রুপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: দলীয় কর্মসূচির জন্য জেলা নেতৃত্ব টাকা চাইলেই রাজ্য বিজেপি সাফ জানাচ্ছে, কোষাগার ফাঁকা! অথচ রাজ্য বিজেপির সভা হচ্ছে তারাখচিত হোটেলে। কেন এমন বৈষম্য? প্রশ্ন তুললেন দলেরই এক বিক্ষুব্ধ কর্মী। বিষয়টি নিয়ে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার কাছে ইমেলও করেছেন তিনি।
শামসুর রহমান নামে এই কর্মী বিজেপি রাজ্য কমিটির প্রাক্তন সদস্য এবং সংখ্যালঘু মোর্চার সহ সভাপতি। তাঁর দাবি, জেলা থেকে টাকা চাইলে বলা হয় টাকা নেই। আর রাজ্য সংগঠনের বিশেষ সভা কেন হোটেলে হবে? দেখা যায়, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্যে এলে, কিংবা রাজ্য নেতৃত্বের কোনও বৈঠক বা সম্মেলন থাকলে তার আয়োজন হয় পাঁচতারা বা সাততারা হোটেলে। এই ট্রেন্ডকে ভালোভাবে নেয় না সাধারণ বিজেপি কর্মীরা। এ প্রসঙ্গে
শামসুর বলেন, “আসলে এই বিলাসিতাকে ভালোভাবে নেয় না জেলার কর্মীরা। কত বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া, তাদের পরিবার কীভাবে চলছে, নেতারা জানেনই না। অথচ বৈঠক হলেই তা কেন পাঁচতারা হোটেলে হয়?”
গত শনিবার বিজেপির এক সভা হয় সল্টলেকের এক তারাখচিত হোটেলে। তারপরই এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে শামসুর রহমানের দাবি, অসহায় কর্মী এবং তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো উচিত। অথচ তা না করে টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে সরাসরি সর্বভারতীয় সভাপতিকে ইমেল করেছেন দলেরই বিক্ষুব্ধ কর্মী। যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
সর্বশেষ খবর
-
ওবিসি জটেই ঝুলে! ৩১ আগস্টের মধ্যে হচ্ছে না ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ, জানিয়ে দিল এসএসসি
-
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার, অভিষেকের ক্রিকেট কেরিয়ার কি শেষ? কী ভাবছে দিল্লি ক্যাপিটালস, সিএবি?
-
দাড়িভিটে নিহত ছাত্রদের সম্মান জানাতে উদ্যোগী এবিভিপি, ২০ সেপ্টেম্বর ভাষা দিবস পালনের ডাক
-
নিউটাউনের পর পূর্বস্থলী! ঘরে তরুণীর দেহ, জেরায় অসঙ্গতি থাকায় আটক লিভ-ইন সঙ্গী
-
FCRA বিল নিয়ে তাড়াহুড়ো নয়, দরকারে ‘ঠান্ডা ঘরে’ পাঠাতে রাজি সরকার! দাবি সূত্রের