মিত্র ইন্সটিটিউশনে ভোট দিলেন মমতা
কলকাতার মিত্র ইন্সটিটিউশনে ভোট দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাহিনীর বিরুদ্ধে সরব হয়ে তিনি বলেন, "তৃণমূলই জিতছে। সিআরপিএফ আমাদের লোকজনদের উপর অত্যাচার চালিয়েছে। বাচ্চাদের মেরেছে, মেয়েদের মেরেছে। কী যে করছে, ভাবতে পারবেন না। কাল রাত থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার করছে। এটা আদালত অবমাননা। আমার পাড়ার লোক, মেয়েদের মেরেছে। কী যে করছে, কী যে না করছে ওরা। এটা কী ওদের ডিউটি? এটা ওরা করতে পারে না। আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাটেও অত্যাচার করছে। তৃণমূলই জিতছে। বিজেপি হারছে, দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা হবে তৃণমূলের।"
ভোট দিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম
সপরিবারে ভোট দিলেন মেয়র তথা কলকাতা বন্দর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ফিরহাদ হাকিম। মাজমাধ্যমে পোস্ট করেন "পরিবারকে পাশে নিয়ে নাগরিক হিসাবে আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধিকারের প্রয়োগ করলাম। আপনার ভোট নিজে দিন।" এর আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।
ভোটারদের মদ বিলি
মদ খাইয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করছে তৃণমূল। অভিযোগ গলসি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী রাজু পাত্রের। অভিযুক্তদের তাড়া করেন তিনি। মোবাইল ফোন ও মদের বোতল ফেলে পালায় তারা। সাময়িক উত্তেজনা গলসি বিধানসভার ত্রিলোকচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২ বিঘা এলাকায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ। রাজু পাত্রের কথায়, "তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনী ভোটারদের মদ খাওয়াচ্ছে।আমি অভিযোগ জানালাম।"
মন্তেশ্বরে ইভিএমে কারচুপি
মন্তেশ্বরে ভোটিং মেশিনের কারচুপির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।
মন্তেশ্বর জোকারি পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৫ নম্বর বুথে তৃণমূল প্রার্থী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর চার নম্বরে ভোটিং মেশিনে নাম ও ছবি সেলুটেপ দিয়ে এটে ভোট করানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ। কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন মন্তেশ্বর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী।
ভোট দিলে মুড়ি ফ্রি, এমনই চিত্র গলসিতে...
ভোট দিলেই মুড়ি ফ্রি! এমনই চিত্র গলসি বিধানসভার টাটোর বাঁধে। কোন দল দিল সেই নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও তাঁরা বলেন আমরা জানিনা। দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে টানটান উত্তেজনা সারা রাজ্য জুড়ে। ১৪২ টি বিধানসভার মধ্যে দিনমজুর ও প্রান্তিক এলাকা হিসাবে পরিচিত গলসি বিধানসভা। সেখানেই রয়েছে টাটরবাঁধ বলে একটি গ্রাম। এলাকার মহিলারা ভোট দিয়ে ফেরার পথে মুড়ি, শসা চানাচুর, চপ হাতে করে নিয়ে আসেন। মামনি পাতর নামের এক মহিলা বলেন,"আমরা ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। তখন আমাদের মুড়ি দিল আমরা নিয়ে চলে এলাম। আমরা নিয়ে চলে এলাম। কোন দল দিল কি জন্য দিল আমরা বুঝতে পারলাম না।"
