রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: আচমকা ভোলবদল শুভেন্দু অধিকারীর! দিন কয়েক আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীপুরে হারাবেন বলে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। মন্তব্য করেছিলেন, “ভবানীপুরেও ওঁকে হারাব।” মনে করা হচ্ছিল, ছাব্বিশের ভোটে দক্ষিণ কলকাতায় ফের মুখোমুখি হবেন মমতা এবং শুভেন্দু। মঙ্গলবার নিজের সেই অবস্থান থেকে ১৮০ ডিগ্রি সরে দাঁড়ালেন বিরোধী দলনেতা।
বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যে তার ডঙ্কা বেজে গিয়েছে। দিন কয়েক আগে তৃণমূল নেত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে শুভেন্দু বলেছিলেন, “ভবানীপুরেও ওঁকে হারাব। আরও পাঁচ বছর হারের জ্বালা বয়ে বেড়াতে হবে!” যা নিয়ে জল্পনা দানা বাঁধছিল। মনে করা হচ্ছিল, এবার বিধানসভা নির্বাচনে মমতার বিরুদ্ধে লড়াই করবেন শুভেন্দু। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেছিলেন, “উনি ভবানীপুরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইলে দল স্বাগত জানাবে।” কিন্তু সেই জল্পনায় জল ঢাললেন শুভেন্দু নিজেই। এদিন বিধানসভার বাইরে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, “বিজেপির প্রার্থী দিয়ে ওঁকে ভবানীপুরে হারাব। এখন কম্পার্টমেন্টাল আছেন, এরপর ডবল কম্পার্টমেন্টাল তৃণমূল নেত্রী হবেন।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেও চর্চা শুরু হয়েছে বঙ্গীয় রাজনৈতিক মহলে।
রাজনীতির কারবারিদের পর্যবেক্ষেণ, মুখে বলা আর কাজে করে দেখানোর মধ্যে যে বিরাট পার্থক্য রয়েছে তা দিন কয়েকের মধ্যেই বুঝতে পেরেছেন শুভেন্দু! আর তাই ভবানীপুরে আমজনতার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ালে বিরোধী দলনেতাকে যে গো হারান হারতে হবে সেটা বুঝতে পেরেই তড়িঘড়ি বয়ান বদল করলেন তিনি। তাই ‘ভয়’ পেয়ে নিজে নয়, বিজেপি প্রার্থী দিয়ে মমতাকে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে রাখলেন।
সর্বশেষ খবর
-
মাছ থেকে মার্কস! রেজ্জাকের শিষ্য কীভাবে হয়ে ওঠেন মমতার আস্থাভাজন? শওকতের উত্থান যেন চিত্রনাট্য
-
ইন্টারনেট টিভি নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা ট্রাই-এর, প্রতিবাদে সরব ওটিটি সংস্থাগুলি
-
ইউসুফের কাছে মমতার ‘ইস্তফা’ বার্তা পৌঁছে দেন? সৌরভ বলছেন, ‘ভুয়ো খবর’
-
পেট্রোলের বিকল্প এবার E85, বাতিল হবে পুরনো গাড়ি? কী বলছে কেন্দ্র
-
২৬/১১ হামলায় কুড়ি জন অন্তঃসত্ত্বার প্রাণরক্ষা, ‘বীরাঙ্গনা’ নার্স অঞ্জলির ভূমিকায় কঙ্গনা