ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের পোস্টারে কালি লাগানো বিতর্কে এবার প্রদেশ নেতৃত্বের উপর খড়গহস্ত এআইসিসি (AICC)। কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল, কংগ্রেস সভাপতির অপমান বরদাস্ত করা হবে না। দ্রুত খাড়গের পোস্টারে কালি কাণ্ডে ব্যবস্থা নিতে হবে প্রদেশ কংগ্রেসকে।
শনিবার তৃণমূলের সঙ্গে জোট নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীকে কড়া বার্তা দেন খাড়গে। সাফ বলে দেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ইন্ডিয়া জোটের অংশ। সেটা অধীরকেও মানতে হবে। না মানলে বেরিয়ে যেতে হবে।’ কংগ্রেস সভাপতির সেই বার্তার পরদিনই দেখা যায় প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তরের বাইরে রাখা পোস্টারে খাড়গের ছবিতে কালি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিধান ভবনের সামনে বিরাট পোস্টারে সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) এবং দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের ছবি ছিল। সেই পোস্টারে শুধু খাড়গের ছবিতেই কালি লাগানো হয়।
[আরও পড়ুন: ‘১৩ বছর আগে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে প্রথম শপথ’, পুরনো কথা স্মরণ মমতার]
সেই কালি কাণ্ডের একদিন পরই এআইসিসির তরফে কড়া চিঠি দিয়ে সতর্ক করে দেওয়া হল প্রদেশ কংগ্রেসকে। এআইসিসির তরফে দলের সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল প্রদেশ নেতৃত্বকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিলেন, “আমরা জানতে পেরেছি কংগ্রেসের কিছু কর্মী এবং পদাধিকারী এই ঘৃণ্য কাজের সঙ্গে যুক্ত। খাড়গেজির ছবিতে কালি লাগানোয় লক্ষ লক্ষ কংগ্রেস কর্মী ভাবাবেগে আঘাত পেয়েছেন। কংগ্রেস এসব বরদাস্ত করবে না। দ্রুত এ নিয়ে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদককে।
[আরও পড়ুন: লকেটের ‘চোরে’র পালটা অসীমার ‘ডাকাত’, ধনেখালিতে ধুন্ধুমার]
যদিও প্রদেশ কংগ্রেসের দাবি, এই কাজ তৃণমূলের। কংগ্রেসকে ছোট করার জন্য এহেন পরিকল্পনা। এনিয়ে মধ্য কলকাতার কংগ্রেস সভাপতি সুমন পাল এন্টালি (Enatally) থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পরে ছবিটি পরিষ্কারও করে দেওয়া হয়।
সর্বশেষ খবর
-
এবার ‘কেরালায় কুরুক্ষেত্র’ বাঁধাবেন একেনবাবু, সম্মুখ সমরে ঋত্বিক! আর কোন চমক?
-
অবশেষে শুরু অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদন, কীভাবে পূরণ করবেন ফর্ম? জানুন খুঁটিনাটি
-
হিন্দু-মুসলমানের রাজনীতি আর কতদিন! দিল্লিতে বিক্ষোভ ককরোচ পার্টির, নিরাপত্তা দিল শাহের পুলিশ
-
শওকতের গ্রেপ্তারিতে ভাঙড়ে মিষ্টি বিলি আরাবুলের, তুমুল নাচ আইএসএফ কর্মীদের
-
বিশ্বাস ভাইদের অবিশ্বাস্য কীর্তি! এলআইসির জমি ‘জবরদখল’ সুরুচি সংঘের