দ্বিতীয় দফায় কোথায় ভোট
নদিয়া (১৭টি আসন)
করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর-পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী, হরিণঘাটা।
উত্তর ২৪ পরগনা (৩৩টি আসন)
বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর, পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট-নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর, হিঙ্গলগঞ্জ।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৩১টি আসন)
গোসাবা, বাসন্তী, কুলতলি, পাথরপ্রতিমা, কাকদ্বীপ, সাগর, কুলপি, রায়দিঘি, মন্দিরবাজার, জয়নগর, বারুইপুর পূর্ব, ক্যানিং পশ্চিম, ক্যানিং পূর্ব, বারুইপুর পশ্চিম, মগরাহাট পূর্ব, মগরাহাট পশ্চিম, ডায়মন্ড হারবার, ফলতা, সাতগাছিয়া, বিষ্ণুপুর, সোনারপুর দক্ষিণ, ভাঙড়, কসবা, যাদবপুর, সোনারপুর উত্তর, টালিগঞ্জ, বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম, মহেশতলা, বজবজ, মেটিয়াবুরুজ।
কলকাতা (১১টি আসন)
কলকাতা বন্দর, ভবানীপুর, রাসবিহারী, বালিগঞ্জ, চৌরঙ্গী, এন্টালি, বেলেঘাটা, জোড়াসাঁকো, শ্যামপুকুর, মানিকতলা, কাশীপুর-বেলগাছিয়া।
হাওড়া (১৬টি আসন)
বালি, হাওড়া উত্তর, হাওড়া মধ্য, শিবপুর, হাওড়া দক্ষিণ, সাঁকরাইল, পাঁচলা, উলুবেড়িয়া পূর্ব, উলুবেড়িয়া উত্তর, উলুবেড়িয়া দক্ষিণ, শ্যামপুর, বাগনান, আমতা, উদয়নারায়ণপুর, জগৎবল্লভপুর, ডোমজুড়।
হুগলি (১৮টি আসন)
উত্তরপাড়া, শ্রীরামপুর, চাঁপদানি, সিঙ্গুর, চন্দননগর, চুঁচুড়া, বলাগড়, পাণ্ডুয়া, সপ্তগ্রাম, চণ্ডীতলা, জাঙ্গিপাড়া, হরিপাল, ধনেখালি, তারকেশ্বর, পুরশুড়া, আরামবাগ, গোঘাট, খানাকুল।
পূর্ব বর্ধমান (১৬টি আসন)
খণ্ডঘোষ, বর্ধমান দক্ষিণ, রায়না, জামালপুর, মন্তেশ্বর, কালনা, মেমারি, বর্ধমান উত্তর, ভাতার, পূর্বস্থলী দক্ষিণ, পূর্বস্থলী উত্তর, কাটোয়া, কেতুগ্রাম, মঙ্গলকোট, আউশগ্রাম, গলসি।
প্রথম দফায় কোথায় ভোট
কোচবিহার (৯টি আসন)
মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি, তুফানগঞ্জ
আলিপুরদুয়ার (৫টি আসন)
কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা, মাদারিহাট
জলপাইগুড়ি (৭টি আসন)
ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, মাল, নাগরাকাটা
দার্জিলিং ও কালিম্পং (৬টি আসন)
কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি, ফাঁসিদেওয়া
উত্তর দিনাজপুর (৯টি আসন)
চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ, ইটাহার
দক্ষিণ দিনাজপুর (৬টি আসন)
কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর, হরিরামপুর
মালদহ (১২টি আসন)
হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর, বৈষ্ণবনগর
মুর্শিদাবাদ (২২টি আসন)
ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল, জলঙ্গি
পূর্ব মেদিনীপুর (১৬টি আসন)
তমলুক, পাঁশকুড়া পূর্ব, পাঁশকুড়া পশ্চিম, ময়না, নন্দকুমার, মহিষাদল, হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, কাঁথি উত্তর, ভগবানপুর, খেজুরি, কাঁথি দক্ষিণ, রামনগর, এগরা।
পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম (১৯টি আসন)
দাঁতন, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, কেশিয়ারি, খড়গপুর সদর, নারায়ণগড়, সবং, পিংলা, ডেবরা, দাসপুর, ঘাটাল, চন্দ্রকোনা, গড়বেতা, শালবনি, কেশপুর, মেদিনীপুর, বিনপুর।
পুরুলিয়া (৯টি আসন)
বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুন্ডি, জয়পুর, পুরুলিয়া, মানবাজার, কাশীপুর, পাড়া, রঘুনাথপুর।
বাঁকুড়া (১২টি আসন)
শালতোড়া, ছাতনা, রানিবাঁধ, রাইপুর, তালড্যাংরা, বাঁকুড়া, বড়জোড়া, ওন্দা, বিষ্ণুপুর, কোতুলপুর, ইন্দাস, সোনামুখী।
পশ্চিম বর্ধমান (৯টি আসন)
পাণ্ডবেশ্বর, দুর্গাপুর পূর্ব, দুর্গাপুর পশ্চিম, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, আসানসোল উত্তর, আসানসোল দক্ষিণ, কুলটি, বারাবনি।
বীরভূম (১১টি আসন)
দুবরাজপুর, সিউড়ি, বোলপুর, নানুর, লাভপুর, সাঁইথিয়া, ময়ূরেশ্বর, রামপুরহাট, হাঁসন, নলহাটি, মুরারই।
আট আসনে উপনির্বাচন
রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে কমিশন জানিয়েছে, গুজরাট, গোয়া, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ডের একটি করে আসনে এবং কর্নাটক ও মহারাষ্ট্রের দু’টি আসনে উপনির্বাচন রয়েছে। গোয়া, কর্নাটক, নাগাল্যান্ড এবং ত্রিপুরায় উপনির্বাচন হবে ৯ এপ্রিল। গুজরাট এবং মহারাষ্ট্রে উপনির্বাচন হবে ২৩ এপ্রিল। আট আসনেরই ভোটগণনা হবে ৪ মে।
মোট ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ ভোটার পশ্চিমবঙ্গে
কমিশনের পরিসংখ্যান মোতাবেক, রাজ্যে আপাতত ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ ভোটার রয়েছেন। পুরুষ ৩ কোটি ২৮ লক্ষ। মহিলা ৩ কোটি ১৬ লক্ষ। তৃতীয় লিঙ্গের ১,১৫২ জন।
