Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Kolkata

‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-এর হুমকি! দিল্লি পুলিশ পরিচয়ে ৩ কোটি হাতাল জালিয়াতরা

গ্রেপ্তার হরিয়ানার দুই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৪, ১৫:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৪, ১৫:১২

options
link
‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-এর হুমকি! দিল্লি পুলিশ পরিচয়ে ৩ কোটি হাতাল জালিয়াতরা zoom
প্রতীকী ছবি

অর্ণব আইচ: দিল্লি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ‘ডিজিটাল গ্রেপ্তারি’র হুমকি। দিল্লি থেকে কলকাতায় এসে গ্রেপ্তার করে তুলে নিয়ে যাওয়ার ভয় দেখিয়ে এক ব‌্যবসায়ীর কাছ থেকে তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় সাইবার জালিয়াতরা। হরিয়ানায় তল্লাশি চালিয়ে দুই জালিয়াতকে গ্রেপ্তার করলেন লালবাজারের গোয়েন্দারা।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত দুজনের নাম শচিন কুমার ও দীপক কুমার। সম্প্রতি লালবাজারের সাইবার থানার এক ব‌্যবসায়ী পুত্র অভিযোগ জানিয়ে বলেন, তাঁর কাছে একটি ফোন আসে। অজ্ঞাতপরিচয় এক ব‌্যক্তি হিন্দিতে নিজেকে দিল্লি পুলিশের এক কর্তা বলে পরিচয় দেয়। সে দাবি করে যে, ওই ব‌্যবসায়ীর ছেলের নাম ও ঠিকানায় একটি প‌্যাকেট ক্যুরিয়রে আসছিল। সেটি রাস্তায় ধরা পড়ে। ওই প‌্যাকেটের মধ্যে রয়েছে বিদেশি মাদক। যেহেতু প্রাপক অনেক দূরে রয়েছেন, তাই তাঁকে দিল্লির পুলিশ ‘ডিজিটাল অ‌্যারেস্ট’ করেছে। সিবিআই ও এনআইএ এই ব‌্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে। গোয়েন্দাদের টিম এবার কলকাতায় গিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন; ‘বাচ্চা চুরি করতে এসেছিস’, বলেই ইদের মেলায় যুবককে গণধোলাই, বারাসতের পর এবার বারাকপুর]

এই বিষয়টি শুনে ব‌্যবসায়ীর পুত্র জানান, তিনি কোনও ক্যুরিয়রের ব‌্যাপার জানেন না। তাঁকে তখন হোয়াটস অ‌্যাপে একটি প‌্যাকেটের ছবি পাঠানো হয়, যার উপর তাঁর নাম ও ঠিকানা লেখা। আবার তাঁকে হোয়াটস অ‌্যাপে একটি ‘ডিজিটাল অ‌্যারেস্ট মেমো’ও পাঠানো হয়। তিনি রীতিমতো হতবাক হয়ে যান। ভীত ওই যুবক গ্রেপ্তারি এড়াতে কী করতে হবে, তা জানার চেষ্টা করেন। তখনই তাঁকে বলা হয়, তিন কোটি টাকা দিলে তিনি রেহাই পেতে পারেন। ভয় পেয়ে তিনি জালিয়াতদের কথামতো একটি ব‌্যাঙ্ক অ‌্যাকাউন্টে তিন কোটি টাকা অনলাইনে পাঠিয়ে দেন। কিছুদিন পর ফের তাঁর কাছে জালিয়াতরা আরও টাকা চায়। এর পরই তিনি বুঝতে পারেন যে, পুলিশ পরিচয় দিয়ে সাইবার জালিয়াতরা তাঁর কাছ থেকে টাকা তুলে নিয়েছে। তিনি লালবাজারের সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

লালবাজারের গোয়েন্দারা তদন্ত করে জানতে পারেন যে, ওই ব‌্যাঙ্ক অ‌্যাকাউন্ট থেকে আরও দশটি অ‌্যাকাউন্টে ওই টাকা গিয়েছে। হরিয়ানার একটি ব‌্যাঙ্ক অ‌্যাকাউন্টের সূত্র ধরে দীপক কুমার নামে একজনকে গোয়েন্দারা গ্রেপ্তার করেন। কিন্তু দেখা যায়, শচিন কুমারের নামে রয়েছে ব‌্যাঙ্কের যাবতীয় কেওয়াইসি। শচিন নামে ওই ব‌্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করা হয়। গোয়েন্দাদের ধারণা, ওই সাইবার জালিয়াতরা হরিয়ানারই বাসিন্দা। ধৃতদের জেরা করে তাদের গ্রেপ্তারির চেষ্টা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: গার্স্টিন প্লেসে পুড়ে ছাই মামলার নথি, দমকল মন্ত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ আইনজীবীদের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.