নব্যেন্দু হাজরা: হলুদ ট্যাক্সি বাঁচাতে তৈরি হল ওয়েস্ট বেঙ্গল জয়েন্ট ফোরাম অফ ট্যাক্সি অ্যাসোসিয়েশন। বেঙ্গল ট্যাক্সি অ্যাসোসিয়েশন, প্রোগ্রেসিভ ট্যাক্সি ইউনিয়ন, এআইটিইউসি অনুমোদিত ট্যাক্সি সংগঠন এবং ক্যালকাটা ট্যাক্সি অ্যাসোসিয়েশন মিলে এই ফোরাম তৈরি করা হল। হলুদ ট্যাক্সির দাবি-দাওয়া নিয়ে চলতি সপ্তাহেই তারা পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে চিঠি দেবেন বলে জানিয়েছেন ফোরামের নেতারা।
আদালতের নিয়ম মেনে হলুদ ট্যাক্সি এখন বন্ধের পথে। পনেরো বছরের অনেক বেশি বয়স হয়ে গিয়েছে অধিকাংশ গাড়িরই। ক্রমেই একের পর এক বসে যাচ্ছে অ্যাম্বাসাডর। আগামী বছর আরও বসে যাবে। ফলে ক্রমশই বিলুপ্তির পথে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী এই ট্যাক্সি। এমনিতেই কমতে কমতে এই ট্যাক্সির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে হাজার চারেকে। এবছর বেশ কিছু গাড়ি আর রাস্তায় নামবে না। তাই এবার হলুদ ট্যাক্সিকে বাঁচাতে একত্রিত হল চার সংগঠন।
বাকি অ্যাম্বাসাডরগুলোও যাতে উঠে না যায়, তাই হলুদ ট্যাক্সিকে বাঁচাতে রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে চিঠি দেবে ট্যাক্সিচালকদের এই ফোরাম। পনেরো বছরের নিয়ম মেনে এই ট্যাক্সি বসে গেলেও তাঁদের দাবি, ওই পারমিটে নতুন গাড়ি নামাতে দেওয়া হোক। তার রংও হোক হলুদ। বেঙ্গল ট্যাক্সি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অসীম বসুর কথায়, “আমাদের বেশ কিছু দাবি-দাওয়া আছে। সেগুলো জানিয়ে পরিবহণমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হবে। হলুদ ট্যাক্সিকে বাঁচাতেই হবে।” ফোরামের অন্য সদস্য এআইটিইউসি-র ট্যাক্সি সংগঠনের আহ্বায়ক নওয়ালকিশোর শ্রীবাস্তব বলেন, “হলুদ ট্যাক্সিকে বাঁচাতে আমরা চার সংগঠন একত্রিত হয়ে এই ফোরাম তৈরি করলাম।”
সর্বশেষ খবর
-
‘খুচরো নেই, বাস থেকে নামুন’, সারপ্রাইজ ভিজিটে কার্যত ‘ঘাড়ধাক্কা’ খেলেন খোদ পরিবহণমন্ত্রী!
-
ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে কেন মোহনবাগানে? মুখ খুললেন সায়ন, ডার্বির ভেন্যুও চূড়ান্তের পথে
-
জঙ্গলের অন্তরালে বাংলায় এক টুকরো জনপদ, জনসংখ্যা মাত্র ১৬! গ্রামের ইতিহাস আশ্চর্য করবেই
-
এই সমাজ-সংসারে সর্বত্র গুন্ডামি, দমন করবে কে?
-
বাদ পড়তেই ফুঁপিয়ে কান্না বৈভবের! ব্যর্থতাতেই কি বসানো হল বিস্ময় প্রতিভাকে? ভিন্ন সুর শ্রেয়সের