বিক্ষোভের মুখে বিজেপি প্রার্থী
কল্যাণী বিধানসভা কেন্দ্রের মহেশপুর নির্মল মোড়ে ইন্দিরা গান্ধি ফ্রি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৬৪/৩৬৫ নাম্বার বুথের সামনে মহিলাদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় বিজেপি প্রার্থী অনুপম বিশ্বাসকে। তিনি ওই বুথে যান এরপর বেরিয়ে আসার সময় তাকে ঘিরে রাস্তার উপরে গো-ব্যাক স্লোগান দিতে দেখা গেল ওই অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলা কর্মীরা।
আমতায় ইভিএম বিভ্রাট
আমতা বিধানসভা কেন্দ্রের ০৭ নম্বর বুথ, ঘরদুগরা মনিমোহন প্রাইমারি বিদ্যালয়। সেখানে সকাল থেকে চারবার ইভিএম মেশিন খারাপ হয়ে যায়। বেলা এগারোটার পর পুরোপুরি খারাপ হয়ে যায় ইভিএম মেশিন। তারপর নতুন মেশিনে এনে ভোট প্রক্রিয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। অলক মন্ডল সেক্টর অফিসার। তিনি জানান এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ৯৯৪। ৩৩৪ ভোট পুলের পর মেশিন পুরোপুরি খারাপ হয়ে যায়। মেশিন খারাপ হয়ে যাওয়ার পর ভোট কাউন্টিং করলে ভোট সংখ্যা শূন্য দেখায়। এই চিন্তায় পড়ে যান সকলেই। তৃণমূল নেতৃত্বদের বক্তব্য নতুন মেশিনে ভোট হবে ঠিক আছে। কিন্তু ৩৩৪ টা ভোট হয়ে যাবার পর যদি শূন্য দেখায় তাহলে ওই ৩৩৪ টা ভোটের কি হবে। জয়ন্ত মাইতি প্রিজাইডিং অফিসার বলেন ভিভি প্যাড গণনা করা সম্ভব হবে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব পিনাকী দাস বলেন এখন বলছেন গণনা করা সম্ভব পরে যদি কোন সমস্যা হয় তখন কি হবে।
কালীঘাটে শুভেন্দুকে ঘিরে 'চোর' স্লোগান
কালীঘাটে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে 'চোর' স্লোগান। বিক্ষোভকারীদের দিকে দৌড়ে গেলেন শুভেন্দু। ফোন করে ডাকলেন সিআরপিএফ। জয়হিন্দ ভবনের সামনে প্রবল উত্তেজনা। পালটা জয় শ্রীরাম স্লোগান বিজেপি কর্মীদের। ময়দানে তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মমতার ভ্রাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। ধুন্ধুমারের মাঝে বলেন, "শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছিল। শুভেন্দুর কথায় পুলিশ-কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করেছে। কমিশন নিরুত্তাপ।"
শুভেন্দু অধিকারীকে ফোন করলেন অমিত শাহ
শুভেন্দু অধিকারীরে ফোন করলেন অমিত শাহ। সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোট নিয়ে খবর নিয়েছেন তিনি। সকাল থেকে শান্তি পূর্ণ ভোট চলার মাঝে উত্তপ্ত হয়ে উঠল ভাঙড়ের প্রাণগঞ্জ অঞ্চলের রঘুনাথপুর এলাকা। আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকী কে ঘিরে জয় বাংলা শ্লোগান পাল্টা তৃণমূল কর্মীদের তাড়িয়ে নিয়ে গেলেন নওশাদ সিদ্দিকী।ঘটনা ঘিরে চরম উত্তেজনা ভাঙড়ের প্রাণগঞ্জ এলাকা।নওশাদের দাবি তৃণমূল কর্মীরা ভোট চুরি করতে এসেছিল। এই ঘটনা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা।আইএসএফ এবং তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।ঘটনাস্থলে ভাঙড় থানার বিশাল পুলিশ ফোর্সের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী ছুটে এসে লাঠিচার্জ করে। তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লার তোপ, "বদ্ধ পাগল। ওর আচার আচরণ সুস্থ মানুষের মতো নয়।" এদিকে, ভাঙড়ে এনআইএ টিম অভিযান চালাচ্ছে।
