Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৫ জুলাই ২০২৬
Aniket Mahato

অনশনে অসুস্থ ছেলেকে দেখতে ঝাড়গ্রাম থেকে কলকাতায়, কী বলছেন অনিকেতের বাবা?

আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জুনিয়র চিকিৎসক অনিকেতের সঙ্গে দেখা করেন তাঁর বাবা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০২৪, ১৯:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০২৪, ১৯:১৪

options
link
অনশনে অসুস্থ ছেলেকে দেখতে ঝাড়গ্রাম থেকে কলকাতায়, কী বলছেন অনিকেতের বাবা? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অনশনে অসুস্থ ছেলে। ভর্তি হাসপাতালে। তাকে দেখতে ঝাড়গ্রামের শিলদা থেকে কলকাতায় অনিকেত মাহাতোর বাবা। আর জি কর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জুনিয়র চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করেন।

হাসপাতালে বেশ কিছুক্ষণ চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। আর জি কর থেকে বেরনোর পর অনিকেতের বাবা অপূর্ব জানান, আগের চেয়ে নাকি অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন তাঁর ছেলে। অনিকেত কী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেই ফের অনশন মঞ্চে ফিরবেন, সে প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। এ বিষয়ে অবশ্য অনিকেতের বাবা অপূর্ব কিছু বলতে চাননি। অনশন মঞ্চে ফিরবেন কিনা, তা সম্পূর্ণ অনিকেতের নিজস্ব সিদ্ধান্ত বলেই জানান তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, গত ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ, ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছে তাঁকে। এই ঘটনার পর থেকে আন্দোলনে শামিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। এই আন্দোলনের মুখ অনিকেত মাহাতো। কর্মবিরতির পর গত ৬ অক্টোবর অনশনে বসেন তিনি। বৃহস্পতিবার থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই রাতেই আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসক অনিকেতের শিলদার বাড়িতে পুলিশ যায়। ছেলেকে বোঝাতে পুলিশের তরফে অনুরোধ করা হয় বলেই জানান অনিকেতের বাবা-মা। তবে তাঁরা সাফ জানিয়ে দেন যে অনশনের বিষয়টি অনিকেতের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এর পর শনিবার ছেলের সঙ্গে দেখা করতে কলকাতায় অনিকেতের বাবা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.