ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য: কলকাতা থেকে জেলা হাসপাতাল, এমনকী জেলার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেও বাড়ন্ত অ্যান্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন। ফলে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতাল গুলোকে ভ্যাকসিন কেনার অনুমতি দিল স্বাস্থ্য দপ্তর। যদিও জেলা হাসপতালের একটা বড় অংশের অভিযোগ, টানা একমাসের বেশি সময় ধরে জানানো হচ্ছে। বলা হয়েছে ভ্যাকসিন রসদ কমতে শুরু করেছে। অবিলম্বে পদক্ষেপ করুক স্বাস্থ্য ভবন। কিন্তু গুরুত্ব তেমনভাবে দেওয়া হয়নি। তাই এখন জরুরি ভিত্তিতে কেনার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
কুকুর তো বটেই, যে কোনও শ্বাপদের কামড় বা আঁচড়ে রক্তপাত হলেই বিধি মেনে হাসপাতালে যেতে হয়। চিকিৎসকরা সাবধানতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে অ্যান্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন দিয়ে থাকেন। আই ডি হাসপতালের বিশেষজ্ঞরা বলছেন কুকুর, বেড়াল তো বটেই গ্রামে শিয়াল, বেজির কামড় থেকেও জলাতঙ্ক হতে পারে। তাই অ্যান্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন নেওয়াই উচিত। মূলত এই ধরনের ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে চারটি ডোজ দেওয়া হয়। কিন্তু ভ্যাকসিনের অভাবের কারণে কেউ পেয়েছেন একটি ডোজ, আবার কেউ পেয়েছেন দুটি। প্রত্যেকটি গ্রামীণ হাসপাতালের তরফ থেকে রোগীদের রেফার করে দেওয়া হচ্ছে কলকাতায় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে।
উত্তর ২৪ পরগনার হাবরা, অশোকনগর, মধ্যমগ্রাম হোক বা দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং, ভাঙড়, হাসপাতালে বলা হচ্ছে, ভ্যাকসিনের স্টক নেই তাদের কাছে। যার জেরে দূরদুরান্ত থেকে সাধারণ এই ভ্যাকসিন নিতে রোগীরা ছুটে আসছেন কলকাতায়। এদিকে গোটা রাজ্যের ভ্যাকসিনের চাহিদা মেটাচ্ছে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের অনেক কর্মী আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, গোটা রাজ্যের মানুষের এই ভ্যাকসিনের চাহিদা মেটাতে গিয়ে, সংকট তৈরি হবে না তো? এদিন সকাল থেকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভ্যাকসিন নেওয়ার দীর্ঘ লাইন চোখে পড়েছে।
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
Copyright © 2025 Sangbad Pratidin Digital Pvt. Ltd. All rights reserved.