Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
RG Kar Hospital

আর জি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত মহিলা ডাক্তারের অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার, ধর্ষণ নাকি খুন?

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ওই মহিলা চিকিৎসক হাসপাতালের চেস্ট ডিপার্টমেন্টের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে কর্মরত ছিলেন। এদিন সকালে সেমিনার রুম থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৪, ১৬:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৪, ১৬:২৭

options
link
আর জি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত মহিলা ডাক্তারের অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার, ধর্ষণ নাকি খুন? zoom
Advertisement

ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য: আর জি কর মেডিক্যাল হাসপাতালের সেমিনার রুম থেকে জুনিয়র মহিলা চিকিৎসকের অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার। অভিযোগ, তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। শুক্রবার সকালের এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত সরকারি হাসপাতালে।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ওই মহিলা চিকিৎসক হাসপাতালের চেস্ট ডিপার্টমেন্টের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে কর্মরত ছিলেন। এদিন সকালে সেমিনার রুম থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। দেহে প্রচুর আঘাতের চিহ্ন ছিল। চিকিৎসকের বন্ধুদের অভিযোগ, তাঁকে খুন করা হয়েছে। একাংশ আবার বলছেন, তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মহাপ্রস্থানের পথে ‘বুদ্ধবাবু’, শেষ যাত্রার সারথী হয়ে ‘গর্বিত’, বলছেন শববাহ গাড়ির চালক]

হাসপাতালের মধ্যে কর্তব্যরত এক চিকিৎসককে কে বা কারা ধর্ষণ করে খুন করল তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়েও। ইতিমধ্যেই হাসপাতালে পৌঁছেছে, বিশাল পুলিশ বাহিনী। রয়েছেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল।

এদিকে, বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে অভিযোগ করেছেন ওই চিকিৎসকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। তিনি লেখেন, ‘কলকাতার একটি শীর্ষস্থানীয় সরকারি হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। ডিউটি ​​রুম থেকে তাঁর নগ্ন দেহ পাওয়া গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার অপরাধ আড়াল করার চেষ্টা করছে। কলকাতা পুলিশকে বিষয়টিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে বলা হয়েছে। মিডিয়াকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।’ তিনি সন্দেশখালি ও চোপড়ার ঘটনা টেনে এনে বলেন, সন্দেশখালি থেকে চোপড়া পর্যন্ত কোনও মহিলাই পশ্চিমবঙ্গে নিরাপদ নয়।’ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের ভিডিওগ্রাফির দাবি উঠেছে।

[আরও পড়ুন: আবেগের অভিঘাতে স্বেচ্ছাবন্দি! বুদ্ধবাবুর স্মৃতিচারণায় কুণাল ঘোষ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.