বুথের কাছে মিলল বোমা
ভোটের দিন উত্তেজনা পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রাম বিধানসভায়। কেতুগ্রাম বিধানসভার বিরুরী গ্রামের ৩৫ নম্বর বুথ থেকে কিছুটা দূরেই উদ্ধার ছয়টি তাজা বোমা। বুথ থেকে স্বল্প দূরেই একটি ফাঁকা জায়গায় লাইলনের একটি ব্যাগের মধ্যেই রয়েছে তাজা বোমা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ব্যাগের মধ্যে রয়েছে ছয়টি তাজা বোমা। ঘটনাস্থলে রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং কেন্দ্র বাহিনী। যেখানে বোমা রয়েছে সেই জায়গাটিকে ঘিরে রাখা হয়েছে। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে ইতিমধ্যেই বোম স্কোয়াডে খবর দেওয়া হয়েছে, তাঁদের দল এসে এই বোমা উদ্ধার করবেন। ঘটনাস্থল থেকে সাধারণ মানুষকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। যদিও স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুখ খোলেননি। তবে প্রশ্ন উঠছে কীভাবে ভোটের দিন বুথ সংলগ্ন জায়গায় বোমা পাওয়া গেল? কি কারণে রাখা হয়েছিল এই বোমা ? যদিও কে বা কারা এই বোমা রেখেছে তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।
বিজেপির প্রতীকে সাদা টেপ!
শিরোনামে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র। নজর কেড়েছে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এবং ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক তথা যোগীরাজ্যের 'সিংঘম' অজয়পাল শর্মার সংঘাত। এবার অভিযোগ, ফলতার ইভিএমে বিজেপির প্রতীকে সাদা টেপ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে পুনর্নির্বাচনের দাবি তুলল বিজেপি। বিজেপি প্রতীকের উপর টেপ সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মারাত্মক অভিযোগ ফলতা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডার। যা নিয়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইতিমধ্যে অভিযোগ খতিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন। শুধু তাই নয়, চাওয়া হয়েছে বিস্তারিত রিপোর্টও।
অভয়ার মাকে ঘিরে বিক্ষোভ
পানিহাটি পৌরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ড আগরপাড়া নিউ আদর্শ নগর অঞ্চলে অভয়ার মা তথা বিজেপি প্রার্থী রত্ন দেবনাথকে ঘিরে বিক্ষোভ। এদিকে, উত্তর ২৪ পরগনার শাসনে আক্রান্ত তৃণমূল। অভিযোগ, ভোটদানে বাধা দিচ্ছিল তারা। এদিকে, ভাঙড়ে নওষাদ সিদ্দিকিকে ঘিরে বিক্ষোভ।
নওশাদকে ঘিরে বিক্ষোভ
ভাঙড়ে নওশাদ সিদ্দিকিকে ঘিরে বিক্ষোভ। এদিন সাঁইহাটি এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, এলাকায় পৌঁছোতেই আইএসএফ চেয়ারম্যান, ভাঙড়ের বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকিকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলকর্মীরা। বিদায়ী বিধায়ককে দেখেই স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন নওশাদ। তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও তৃণমূল কর্মীরা ইচ্ছাকৃত ভাবে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছেন।
