শুভঙ্কর বসু ও টিটুন মল্লিক: ‘দ্বিতীয় বিয়ে’ নিয়ে কানাঘুষো এখনও চলছে। এসবের মাঝেই কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) রায়ে স্বস্তিতে বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি। শুক্রবার বিধায়কের বিরুদ্ধে তদন্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল আদালত।
আগস্টের ১৯ তারিখ চন্দনা বাউড়ির (Chandana Bauri ) বিরুদ্ধে বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাঁটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন রুম্পা কুণ্ডু। অভিযোগ ছিল, তাঁর স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ কুণ্ডু ও শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা সকলের অলক্ষ্যে বিয়ে করেছেন। বিধায়কের বিরুদ্ধে এহেন অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই দানা বাঁধে বিতর্ক। যদিও প্রথম থেকেই চন্দনার দাবি ছিল এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তবে নাছোড়বান্দা কৃষ্ণ। তিনি বারবার দাবি করেছেন যে, চন্দনা তাঁর স্ত্রী। এমনকী দলকে শিক্ষা দিতেই এই বিয়ে বলেও ফেসবুক লাইভে জানিয়েছিলেন কৃষ্ণ।
এই ঘটনার জল গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। নিজের বিরুদ্ধে হওয়া এফআইআরের বিরোধিতায় কলকাতা হাই কোর্টে একটি মামলা করেছিলেন চন্দনা বাউড়ি। শুক্রবার সেই মামলা ওঠে বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে। এফআইআরের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ পদক্ষেপ করছে জেনেই বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, এহেন বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগের তদন্ত কীভাবে করছে পুলিশ। এরপরই গঙ্গাজলঘাঁটি থানায় রুম্পা কুণ্ডুর করা এফআইআরের উপর অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ দেয় হাই কোর্ট। অর্থাৎ আপাতত ওই এফআইআরের ( FIR ) পরিপ্রেক্ষিতে কোনও রকম তদন্ত করতে পারবে না পুলিশ। হাই কোর্টের নির্দেশের পর রুম্পাদেবী বলেন, “আমি আইন ব্যবস্থার উপর ভরসা করি। তবে আমার সংসারে যে ধরনের অশান্তি তৈরি হয়েছে, সেটাও ভাবা উচিত ছিল”
এদিকে, ‘দ্বিতীয় বিয়ে’ নিয়ে জটিলতার মাঝে বারবার বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কৃষ্ণ কুণ্ডু। পুলিশের দ্বারস্থ হয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণে পুলিশের তরফে বিজেপি কর্মী তথা চন্দনা বাউড়ির ‘দ্বিতীয় স্বামী’র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
Copyright © 2024 Pratidin Prakashani Pvt. Ltd. All rights reserved.