অভিরূপ দাস: বিরোধী নিয়ে বিরক্ত নন। বরং বিরোধীরা চুপ কেন? তাই নিয়ে প্রশ্ন তুললেন কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়। গণতন্ত্রে বিরোধী দলের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কলকাতা পুরসভায় অধিবেশন কক্ষে কাউন্সিলর তাঁর এলাকার জণগণের কন্ঠস্বর। এলাকার জনগণের হয়ে তিনিই প্রশ্ন তোলেন। এমতাবস্থায় কলকাতা পুরসভায় বাম-বিজেপি কংগ্রেসের কোনও প্রশ্ন নেই। ভাবতে পারছেন না চেয়ারপার্সন।
পুজোর আগে কলকাতা পুরসভায়(KMC) শেষ অধিবেশনে তৃণমূল কাউন্সিলররা নিজের এলাকা নিয়ে যতটা সরব ততোটাই নিশ্চুপ বাম-বিজেপি-কংগ্রেস। যা দেখে হতাশ চেয়ারপার্সন মালা রায়। তাঁর কথায়, “দীর্ঘদিন আমরাও বিরোধীদের আসনে ছিলাম। আমরা কিন্তু তৎকালীন মেয়রকে গুচ্ছ গুচ্ছ প্রশ্ন করতাম। এত প্রশ্ন করতাম, যে বলা হতো প্রশ্ন কমান। আর নেওয়া যাবে না। এখন দেখছি উল্টো।” সব প্রশ্ন ট্রেজারি বেঞ্চে। বিরোধীদের কোনও প্রশ্ন নেই।
এদিকে কলকাতা পুরসভার ১৪৪ টা ওয়ার্ডের মধ্যে অনেকগুলিতে বিরোধীরা। এদিন চেয়ারপার্সনের এই কথার উত্তরে বিজেপি কাউন্সিলর বিজয় ওঝা বলেন, “এলাকার কথা বলেও কাজ হয় না। তাই মেয়রকে প্রশ্ন করি না।” যদিও তাঁর এহেন যুক্তি ধোপে টেকেনি। পালটা চেয়ারপার্সন তাঁকে বলেছেন, “যদি আপনার এলাকায় কোনও কাজই না হয়, তাহলে আপনি বছর বছর জিতছেন কীভাবে।”
উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভায় বিজেপি কাউন্সিলর মীনাদেবী পুরোহিত ১৯৯৫ থেকে কাউন্সিলর। চেয়ারপার্সনের বক্তব্য, যদি ওয়ার্ডে কোনও কাজ না হতো তাহলে ১৯৯৫ সাল থেকে মীনাদেবী পুরোহিত ওই ওয়ার্ডে ভোটে জিততেন না। মালা রায়ের কথায়, ‘‘ওয়ার্ডে কোনও সমস্যা থাকবে না এটা হতে পারে না। আপনারা আগামী দিনে প্রস্তাব-প্রশ্ন রাখলে আমি চেয়ারপার্সন হিসেবে খুশি হব।’’
সর্বশেষ খবর
-
১৭ কেজি মেদ ঝরান, কাশ্মীরে গিয়ে অনুশীলন, কীভাবে টিম ইন্ডিয়ায় কামব্যাক ‘বিদ্রোহী’ সরফরাজের?
-
বামেদের ‘জেল ভরো’ কর্মসূচিতে উত্তপ্ত আসানসোল! ব্যারিকেড ভেঙে ধস্তাধস্তি, গ্রেপ্তার মীনাক্ষী
-
পোষ্য, মানুষের নিঃস্বার্থ ভালোবাসার গল্প বলে ‘ওহ মাই ডগ’, কেমন হল পঙ্কজ ত্রিপাঠীর ছবি?
-
মাধ্যমিক পাশেই ভারতীয় ডাকবিভাগে চাকরি, বেতন সর্বোচ্চ ৬০ হাজারেরও বেশি
-
হাসিনা ‘কাঁটা’ সরিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে গলছে বরফ! তারেকের সঙ্গে সাক্ষাৎ ত্রিবেদীর