সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হুগলির শ্রীরামপুরের পর হাওড়া, রামনবমীর মিছিলের অনুমতি দিল কলকাতা হাই কোর্ট। তবে মিছিলের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। তিনি স্পষ্ট জানান, ২০০ লোকের বেশি শোভাযাত্রায় অংশ নিতে পারবেন না। রাজ্য পুলিশকে মিছিল নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব নিতে হবে। তবে না পারলে প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইতে পারে রাজ্য।
গত কয়েক বছর ধরে রাজ্যে রামনবমীর রমরমা। বিজেপি এবং হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি সাড়ম্বরে রামনবমী পালন করে কলকাতা ও জেলায়-জেলায়। রীতিমতো অস্ত্র মিছিল বের করে তারা। এই রামনবমীকে কেন্দ্র করে গত বছর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। প্রধান বিচারপতি সে ঘটনায় NIA তদন্তের নির্দেশ দেন। ওই অশান্তির পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছর রামনবমীর শোভাযাত্রার রুট বদলের আবেদন করে রাজ্য সরকার। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর নির্দেশ,
- ২০০ জনকে নিয়ে মিছিল করতে হবে।
- তার বেশি লোক হলে দায় নিতে হবে আয়োজক সংগঠনের পাঁচজনকে।
- সেই পাঁচজনের নাম পুলিশকে জানিয়ে রাখতে হবে।
- মিছিল থেকে উসকানিমূলক কোনও কথা বলা যাবে না।
- মিছিলে অস্ত্র এবং ডিজে ব্যবহার করা যাবে না।
[আরও পড়ুন: ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে শেয়ার বাজারে বিরাট ধস, ৮ লক্ষ কোটি লোকসানের মুখে লগ্নিকারীরা!]
মাত্র ২০০ জনকে নিয়ে কি মিছিল করা সম্ভব, মিছিলের নিরাপত্তা কীভাবে দেওয়া হবে, রাজ্যের তরফে সে প্রশ্নও করা হয় আদালত। সওয়াল জবাব শোনার পর রাজ্যের উদ্দেশে বিচারপতির প্রশ্ন, “এত কম সংখ্যক লোক নিয়ন্ত্রণ করার মতো বাহিনী নেই? নির্বাচনে গিয়েছে না কি?” মিছিল নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্য নেওয়া যেতে পারে বলেও জানান বিচারপতি। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যের তরফে বাহিনীর আর্জি জানানো হলে বাহিনীর বন্দোবস্ত করা হবে। তবে সেক্ষেত্রে রামনবমীর ২৪ ঘণ্টা আগে বাহিনী চাইতে পারবে রাজ্য সরকার।
[আরও পড়ুন: অভিষেকের পর রাহুল গান্ধী, এবার তল্লাশি কংগ্রেস নেতার কপ্টারে]
সর্বশেষ খবর
-
এবার ‘কেরালায় কুরুক্ষেত্র’ বাঁধাবেন একেনবাবু, সম্মুখ সমরে ঋত্বিক! আর কোন চমক?
-
অবশেষে শুরু অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদন, কীভাবে পূরণ করবেন ফর্ম? জানুন খুঁটিনাটি
-
হিন্দু-মুসলমানের রাজনীতি আর কতদিন! দিল্লিতে বিক্ষোভ ককরোচ পার্টির, নিরাপত্তা দিল শাহের পুলিশ
-
শওকতের গ্রেপ্তারিতে ভাঙড়ে মিষ্টি বিলি আরাবুলের, তুমুল নাচ আইএসএফ কর্মীদের
-
বিশ্বাস ভাইদের অবিশ্বাস্য কীর্তি! এলআইসির জমি ‘জবরদখল’ সুরুচি সংঘের