গোবিন্দ রায়: মেদিনীপুর কলেজে দুই বাম ছাত্র নেত্রীর উপর অত্যাচারের দুই মামলার তদন্তে সিট গঠনের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। সিটের নেতৃত্বে থাকবেন আইপিএস মুরলিধর শর্মা। সিটের বাকি সদস্য কারা, সেটা ঠিক করবেন তিনিই। এই মামলাগুলির শুনানি এখন থেকে মেদিনীপুর বিশেষ আদালতে হবে। জানিয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। জানিয়েছে, মানবাধিকার সংক্রান্ত মামলাগুলির শুনানির ক্ষমতা রয়েছে মেদিনীপুরের ওই বিশেষ আদালত।
এদিন আদালত জানায়, সুচরিতা দাসের ক্ষেত্রে হেফাজতে অত্যাচারের প্রমাণ হিসেবে সিসিটিভি ফুটেজে রয়েছে। কুহেলী দাস নামে একজন কনস্টেবল সুচরিতার চুলের মুঠি ধরে ধাক্কা মারছেন তার প্রমাণ আছে। এই মামলায় সংশ্লিষ্ট ডিএসপি যে রিপোর্ট দিয়েছেন সেই রিপোর্টও বিশ্বাসযোগ্য নয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ, সিসিটিভি ফুটেজ আর রিপোর্টের মধ্যে মিল নেই। সুশ্রীতা সোরেনের মামলার ক্ষেত্রে যে এফআইআরের ভিত্তিতে মামলা শুরু হয়েছে সেই এফআইআরের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই আদালত সন্দিহান।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে নজিরবিহীন অশান্তির জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মেদিনীপুর কলেজও। সেখানকার বাম ছাত্র সংগঠন ক্যাম্পাসের বাইরে বিক্ষোভ দেখানোর সময় ছাত্রীদের উপর পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ ওঠে। দুই ছাত্রীকে থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে গায়ে মোম ঢেলে দেওয়া ও চুলের মুঠি ধরা হয়েছিল বলে অভিযোগ। তা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন সুচরিতা দাস, সুশ্রীতা সরেন। সেই মামলার শুনানিতে তদন্তভার আইজি (প্রশিক্ষণ), মুরলীধর শর্মার হাতে তুলে দেয় হাই কোর্ট। এবার এই মামলায় সিট গঠনের নির্দেশ দিল আদালত।
সর্বশেষ খবর
-
তদন্ত না করে ছাড় নয়, এনকাউন্টার নিয়ে সুপ্রিম নির্দেশিকা কী?
-
শব্দদূষণে বিপত্তি! ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে হোটেল ছাড়তে বাধ্য হল হালান্ডের নরওয়ে
-
তান্ত্রিকের ‘যৌন লালসা’র শিকার তরুণী, পুরুলিয়ায় চরম উত্তেজনা
-
খুদে ভক্তের ছবির আবদার না মিটিয়েই সটান গাড়িতে, ‘নির্দয়’ সোনাক্ষীর ভিডিও ভাইরাল
-
দু’মাসের মধ্যেই পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজিত ও ছেলে সমুদ্রের বিরুদ্ধে চার্জশিট ইডির