গোবিন্দ রায়: অবসরের মাত্র ১৫ ঘণ্টা আগে বাবার মৃত্যু। অনুকম্পাজনিত নিয়োগের শর্তে প্রধান শিক্ষকের ছেলেকে সেই চাকরি দিতে বলল কলকাতা হাই কোর্ট। আগামী সাতদিনের মধ্যে ওই যুবককে তাঁর ব্যক্তিগত নথিপত্র জেলা স্কুল কর্তৃপক্ষকে জমা দিতে হবে। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগের সুপারিশ দেবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
১৯৬১ সালে ২ জানুয়ারি জনৈক মহম্মদ কোরবান হোসেনের জন্ম। পূর্ব বর্ধমানের একটি স্কুলে ১৯৮১ সালের ১৯ নভেম্বর চাকরি পান। ২০০২ সালে প্রধান শিক্ষক হন। ২০২১ সালের ২ জানুয়ারি তাঁর ৬০ বছর বয়স হওয়ার কথা। আর তারপরই অবসর। কিন্তু ১ জানুয়ারি সকালে হৃদরোগে মৃত্যু হয় তাঁর। চাকরি জীবন শেষের আগেই বাবার মৃত্যু। তাই অনুকম্পাজনিত শর্তে বাবার চাকরি চেয়ে এসএসসির দ্বারস্থ হন মনিকুল। স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে জানানো হয়, ৬০ বছর বয়স হওয়ার মাত্র কয়েকঘণ্টা আগে মৃত্যু হয়েছে ওই প্রধান শিক্ষকের। অবসরের শেষলগ্নে মৃত প্রধান শিক্ষকের পরিবারের কাউকে চাকরি দেওয়া সম্ভব নয়।
এসএসসি-র দাবিকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন মনিকুল। আদালতে মনিকুলের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম দাবি করেন, চাকরিরত অবস্থায় কারও মৃত্যু হলে অবশ্যই তাঁর পরিবারের সদস্য চাকরি পাওয়ার যোগ্য। দুপক্ষের সওয়াল জবাব শেষে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মনিকুলকে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দেন। হাই কোর্টের রায়ে স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তিতে মামলাকারী।
সর্বশেষ খবর
-
‘এটাই আমার আশীর্বাদ ও অভিশাপ’, উইম্বলডন স্বপ্নভঙ্গেও হতাশ নন জকোভিচ, অবসর নিয়ে কী বার্তা?
-
রোগীকে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন! মেদিনীপুর মেডিক্যালের পাঁচ জনকে শোকজ করল স্বাস্থ্য দপ্তর
-
মাঝরাতে টলমল পায়ে শৌচালয়ে! গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায়ে কেমন অনুভূতি? জানালেন হবু মা দীপিকা
-
মেডিক্যাল ভিসায় কলকাতায় এসে চোরাই মোবাইল পাচারের নেটওয়ার্ক, গোয়েন্দা জালে বাংলাদেশের ‘ডলার’
-
ফের বারুইপুরে মুখ্যমন্ত্রী, নির্যাতিতা ও ‘নির্দোষ’ ইন্দ্রজিতের পরিবারের সঙ্গে কথা শুভেন্দুর