কমিশন জানিয়েছে, ৫ রাজ্যে প্রায় ১৫ লক্ষ ভোটকর্মী নিয়োগ। নিরাপত্তাকর্মী প্রায় সাড়ে আট লক্ষ। প্রায় ৪৯ হাজার মাইক্রো অবজার্ভার, ১,৪৪৪ জন অবজ়ার্ভার, ৪০ হাজার গণনাকর্মী, ২১ হাজার সেক্টর অফিসার এবং গণনার জন্য ১৫ হাজার মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা হচ্ছে।
শুরু কমিশনের সাংবাদিক বৈঠক
দিল্লিতে শুরু নির্বাচন কমিশনের সাংবাদিক বৈঠক। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার বলেন, "কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না। অবৈধ কারও নাম থাকবে না। আমি বিএলওদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্সের জনসংখ্যার সমান ভোটার। বিভিন্ন দেশ থেকে এই বিরাট প্রক্রিয়া দেখতে প্রতিনিধিরা এসেছেন।"
ভোটের মুখে কল্পতরু মমতা
বিধানসভা নির্বাচনের মুখে কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এবার পুরোহিত-ইমামদের ভাতা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করলেন তিনি। রবিবার এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ৫০০ টাকা করে ভাতা বাড়ানো হচ্ছে। ফলে এবার থেকে পুরোহিত ও ইমামরা ভাতা বাবদ মাসে পাবেন ২০০০ টাকা। মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত খুশি দুই সম্প্রদায়ের ধর্মগুরুরা।
ঝুলে ৬০ লক্ষের ভাগ্য
এসআইআর শেষে ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রায় ৬৩ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। বিচারাধীন রয়েছে প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম। কিন্তু হাতে সময় কম! অল্প সময়ে দ্রুত কাজ শেষ করা সম্ভব? তা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে ভোট ঘোষণা হলেও তারা কি ভোট দিতে পারবেন? এই প্রশ্নের উত্তর নেই।
কোন কোন রাজ্যে ভোট
পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা রবিবার। বিকেল ৪টেয় সাংবাদিক বৈঠক। রাজধানী দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে থাকবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন ফুল বেঞ্চ। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল আট দফায়। এ বার সর্বোচ্চ দুই বা তিন দফায় ভোট হওয়ার সম্ভবনা পশ্চিমবঙ্গে।
পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও অসম, তামিলনাড়ু, কেরল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির ভোটের নির্ঘণ্ট রবিবার ঘোষণা করবে কমিশন।
‘সিস্টেমেটিক রিগিং’ নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন জ্ঞানেশ কুমার
গত মহারাষ্ট্র এবং বিহার নির্বাচনের সময় থেকে একাধিকবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোটচুরি’ নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। এমনকী ইভিএমে কারচুপি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ। সামনেই বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই গত সোমবার ধরনা মঞ্চ থেকে ইভিএমে কারচুপি হতে পারে বলে আশঙ্কাপ্রকাশ করেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। যদিও কতকাতায় এই বিষয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার কড়া বার্তা দেন। কোনও প্রার্থী চাইলে নির্বাচনের পর সাতদিনের মধ্যে ইভিএম পরীক্ষা করানো যাবে।
তিনি আরও জানান, প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর ভোটের হার প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তাঁর কথায়, ”দু’ঘণ্টা অন্তর যে ভোটের হার প্রকাশ করা হবে। আর তা পাওয়া যাবে ECINET অ্যাপে।” এছাড়াও এদিন তিনি আরও জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে ৮০ হাজারেরও বেশি বুথ থাকবে। কিন্তু কোনও বুথে ১২০০-র উপর ভোটার থাকবে না। বুথে থাকবে বিশেষ সহয়তা ক্যাম্প। থাকবে নম্বরও। যেখানে যে কোনও রাজনৈতিক দল ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। এছাড়াও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সমস্ত ভোটকেন্দ্রেই ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে।
ভোট দিতে পারবেন বিবেচনাধীনরা?
এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ। কলকাতা হাই কোর্টের তরফে সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়েছে, ১০ লক্ষের ইতিমধ্যে নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। ভোটের আগে এখনও বাকি ৫০ লক্ষের ভাগ্য নির্ধারণ কি সম্ভব? বিবেচনাধীনরা আদৌ ভোট দিতে পারবেন? মঙ্গলবারের সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রশ্নের জবাব কার্যত এড়িয়ে গেলেন খোদ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এর আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়ালও বিবেচনাধীন ভোটারদের কোনও দিশা দেখাতে পারেননি।
নিবেদিত


