Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Sandip Ghosh

সন্দীপের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়ায় আপত্তি নেই রাজ্যের, মিলল স্বাস্থ্যভবনের অনুমতি

যত দ্রুত সম্ভব বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য চেষ্টা করতে হবে নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৫, ১৩:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৫, ১৩:২২

options
link
সন্দীপের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়ায় আপত্তি নেই রাজ্যের, মিলল স্বাস্থ্যভবনের অনুমতি zoom
ফাইল ছবি।

স্টাফ রিপোর্টার: সন্দীপের নামে চার্জ গঠনের আর কোনও আইনি বাধা রইল না। প্রাক্তন অধ‌্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে স্বাস্থ‌্যভবন থেকে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর অনুমতি মিলেছে বলে মঙ্গলবার সিবিআইয়ের তরফে আদালতে জানানো হয়। এরপরই আদালতের নির্দেশ, আগামী শুনানির এক সপ্তাহের মধ্যে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করার চেষ্টা করতে হবে। তারপর যত দ্রুত সম্ভব বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য চেষ্টা করতে হবে বলেও এদিন নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।

আর জি করে চিকিৎসক তরুণীর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা সামনে আসার পর এই হাসপাতালের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। সন্দীপ-সহ গ্রেপ্তার হন বিপ্লব সিংহ, আফসার আলি, সুমন হাজরা ও আশিস পান্ডে। তাঁরা প্রত্যেকেই গারদে রয়েছেন। কিন্তু সন্দীপ সরকারি কর্মী হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের জন্য সরকারি অনুমতি দরকার। মঙ্গলবার হাই কোর্টের এক শুনানিতে স্বাস্থ্যভবন সেই অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিআই।

Advertisement

বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মুখ বন্ধ খামে এদিন রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। হাই কোর্টে জমা পড়া রিপোর্টে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সন্দীপ ঘোষ ২০১৮ সাল থেকে সুমন হাজরা এবং বিপ্লব সিংহের সঙ্গে মিলে দুর্নীতি করে আসছেন। সেই সময় সন্দীপ ঘোষ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এমএসভিপি ছিলেন। এই দুজনকে আরজি কর হাসপাতালের ৭০ শতাংশ কাজ দিতেন সন্দীপ। হাসপাতালের সব টেন্ডার পিছু ৮ থেকে ১০ শতাংশ কাটমানি নিতেন বলেও কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি। একই সঙ্গে তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ইন্টার্নশিপ হয়ে গেলে এমবিবিএস স্টুডেন্টদের ছয় মাসের জন্য হাউসস্টাফ করা হত। সেই মেয়াদ শেষের পর আরও ছয় মাস বাড়িয়ে দেওয়া হত। হাউস স্টাফদের ৪৮ থেকে ৫০ হাজার করে দেওয়া হত। ২৪ জন পড়ুয়াকে কারসাজি করে হাউস স্টাফ হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন সন্দীপ এবং আশীষকুমার পান্ডে। যারা কোনওভাবেই নিয়োগ যোগ্য নন।

এদিন মামলার শুনানিতে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী ও তাঁর সহযোগী অমাজিৎ দে জানান, “সুপ্রিম কোর্টে আর জি করের ধর্ষণ ও খুনের মামলার সঙ্গেই হাসপাতালে দুর্নীতির মামলার শুনানি চলছে। এএসজি বলেন, “গত ২৩ আগস্ট আর্থিক দুর্নীতির সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ। এরপর ২৯ নভেম্বর আলিপুরে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। আগামী ৩০ জানুয়ারি আলিপুরে এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.