সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাড়িতে ‘রামকথা’র আয়োজন থেকে পিছিয়ে এলেন তৃণমূল নেতা মদন মিত্র। বিতর্ক এড়াতে অনুষ্ঠান বাতিল করে দিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। অনুষ্ঠানের ঠিক একদিন আগে, ২৩ জুলাই, মঙ্গলবার তিনি জানিয়েছেন, রাজ্য তথা গোটা দেশে যখন জয় শ্রীরাম ধ্বনি তুলে নিরীহ মানুষকে আক্রমণ করা হচ্ছে, খুন করা হচ্ছে। সেখানে তিনি যদি এখন ‘রামকথা’ আয়োজন করেন তাহলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তাই নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন তৃণমূল নেতা।
[আরও পড়ুন: দমদমে অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরির বেসরকারিকরণের প্রতিবাদে মোদিকে চিঠি মমতার]
প্রসঙ্গত, বেশ ঘটা করেই ‘রঘুবীর’-এর উদ্দেশ্যে ‘দাদা’র সঙ্গে ভক্তি নিবেদন করার কথা ছিল ভক্তকুলের৷ কথা শেষে প্রসাদেরও ব্যবস্থা ছিল৷ নিজের এলাকা ভবানীপুরে এই অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা ছিল তাঁর৷ রাজনৈতিক মঞ্চে দাপট খানিকটা কমলেও, জনপ্রিয়তায় তেমন একটা ভাটা পড়েনি মদন ‘লাইভ’ মিত্রর৷ তাই তাঁর আয়োজিত অনুষ্ঠানে যথারীতি জমায়েত ভালই হবে এ জানা কথা৷ তবে হঠাৎ করে রামকথা কেন? এই প্রশ্নই তখন ঘুরপাক খাচ্ছিল রাজনৈতিক মহলে৷ বিগত ভাটপাড়া উপনির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে লড়াই করেন মদন৷ পবন সিংয়ের কাছে হারলেও, দল ও ‘দিদি’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন তিনি৷ লোকসভা পরবর্তী পরিস্থিতিতে দলবদলের হিড়িকে মদনকে নিয়ে তেমন জল্পনা শোনা যায়নি৷
কিন্তু মদন মিত্রর এই রামকথা আয়োজনের কথা রটতেই বিভিন্ন মহলে কানাঘুষো শুরু হয়। রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষও এ বিষয়ে কটাক্ষ করেন। এদিন মদন মিত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘জয় শ্রীরাম ধ্বনি তুলে সর্বত্র হিংসা-হানাহানি শুরু হয়েছে। রামের নাম বদনাম করা হচ্ছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে রামকথা অনুষ্ঠান করলে সমস্যা আরও বাড়বে। তাই এখন মা-মাটি-মানুষের পুজো করতে চাই আরও বেশি করে। বুকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শ রয়েছে। জয় বজরংবলীর আশীর্বাদ রয়েছে। আর কোনও বিতর্ক নয়।’
[আরও পড়ুন: মহিলা কামরার ফাঁকে প্রস্রাব, গার্ডের কাণ্ড দেখে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা]
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
Copyright © 2024 Pratidin Prakashani Pvt. Ltd. All rights reserved.