সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অনশন প্রত্যাহার করলেন কলকাতা পুরসভার ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায়। নেপথ্যে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। শনিবার সত্যাগ্রহের মঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন কুণাল। সেখান থেকে উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনে মোনালিসার কথা বলিয়ে দেন। কথাবার্তার মাঝেই দলীয় কাউন্সিলরকে ভোটের দায়িত্বও দেন সাংসদ। সবমিলিয়ে এদিন ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের অভিমান গলে জল।
গন্ডগোলের শুরু দিন কয়েক আগে থেকে। উত্তর কলকাতা লোকসভায় তৃণমূল প্রার্থী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নতুন নির্বাচনী কার্যালয় খোলা হয়। মোনালিসা এবং তাঁর অনুগামীদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নির্বাচনী কার্যালয় ছিল। আচমকা ভোটের আগে কাউন্সিলরকে অন্ধকারে রেখে তড়িঘড়ি নতুন কার্যালয় খোলা হয়েছে। সেখানে যাঁরা আনোগোনা করছেন কস্মিনকালেও তাঁদের এলাকায় রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে দেখা যায় না। তিনি আরও দাবি করেন, কাউন্সিলরকে নিষ্ক্রিয় করে রেখে নির্বাচনের কাজ করতে চাইছে কেউ কেউ। এটা ঠিক নয়।
[আরও পড়ুন: আদালতে চলছে ট্রাম্পের বিচার, বাইরে গায়ে আগুন দিলেন যুবক!]
কাউন্সিলরের প্রশ্ন, “৪৯ নম্বর ওয়ার্ড কি উত্তর কলকাতার বাইরে? এখানকার রেজাল্ট যদি খারাপ হয় তাহলে তো কাউন্সিলরকেই জবাব দিতে হবে। এর জন্যই উচ্চ-নেতৃত্বর কাছে গিয়েছিলাম। আমি অনেক মিটিংয়ে বলেছি একসঙ্গে কাজ করা উচিত। কিন্তু কয়েকজনের জন্য সেটা হচ্ছে না।” অভিযোগ, এই ধরনা তুলে নিতে তৃণমূল কাউন্সিলরকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
এদিন সেই মান-অভিমান মেটাতে সটান ধরনা মঞ্চে হাজির হন রাজ্যসভার প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষ। অভিমানী কাউন্সিলরকে বোঝান। কথা বলিয়ে দেন সাংসদের সঙ্গে। ভোটে প্রচার দায়িত্বও দেন। সেই দায়িত্ব পেয়ে তৎক্ষনাৎ অনশন প্রত্য়াহার করেন মোনালিসা।
[আরও পড়ুন: খুনের হুমকি, বাড়িতে হামলা, কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ভারত ছাড়লেন সলমন! কোথায় গেলেন?]
সর্বশেষ খবর
-
হাই কোর্টে স্বস্তি মহুয়ার, নিম্ন আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা খারিজ করে মামলা স্থানান্তর
-
এগারো থেকে ওপেনার, ভারত ‘এ’ দলে সুযোগ পাওয়া সুজাতার রূপকথার নেপথ্যে শিবসাগর
-
মোদির জন্মদিনে বঙ্গে একগুচ্ছ কর্মসূচি বিজেপির, দীর্ঘায়ু কামনা করে জ্বলবে প্রদীপ
-
শরণার্থী সমস্যায় ‘বিপন্ন’ ইউরোপ, প্রথমবার জার্মানিতে ভোটে ঐতিহাসিক জয় ‘হিটলারপন্থী’ দলের!
-
একই দিনে ভিন্ন দেশে দু’টো আলাদা ম্যাচে নামবে টিম ইন্ডিয়া! কেন গিল-শ্রেয়সদের এই অবস্থা?