বাসন্তীতে বিজেপির প্রার্থীর ওপরে হামলা
বাসন্তীতে বিজেপির প্রার্থীর ওপরে হামলা। ভেঙে দেওয়া হয় গাড়ি। বাসন্তী ৭৬ নম্বর বুথের ঘটনা। বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার যখন বুথ পরিদর্শনে যান তখন তার উপর হামলা চালানো হয়। ভেঙে দেওয়া হয় বিকাশের গাড়ি। তার নিরাপত্তা রক্ষীর আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলেও তারা এগিয়ে আসেননি উদ্ধারকার্যে এমনটাই অভিযোগ। ঘটনাটি কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা।
'এটা হতাশার বহিঃপ্রকাশ'
এদিন চক্রবেড়িয়ায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "২৬৭ টি বুথে এজেন্ট রয়েছে। কমিশনের নিয়ম মেনে ৯৭ টি ক্যাম্প অফিস করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন বাংলার ভোটের পরিবেশ বদলে দিয়েছে। সকাল থেকে একাধিক বুথে ঘুরলাম।ভোটারদের মধ্যে প্রচণ্ড উৎসাহ দেখছি। সকলে স্বতঃস্ফুর্তভাবে ভোট দিচ্ছেন। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় সকালে বেরিয়েই অভিযোগ করেছিলেন রাতভর তাণ্ডব করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও তাতে গুরুত্ব দিতে নারাজ শুভেন্দু। তাঁর কথায়, "এটা হতাশার বহিঃপ্রকাশ।"
তৃণমূলের বুথ অফিস সরাল কেন্দ্রীয় বাহিনী
তৃণমূলের বুথ অফিস সরিয়ে দিল রাজ্য পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্যে তৃণমূল নেতৃত্ব ও প্রথম থেকেই অভিযোগ তুলেছে, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বিজেপির হয়ে কাজ করছে। সেই জন্যই তৃণমূলের বুথ এজেন্টদের গ্রেপ্তারও করা হতে পারে এই আশঙ্কা ও প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যের তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের সকাল থেকেই দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতি সক্রিয়তা। গলসির বুদবুদের বিভিন্ন প্রান্তে কিউআরটি টিম ঘুরে বেড়াচ্ছে। কোথাও জমায়েত দেখলেই লাঠি উঁচিয়ে কখনো তাড়া করছে কখনো আবার লাঠিচার্জ করছে। সেইরকমই গলসি বিধানসভার ভিড়সিন এলাকাতে তৃণমূলের একটি অস্থায়ী বুথ অফিস ছিল। সেই বুথ অফিস থেকে তৃণমূল কর্মীদেরকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
সম্মুখসমরে মমতা-শুভেন্দু!
দ্বিতীয় দফার 'ভরকেন্দ্র' ভবানীপুরে মেগা শো-ডাউন। এদিনা সকালে বুথ পরিদর্শন করে চক্রবেড়িয়ার বুথে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুক্ষণ পরেই সেখানে হাজির হন বিরোধী দলনেতা তথা ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। মমতা যেখানে বসেছিলেন সেখান থেকে ৫০ মিটার দূরে পরিদর্শন করেন তিনি।
বিজেপিকে বিঁধলেন মমতা
কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "দেখুন রাতে আমাদের কর্মীদের কেমন মেরেছে। এটা কেমন গুন্ডামি চলছে? এভাবে ভোট হয়না। এটা গণতন্ত্রের উৎসব। বিজেপি গণতন্ত্রকে হত্যা করছে। আমাদের কর্মীরা প্রাণ দিতে রাজি। ওরা জায়গা ছাড়বে না।"
দিকে দিকে ইভিএম বিভ্রাট!
