Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
New Town

আর জি করের নৃশংস ঘটনার দিনই জন্ম ‘রক্ষাকারী’ মউয়ের, পাড়ায় ফিরতেই পুষ্পবৃষ্টি

আর জি করে মৃত তরুণী চিকিৎসককে সম্মান জানাতেই সদ্যোজাতের এই নামকরণ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২৪, ১৩:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২৪, ১৩:২৭

options
link
আর জি করের নৃশংস ঘটনার দিনই জন্ম ‘রক্ষাকারী’ মউয়ের, পাড়ায় ফিরতেই পুষ্পবৃষ্টি zoom
প্রতীকী ছবি
Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা, বিধাননগর: আর জি কর মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে জন্ম সদ্যোজাতের। ১০ আগস্ট শনিবার রাত ২.২০ মিনিটে প্রসূতি বিভাগের তেতলায় ভূমিষ্ঠ নবজাতকের নামকরণ করা হয়, আনায়া। এটি একটি আরবি শব্দ৷ যার বাংলা অর্থ ‘রক্ষাকারী’। খুদে রক্ষাকারীকে গাড়িতে ফুল সাজিয়ে আর জি কর হাসপাতাল থেকে নিউটাউনের বাড়িতে আনেন পেশায় কাঠমিস্ত্রি বাবা। আর বাড়ির চৌহদ্দিতে খুদে কন্যার গাড়ি থামতেই পুষ্পবৃষ্টিতে ভরে উঠল চারপাশ। ছোট্ট চোখ একঝলক চাক্ষুসও করল। মিষ্টিমুখ করানো হল গোটা পাড়াকে। 

বুধবার বিকেলে আদরের খুদে ‘রক্ষাকারী’কে ঘরে আনতে স্করপিও গাড়ি ভাড়া করেছিলেন দিনমজুর বাবা। সকাল থেকে গাড়িটি নিজের হাতে নানা রঙিন ফুল সাজিয়ে সাড়ম্বরে নবজাতক কন্যাকে নিউটাউনের বাড়িতে ফেরালেন পেশায় কাঠমিস্ত্রি বছর বত্রিশের যুবক আনোয়ার আলি মোল্লা। তিনি বলছেন, ‘‘আনায়া নামের অর্থ হল রক্ষাকারী। এই নামটির আড়ালে রয়েছে একটি সামাজিক বার্তা। মেয়েরাও সমাজের রক্ষক। আর আনায়া-র ডাকনাম হল মউ।’’ আর জি করে মৃত তরুণী চিকিৎসককে সম্মান জানাতেই এই নামকরণ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: খাস কলকাতায় ভাঙা হল ভাষা শহিদের মূর্তি, সিপিএম-বিজেপির দিকে অভিযোগের তির

আর জি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎককে ধর্ষণ ও খুনের নারকীয় ঘটনায় তোলাপাড় রাজ্য। প্রতিবাদের সেই ঝাঁজ রাজ্যের গণ্ডি টপকে, গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এই আবর্তে তরুণী ডাক্তার হত্যাকাণ্ডের রাতে অর্থ্যাৎ গত ১০ আগস্ট শনিবার রাত ২.২০ মিনিট নাগাদ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে এক কন্যাসন্তানের জন্ম দেন নিউটাউন-বালিগড়ি দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা মইরম খাতুন।

পরিজনেরা জানিয়েছেন, প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে গত শুক্রবার রাতেই ভর্তি হয়েছিলেন মইরম। আপ্লুত মহিলা বলছেন, ‘‘২০১৩ সালে বিয়ে হয়। দশ বছরের এক ছেলে রয়েছে। আমরা দুজনেই মেয়ে হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম। অবশেষে ঘর আলো করে এল কন্যাসন্তান। আমরা গর্বিত।’’ পাড়ার অনেকেই বলছেন, ‘এ মেয়ে ধন্যি!’ এই প্রসঙ্গে বালিগড়ি অঞ্চলের তৃণমূল নেতা সাহিনুর রহমানের কথায়, আনায়ার ভাবনায় মেয়েরা প্রত্যেক বাবার রাজকন্যা হয়ে উঠুক।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.