Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Debangshu Bhattacharya

‘কেন লড়াইয়ের সময় ঘুমোন?’ অক্সফোর্ড ইস্যুতে চুপ থাকায় দেবাংশুর নিশানায় তৃণমূলের কারা?

দেবাংশুর আবেদনকে সমর্থন করলেন তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৫, ১৮:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৫, ১৮:০০

options
link
‘কেন লড়াইয়ের সময় ঘুমোন?’ অক্সফোর্ড ইস্যুতে চুপ থাকায় দেবাংশুর নিশানায় তৃণমূলের কারা? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য চলাকালীন বিক্ষোভ দেখিয়েছিল বাম-অতি বাম এবং রাম সমর্থকরা। তা নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশ চুপ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার একই সুর শোনা গেল তৃণমূলের আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্যের গলাতেও। ফেসবুকে তিনি লিখলেন, ‘জনপ্রতিনিধি এবং পদাধিকারীদের কাছে অনুরোধ, দয়া করে নেত্রীর অসম্মানের সময় অন্তত মুখ খুলুন। লড়াইয়ের সময় পড়ে পড়ে ঘুমোন কেন?’ আর দেবাংশুর আবেদনকে সমর্থন করলেন তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষও।

 

Advertisement

এদিন ফেসবুকে দেবাংশু লেখেন, ‘জনপ্রতিনিধি এবং পদাধিকারীদের কাছে অনুরোধ, দয়া করে নেত্রীর অসম্মানের সময় অন্তত মুখ খুলুন। এই নেত্রী এবং দলের অনুমোদনই আপনি, আমি আজ কেউ নির্বাচিত সদস্য, কেউ বা বড় পদের অধিকারী। দল আপনাকে কঠিন সময়ে দেখেছে, এগিয়ে দিয়েছে। আপনারা কেন যুদ্ধের সময় চুপ থাকেন? আপনারা কেন লড়াইয়ের সময় পড়ে পড়ে ঘুমোন? অসময়ে কোথায় হারিয়ে যান? এলাকায় একটা মিছিল বার করেন না কেন? সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা পোস্ট করেন না কেন?’ এখানেই থামেননি দলের আইটি প্রধান। দলের একাংশকে তাঁর আরও খোঁচা, ‘পদের দাবি জানানোর সময় তো গলার জোরে গগন ভেদ করার জোগাড় হয়.. কিন্তু যুদ্ধের সময়? মৌনব্রত? সব ইস্যুতে দল কিংবা মন্ত্রীরা বলে দেবে, তারপর নামতে হবে? প্রতিবার উপর থেকে আসা কর্মসূচির অপেক্ষা করতে হবে? নেত্রীকে অসম্মান করলে গায়ে জ্বালা ধরে না? তখনও নির্দেশ আসার অপেক্ষা করতে হয়? নিজে থেকে একটা মিছিল কিংবা একটা পথসভা করলে কি দল আপনাকে তাড়িয়ে দেবে? পার্টি অফিস গুলোতে যে শতশত চামচাদের নিয়ে বসে থাকেন, যাদেরকে দিয়ে শুধুমাত্র নিজের সঙ্গে সেলফি কিংবা আপনার ড্রেন উদ্বোধনের ছবি পোষ্ট করান, এসব ইস্যুতে তাদের দিয়ে একটা করে ফেসবুক, টুইটারে পোষ্ট তো করাতে পারেন অন্তত! পারেন না?’ তিনি আরও লেখেন, ‘আমরাও তো গা বাঁচিয়ে চলতে পারি! কই, পালিয়ে যাই না তো! আপনারা পালান কেন?’ শেষে দেবাংশুর অনুরোধ,’আপনাদের কাছে অনুরোধ, ঢাল, তরোয়াল না ধরুন, এবার থেকে অন্তত একটু মুখ খোলা প্র্যাকটিস করুন। রাস্তায়, মাঠে, মিডিয়ায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় যেখানেই হোক… প্লিজ। তারপর না হয় আপনারাই আবার কাউন্সিলর, কর্মাধ্যক্ষ, সভাপতি, বিধায়ক, সাংসদ হবেন..।’ তবে কারও নাম করে আক্রমণ শানাননি দেবাংশু।

দেবাংশুর এই মন্তব্যকে সমর্থন করেন কুণাল ঘোষ। সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সম্পাদক বলেন, “দেবাংশু তৃণমূলের নতুন প্রজন্মের অত্যন্ত দায়িত্বশীল প্রতিনিধি। দলের দায়িত্বশীল কর্মী হিসেবে ও যা বলেছে আমি তাকে পূর্ণ সমর্থন করছি। লন্ডনে রাম-বামেদের বিক্ষোভ ফ্লপ শো ছিল। কিন্তু ষড়যন্ত্রমূলক ছিল তাঁদের উদ্দেশ্য। তাই এটা নিয়ে প্রতিবাদ হওয়া উচিৎ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো বলেছেন দলীয় ইস্যুতে সোশাল মিডিয়ায় সরব হতে। এক্ষেত্রেও সেটাই বলেছে দেবাংশু।” তবে একা দেবাংশু নন, বিষয়টি নিয়ে আগে সরব হয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.