স্টাফ রিপোর্টার: বাঙালি জাতির প্রকাশ্যেই সমালোচনা আরএসএসের মুখপত্রে! সংঘের মুখপত্র স্বস্তিকার সম্পাদকীয়তে ‘বাঙালির চৈতন্যোদয়’ শীর্ষক লেখায় বাঙালি জাতিকে শুধু ধর্মের মোহে বিচার করা হয়েছে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রামমোহন রায়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো মনীষীদের সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করা হয়েছে সম্পাদকীয়তে। অন্য মনীষীদের কথা থাকলেও উল্লেখ নেই বিদ্যাসাগর কিংবা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথা।
আরএসএসের মুখপত্রের ওই প্রতিবেদনে শুধুই বাঙালির ধর্মীয় নেতাদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বাঙালি জাতির অস্তিত্ব বিপন্ন হত যদি না চৈতন্যদেব, শ্রীরামকৃষ্ণদেব, স্বামী বিবেকানন্দদের মতো ধর্মীয় নেতাদের আবির্ভাব হত। একই সঙ্গে সংঘের বাংলা মুখপত্রে স্পষ্ট বলা হয়েছে, বর্তমানে বঙ্গবাসীর এই ঘোর দুর্দিনে যতটুকু জাগরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা ঈশ্বরপ্রেরিত কয়েকজন সাধুসন্তের কারণেই। বাঙালি জাতির দুর্ভাগ্য যে, শ্রীচৈতন্য, শ্রীরামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ, প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দর, স্বামী প্রণবানন্দ, হরিচাঁদ ঠাকুর-সহ বহু ঈশ্বরকল্প মনীষীর কর্মময় জীবনের উদাহরণ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে বিজাতীয় বৈদেশিক মতাদর্শ, বিধর্মীদের আস্ফালন এই ভূমির জীবনকে বিঘ্নিত করছে।”
বাঙালি নোবেল জয়ীদেরও অস্বীকার করা হয়েছে। বাঙালি জাতিকে বলা হয়েছে, দেশ-জাতি রক্ষার্থে স্বামী বিবেকান্দর সিংহগর্জন বাঙালি ভুলে গিয়েছে। আরএসএসের মতে, বর্তমানে মুষ্টিমেয় বাঙালির স্বাভিমান শূন্যতার কারণে সমগ্র বাঙালি জাতি দেশ তথা বিশ্বের কাছে নিন্দাভাজনে পরিণত হয়েছে। আবার বাম রাজনীতিকে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন যাবৎ বিজাতীয় বৈদেশিক মতাদর্শের বিধর্মীদের আস্ফালন এই ভূমিকে বিঘ্নিত করেছে।
বস্তুত সংঘ নেতাদের বাঙালির সংস্কৃতি বা ধর্মাচরণ নিয়ে সমালোচনা নতুন কিছু নয়। এর আগেও একাধিকবার সংঘনেতাদের মুখে বাংলার সমালোচনা শোনা গিয়েছে। এবার সরাসরি মুখপত্রে লেখা হল।
সর্বশেষ খবর
-
ম্যাচ শেষের আধঘণ্টার মধ্যে আমেরিকা ছাড়তে হবে ইরানকে! ফিফায় নালিশেও অনড় ট্রাম্প প্রশাসন
-
কবে স্বাক্ষর হবে ভারত-ইউরোপ বাণিজ্যচুক্তি? মুখ খুলল কেন্দ্র
-
তৃণমূল জমানার ‘গলদে’ই দিঘায় অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসে দুর্ঘটনা! প্রশ্নের মুখে প্রশিক্ষকের যোগ্যতা
-
ছাগলের মুখে সেলোটেপ এঁটে চুরি! কালনার ‘গুণধর’ চোরের কাণ্ডে প্রাণ গেল পোষ্যর
-
বর্ষায় চোরাচালান রুখতে চিকেনস নেকের নদীতে বিশেষ বিএসএফের নজরদারি, বসল ‘আন্ডারওয়াটার সেন্সর’