঙ্গলবার বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা চালানোর ঘটনার পর সপরিবারে গা ঢাকা দেয় কৃষ্ণ দাস। একই সঙ্গে গা ঢাকা দেয় তাঁর ছায়া সঙ্গীরাও।

রংধামালির বাসিন্দা বিকাশ রায় জানান, “বালি তোলার জন্য বাঁধ কেটে রাস্তা তৈরি করে নিয়েছিল। কিন্তু দেখেও বলার মতো সাহস কারও ছিল না। তারাও বাধ্য হয়ে চুপ করে থাকতেন।” মহকুমা শাসকের হানায় পাচারকারীরা গা ঢাকা দেওয়ায় কিছুটা হলেও স্বস্তিতে নদীর পাড়ের বাসিন্দারা। একই অভিযোগ জলপাইগুড়ি খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত সদস্য জয়া সরকার বিশ্বাসের। জয়া জানান, “গত বছর বিবেকানন্দ পল্লীর বাঁধ ভেঙে এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। বালি মাফিয়াদের জন্যই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল গত বছর। বর্ষার পরেও বদলায়নি পরিস্থিতি।” কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পরেই নিজেদের গুটিয়ে নেয় বালি মাফিয়ারা।

Advertisement

সদর মহকুমা শাসক মইন আহমেদ জানান, “তিস্তা নদীতে বেআইনি বালি উত্তোলনের খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। কারা এই অবৈধ কারবারে যুক্ত চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।” ডুয়ার্সের নদীগুলি থেকেও বালি, পাথর উত্তোলন বন্ধ হয়েছে বলে খবর। পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে নদীর বেডে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.