'প্ররোচনায় পা দেবেন না'
মমতা বলেন, "ভরসা রাখুন, আস্থা রাখুনষ প্ররোচনায় পা দেবেন না। নির্বাচনের স্বার্থে গ্যাস নিয়ে রাজনীতি করছে বিজেপি। ব্রিগেড ভরাতে ক্যাশ দিচ্ছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিটিংয়ের পর ওদের মাকব। সব হিসেব হবে। যতই কর হামলা, জিতবে বাংলা। ঘাসে মুখ দিয়ে চলি না। নন্দিনী চক্রবর্তী একজন বাঙালি সিএস ছিলেন। এপনারা এক রাতে বের করে দিলেন। বিজেপির দালালি করেন। একবারও রাজ্যকে জিজ্ঞেস করলেন না। তারমানে আপনারা বাঙালি নয় অবাঙালি এফিসিয়েন্ট অফিসারদেরও বার করে দিয়েছেন। তাঁরা বাংলার হয়ে কাজ করবেন।"
ডোরিনা ক্রসিংয়ে মমতা
কলেজ স্কোয়্যার থেকে হেঁটে ডোরিনা ক্রসিংয়ের সভামঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, "আপনারা জানেন এচা রোজার মাস চলছে। তাই আমরা আজানের আগে মিটিং শেষ করতে চাই। কেন্দ্রের গাফিলতিতে জ্বালানি সংকট। গ্যাসের দাম যেভাবে বেড়েছে, সার্ভার কাজ করছে না। মানুষ অ্যাপ্লাই করেছে পাচ্ছে না। মানুষ গ্যাস পাচ্ছে না। একবারও বাবলেন না। নির্বাচনের স্বার্থে হঠাৎ গ্যাস বন্ধ করে দিলেন। গ্যাস দিন মানুষকে, গ্যা, বেলুন নয়।"
কলেজ স্কোয়্যারে জনজোয়ার
তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিবাদী মিছিলে যোগ দিতে কলেজ স্ক্যোয়ারে জনজোয়ার। রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। বিজেপিকে বিঁধে তিনি বলেন, "যেভাবে আমাদের উপর হামলা হল তা বাংলার মানুষ দেখেছে। আইন আইনের পথে চলবে। এইভাবে গুন্ডামি করে বাংলা জেতা যাবে না।"
পথই প্রচারের হাতিয়ার
দু'দফায় যেভাবে ভোটের নির্ঘণ্ট হয়েছে সেই প্রেক্ষিতে এদিনই প্রচারসূচি তৈরি করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে তৃণমূল শিবিরে। দলনেত্রী মমতা এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারের মূল মুখ। অতীতের ভোটগুলির মতোই ২৯৪ কেন্দ্রের মধ্যে যতগুলিতে সম্ভব মমতা যাবেন নির্বাচনী সভা অথবা মিছিল করতে। বাকিগুলিতে যাবেন অভিষেক। তৃণমূলের প্রার্থীতালিকাও চূড়ান্ত। দু'-একদিনের মধ্যে সেটি ঘোষণা হবে। ঘোষণা হবে চমকপ্রদ ইস্তাহারও। এর মধ্যেই রয়েছে ইদ। সেই পর্ব মিটলে প্রচারে ঝড় তুলবে তৃণমূল নেতৃত্ব। মমতা ইতিমধ্যেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-সহ বিভিন্ন প্রকল্পে ভাতা বৃদ্ধি করেছেন। যুবসাথীর মতো প্রকল্প চালু হয়েছে। বাকি দাবি ছিল পুরোহিত ও মোয়াজ্জিনদের। ৫০০ টাকা বেড়ে তাঁদের ভাতা হল ২০০০। সঙ্গে তাঁর মাস্টারস্ট্রোক বকেয়া ডিএ।
নিবেদিত


