অর্ণব আইচ: পুজোর মরশুমে শহরের প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলা চত্বরে অবাঞ্ছিত জমায়েত রুখতে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে কলকাতা পুলিশ। এখানে আগামী ২ মাসের জন্য জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা (আগেকার ১৪৪ ধারা)। মিছিল, ধরনা, রাজনৈতিক সভা তো বটেই, কোনও কারণেই জমায়েত করা যাবে না শহরের বিশেষ বিশেষ জায়গাগুলিতে। বুধবার অর্থাৎ ২৫ সেপ্টেম্বর এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা। ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত জারি থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা। আর এর বিরোধিতায় আদালতের দ্বারস্থ হল সিপিএম। বৃহস্পতিবার সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিম জানিয়েছেন, কলকাতা হাই কোর্ট তাঁদের মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। শুক্রবার এই মামলার শুনানি হতে পারে।
বুধবার পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন সিপি মনোজ বর্মা। মূলত নিরাপত্তার দিকটি খতিয়ে দেখা হয় এই বৈঠকে। এর পরই সিপি এনিয়ে ১৬৩ ধারা জারি করেন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার এই ধারা অনুযায়ী, যে কোনও জমায়েত নিষিদ্ধ। ধর্মতলা এলাকার বউবাজার স্ট্রিট, হেয়ার স্ট্রিটের মতো এলাকায় রাজনৈতিক মিটিং, মিছিল সবই আপাতত বাতিল ২ মাস। শহরের একটা বড় অংশেই পাঁচজনের বেশি জমায়েত করতে পারবে না বলে বুধবার নির্দেশিকা জারি করেছে কলকাতা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার এর বিরোধিতা করে সিপিএম হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সিপিএম। তাহলে কি পুজোর সময় কেউ জোট বেঁধে বেড়াতে বেরবে না? দূরদূরান্ত থেকে মানুষজন যে কলকাতায় পুজো দেখতে আসেন, তাঁরাই বা কী করবেন যদি জমায়েত এতটাই নিষিদ্ধ হয়? এসব প্রশ্ন তুলেছে মামলা দায়ের হয়েছে। শুক্রবার সেই মামলার শুনানি হতে পারে।
সর্বশেষ খবর
-
অবিলম্বে স্থগিতাদেশ চাই! গুন্ডাদমন আইন লাগু হওয়ার দিনই হাই কোর্টে মামলা
-
১৭ বছরের সম্পর্কের ইতি, চেন্নাই সুপার কিংসের কোচের পদ ছাড়লেন স্টিফেন ফ্লেমিং
-
‘সরকারি প্রকল্পের জন্য উপাসনাস্থল অধিগ্রহণে আইনি বাধা নেই’, মন্তব্য এলাহাবাদ হাই কোর্টের
-
পুরসভার ইতিহাসে এই প্রথম! সরকারের ঘরে ফিরে যাচ্ছে কাউন্সিলর তহবিলের ১০০ কোটি
-
আর্জেন্টিনাকে কি সত্যিই বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে ভিএআর? বিতর্কের মাঝেই সামনে এল পরিসংখ্যান