কাশীপুর-বেলগাছিয়া বিধানসভা কেন্দ্রে ইভিএম বিভ্রাট। ৩৬ নং বুথে সকাল ৭টা থেকেই শুরু হয় গোলযোগ। ভোটদানে দেরি। হাওড়ায় একাধিক জায়গা থেকে আসছে বিভ্রাটের খবর। মন্তেশ্বর বিধানসভার রাইগ্রামে ১১৭ ও ১১৮নং বুথে ভিভি প্যাডে প্রার্থীর ছবি উঠছে না অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে সিপিএমের ইলেকশন এজেন্ট ওই দুই বুথে ঢুকতে গেলে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে,অতিসক্রিয়তার অভিযোগ।
ভোট দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
কলকাতার মিত্র ইন্সটিটিউশনে ভোট দিলেন ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার মিত্র ইন্সটিটিউশনে ভোট দিলেন ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
বলেন, "কেন্দ্রীয় বাহিনী এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে কাজ করছে। হাই কোর্টের নির্দেশও মানছে না। পুলিশ পর্যবেক্ষকরা মানুষকে ধমকাচ্ছেন, চমকাচ্ছেন। এসব করে লাভ নেই। মুখ থুবড়ে পড়বে (বিজেপি)। প্রথম দফায় দফারফা হয়ে গিয়েছে (বিজেপির)।"
ভবানীপুরে ভোট-পরিদর্শনে মমতা
বেনজির দৃশ্য! সাতসকালে ভবানীপুরে ভোট-পরিদর্শনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুথে বুথে যাবেন তিনি। এদিকে, পরিদর্শনে বেরিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বলেন, "৭১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অসীম বসুর বাড়িতে রাত দেড়টায় তল্লাশি চালায়। স্ত্রীকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়। এভাবে ওরা ভোট করবে। আমি প্রার্থী হিসেবে সব দেখতে বেরিয়েছি। এখানে মুখ্যমন্ত্রীর কোনও প্রশ্ন নেই।"
শেষ দফায় অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর
শেষ দফার ভোটদান শুরু হতেই ‘বিশেষ আবেদন’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সমাজমাধ্যমে পোস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, "আজ যাঁরা ভোট দিচ্ছেন তাঁদের সকলকে রেকর্ড সংখ্যায় ভোট দিয়ে আমাদের গণতন্ত্রকে আরও প্রাণবন্ত এবং অংশগ্রহণমূলক করে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি। বিশেষ করে, এটি অত্যন্ত জরুরী যে পশ্চিমবঙ্গের নারী ও যুবশক্তি, বিপুল সংখ্যায় উপস্থিত হয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।"
ভোটকেন্দ্রে রূপা গঙ্গোপাধ্যায়
রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণে সকাল সকাল বুথে পৌঁছালেন বিজেপি নেত্রী তথা সোনারপুর দক্ষিণের প্রার্থী রূপা গাঙ্গুলী। রাজেন্দ্র প্রসাদ শিক্ষা সদন গার্লস হাই স্কুলে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন তিনি। তবে ভোট দিয়ে বেরোনোর সময় একাধিক বুথে অশান্তি ও ইভিএম বিভ্রাট নিয়ে শাসক দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন এই তারকা বিজেপি প্রার্থী।
নদিয়ায় ঝড়ল রক্ত
চাপড়া বিধানসভার ৫৩ নম্বর বুথে আইএসএফ এজেন্টকে ঢুকতে বাধা দেওয়াপ অভিযোগ। মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল। অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
আহতের নাম মোশারফ মীর। বাড়ি চাপড়ার হাঁটড়ায়। প্রথমে আইএসএফ নেতৃত্ব তাদের এজেন্ট বলে দাবি করলেও বিজেপির দাবি আহত তাদেরই এজেন্ট। চাপড়া গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় মীরকে।
দ্বিতীয় দফার খুঁটিনাটি
দ্বিতীয় দফায় ১৪২ কেন্দ্রে ১৪৪৮ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবে ৩ কোটি ২১ লক্ষ ৭৫ হাজার ২৯৯ জন। অতি স্পর্শকাতর হিসাবে ৪ হাজার ৩৮৮টি বুথকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ পর্ব শান্তিপূর্ণ করতে ২ হাজার ৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে ৩৮ হাজার রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কমিশনের কড়াকড়িতে বঙ্গভোটের প্রথম দফা কেটেছে নির্বিঘ্নে। বুধবার দ্বিতীয় তথা শেষ দফা। দক্ষিণবঙ্গের মোট ৮ জেলার ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ। অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করতে ইতিমধ্যে ৮ জেলাকে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে ২ হাজারেরও বেশি কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকটি জায়গায় মোতায়েন করা হচ্ছে স্পেশাল ফোর্সকেও। ইতিমধ্যেই রাজ্যের ৪৩৮৮ বুথকে অতি স্পর্শকাতর ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
নিবেদিত


