Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
RG Kar Doctor's Death Case

পুলিশের তদন্তে আস্থা নেই, আর জি কর কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাই কোর্টের

প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, এই মামলায় পুলিশ এবং হাসপাতালের ভূমিকা সন্তোষজনক নয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৪, ১৭:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৪, ১৭:৩৭

options
link
পুলিশের তদন্তে আস্থা নেই, আর জি কর কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাই কোর্টের zoom
ফাইল ছবি।

গোবিন্দ রায়: আর জি কর হাসপাতালে (RG Kar Hospital) তরুণী চিকিৎসকের যৌন নির্যাতন-খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্টে। প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, এই মামলায় পুলিশ এবং হাসপাতালের ভূমিকা সন্তোষজনক নয়। পুলিশ আদালতে যে কেস ডায়েরি জমা দিয়েছিল তাতেও সন্তুষ্ট নয় হাই কোর্ট। সেজন্যই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে গোটা ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হল। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আদালতের পর্যবেক্ষণে হবে তদন্ত।

সোমবার আর জি করের নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা পুলিশকে কার্যত ‘আলটিমেটাম’ দিয়ে দেন। তিনি জানিয়ে দেন, রবিবার পর্যন্ত পুলিশ যদি তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না করতে পারে, তাহলে তিনি এই মামলা সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেবেন। কিন্তু হাই কোর্ট রবিবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে রাজি নয়। প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, পাঁচ দিন কেটে গেলেও এই ঘটনার তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফের প্যারোলে মুক্ত! বন্দিদশা এড়িয়ে ২১ দিনের জন্য ‘ছুটি’তে ধর্ষক রাম রহিম]

হাই কোর্টের নির্দেশ, কলকাতা পুলিশ এই মামলায় আর তদন্ত করবে না। এখনই আদালতে উপস্থিত সিবিআই আধিকারিককে কেস ডায়রি হস্তান্তরের নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি। সিবিআইকে পরবর্তী শুনানির দিন তদন্তের অগ্রগতি রিপোর্ট দিতে হবে। গোটা তদন্ত প্রক্রিয়া চলবে আদালতের নজরদারিতে।

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশের সরকার পতনে আমেরিকার হাত! গুঞ্জনের মাঝেই বিবৃতি আমেরিকার]

মঙ্গলবার মামলার শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি কলকাতা পুলিশের কাছে মামলার কেস ডায়েরি তলব করেন। সেই মতো কেস ডায়রি পেশও করে পুলিশ। রাজ্যের তরফে দাবি করা হয়, পরিবারকে ৩ ঘণ্টা বসিয়ে রাখার অভিযোগ সঠিক নয়। ঘটনায় এপর্যন্ত ২৭ জনের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। পুলিশের পদক্ষেপে পরিবার খুশিও ছিল। কিন্তু রাজ্যের সেই সওয়ালেও অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি প্রশ্ন করেন, “দেহ কি রাস্তায় পড়ে ছিল? সুপার বা অধ্যক্ষ অভিযোগ করেননি কেন? আর কিছু বলতে হবে না। ঝুলি থেকে বেড়াল বেরিয়ে এসেছে।” চূড়ান্ত রায়ে হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণ, পুলিশের তদন্তে বিশেষ অগ্রগতি নেই। অবিলম্বে মামলা সিবিআইকে হস্তান্তর করা হোক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.