Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Firhad Hakim

দুর্গাপুজোর পোস্টার-ফ্লেক্স ছিঁড়ল আন্দোলনকারীরা! অভিযোগ ফিরহাদের

নবান্ন অভিযানে রণক্ষেত্রর চেহারা নেয় ধর্মতলা চত্বর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৪, ২১:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৪, ২১:২২

options
link
দুর্গাপুজোর পোস্টার-ফ্লেক্স ছিঁড়ল আন্দোলনকারীরা! অভিযোগ ফিরহাদের zoom
ফাইল ছবি।

অভিরূপ দাস: শহরজুড়ে অসংখ‌্য দুর্গাপুজোর পোস্টার-ফ্লেক্স ছিঁড়ে দিয়েছে বিজেপি! মঙ্গলবারের নবান্ন অভিযানের পর গুরুতর এই অভিযোগ আনলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। সম্প্রতি আর জি কর মেডিক‌্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার নবান্ন অভিযান ছিল ‘ছাত্র সমাজের’। যদিও মেয়র ফিরহাদ হাকিমের দাবি, এই মিছিলে কোনও ছাত্র ছিল না। তাঁর বক্তব‌্য, ‘‘গুণ্ডাদের মিছিল ছিল।’’

সরাসরি বিরোধী দলের দিকে আঙুল তুলে তিনি বলেছেন, বিজেপি টাকা দিয়ে গুণ্ডাদের ঢুকিয়েছিল মিছিলে। যাঁরা পুলিশ পিটিয়েছে। এদিন কলেজ স্ট্রিট থেকে একটি মিছিল যায় নবান্নের পথে। অন‌্যটি রওনা দেয় সাঁতরাগাছি থেকে। একাধিক জায়গায় পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় পুলিশের বাইক। বিকেলে কলকাতা পুরসভায় সাংবাদিক সম্মেলন করে পুরসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দল। যেখানে মেয়র ছাড়াও হাজির ছিলেন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ, মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার, দেবব্রত মজুমদার, কাউন্সিলর অরূপ চক্রবর্তী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভাঙল ব্যারিকেড, পালটা জলকামান, নবান্ন অভিযান ঘিরে পুলিশ-মিছিলকারীদের খণ্ডযুদ্ধ]

ফিরহাদের অভিযোগ, শহরজুড়ে দুর্গাপুজোর একাধিক পোস্টার ছিঁড়ে দিয়েছে বিজেপি। তাঁর বক্তব‌্য, ‘‘এই বিজেপি বলেছিল বাংলায় নাকি দুর্গাপুজো হয় না। আজকে তারা শহর কলকাতায় শয়ে শয়ে দুর্গাপুজোর ফ্লেক্স-পোস্টার ছিঁড়ে দিয়েছে।’’ কেন হল এমনটা? ফিরহাদের কথায়, ‘‘বিজেপির গুণ্ডারা অশিক্ষিত। তাদের কোনও অক্ষরজ্ঞান নেই। কীসের পোস্টার ছিঁড়ছে তারা জানেই না।’’

মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানে রণক্ষেত্রর চেহারা নেয় ধর্মতলা চত্বর।  পুজোর আর বেশিদিন বাকি নেই। এই মরশুমে শহরের ছোট ব‌্যবসায়ী, হকাররা বিকিকিনির আশায় পসরা সাজিয়ে বসেন। পুলিশ-আন্দোলনকারীদের খণ্ডযুদ্ধে অনেককেই দোকান গুটিয়ে পালাতে হয়। অশান্তির জন‌্য ধর্মতলা চত্বরে শহরের ক্ষুদ্র ব‌্যবসায়ীদের এদিন রোজগার কার্যত শূন‌্য। মেয়রের কথায়, ‘‘এই মরশুমে দুটো পয়সা রোজগার করেন হকাররা। শহরের এই তাণ্ডবে তারা চূড়ান্ত ক্ষতির মুখে পড়লেন। তাদের পেটে লাথি মেরেছে বিজেপি। অরাজকতা তৈরি করে বাংলা দখল করতে চাইছে।”

এদিন মেয়র হিসেবে শহরের পুলিশও এবং আমজনতাকে ধন‌্যবাদ জানিয়েছেন ফিরহাদ। বলেছেন, ‘‘কলকাতার বুকে অরাজকতা চালালো বিজেপি। ছাত্রের নাম করে বুড়োরা তাণ্ডব চালিয়েছে শহরে। পুলিশ বাহিনীকে ধন‌্যবাদ এত প্ররোচনা সত্ত্বেও তারা এই অশান্তিকে ঠেকিয়েছেন।’’

[আরও পড়ুন: ‘অরাজনৈতিক’ নবান্ন অভিযানের নেতৃত্বে অর্জুন! ধৃতদের আইনি সহায়তার আশ্বাস শুভেন্দুর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.