Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Junior Doctors

ডাক্তারদের নিরাপত্তায় একগুচ্ছ নির্দেশিকা নবান্নের, বিশেষ দায়িত্বে সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ

এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সমস্ত হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে 'প্যানিক বাটন' সিস্টেম চালু করা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৪, ২০:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৪, ২০:১৮

options
link
ডাক্তারদের নিরাপত্তায় একগুচ্ছ নির্দেশিকা নবান্নের, বিশেষ দায়িত্বে সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ zoom
Advertisement

ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য: এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলনের সাফল্য। ডাক্তারদের নিরাপত্তায় রাজ্যের হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নে একগুচ্ছ নির্দেশিকা দিলেন মুখ্যসচিব। দশ দফা নির্দেশিকা দিয়ে স্বাস্থ্যসচিবকে এই সংক্রান্ত নোটিস পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সমস্ত হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ‘প্যানিক বাটন’ সিস্টেম চালু করা। এ বিষয়ে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন ডিজি সুরজিৎ কর পুরকায়স্থকে। তিনি সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিরাপত্তার নিয়ে অডিটের বিষয়টি দেখভাল করবেন।

আর জি করে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় হাসপাতালের নিরাপত্তার অভাবকে দায়ী করেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁদের দীর্ঘ ৪১ দিনের আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিল, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা। তা নইলে কাজে ফিরবেন না বলেও জানিয়ে দেন তাঁরা। একে একে জুনিয়র চিকিৎসকদের সমস্ত দাবি সরকার মেনে নেওয়ার পরও তাঁরা কাজে ফিরতে রাজি হননি। কারণ হিসেবে ওই নিরাপত্তাহীনতার কথা বলেছেন। রাজ্য সরকার তার যথাযথ ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে বলে সাফ জানান জুনিয়র চিকিৎসকরা।

Advertisement

এসবের পর বৃহস্পতিবার সন্ধেবেলা নবান্ন থেকে হাসপাতালগুলির সুরক্ষা পরিকাঠামো নিশ্চিত করতে সদর্থক পদক্ষেপ নেওয়া হল। স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমকে দশ দফা নির্দেশিকা পাঠালেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বসানো হবে ‘প্যানিক বাটন’। যে কোনও অভিযোগ নিতে অভ্যন্তরীণ কমিটি এবং অন্য কমিটিগুলিকে কার্যকরী রাখতে হবে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তায় যাতে কোনওভাবেই কোনও খামতি না থাকে, তা নিশ্চিত করতে তৎপর রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয়ভাবে একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করতে বলা হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই হেল্পলাইন নম্বর দ্রুত চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া প্রতিটি হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তারদের জন্য পৃথক বিশ্রামকক্ষ ও শৌচালয়ের ব্যবস্থা করা হবে। হাসপাতালে পানীয় জলের বন্দোবস্ত যাতে ঠিকঠাক থাকে, সেদিকেও নজর রাখতে হবে। সরকারি হাসপাতালগুলিতে কতগুলি শয্যা ফাঁকা রয়েছে, সেই সংক্রান্ত প্রতি মুহূর্তের তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য প্রতিটি হাসপাতালে এই সংক্রান্ত একটি ডিসপ্লে বোর্ড রাখতে হবে। কোনও রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয়ভাবে একটি ‘রেফারেল সিস্টেম’ দ্রুত চালু করার কথা বলা হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.