Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Mahakumbh

অনলাইন বুকিংয়েই মিলবে জ্বালানি কাঠ, শীতে ভক্তদের মহাকুম্ভের উপহার যোগীর

শীতের হাত থেকে বাঁচতে এই কাঠ জ্বেলেই আগুন পোহাতে পারবেন পুণ্যার্থীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৫, ২০:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৫, ২০:৩০

options
link
অনলাইন বুকিংয়েই মিলবে জ্বালানি কাঠ, শীতে ভক্তদের মহাকুম্ভের উপহার যোগীর zoom
মহাকুম্ভে ভক্ত সমাগম। নিজস্ব চিত্র

হেমন্ত মৈথিল, মহাকুম্ভ নগর: মহাকুম্ভের আয়োজনে কোনও ত্রুটি রাখেননি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত নিয়ে অভিযোগ জানানোর কোনও অবকাশ নেই। তবে উৎসবে পালনে কামড় বসাচ্ছে কনকনে শীত। কিন্তু ঠান্ডায় যাতে ভক্তদের কোনও সমস্যা না হয় সেদিকেও নজর রেখেছে যোগী সরকার। অনলাইন বুকিংয়েই সাধুদের আখড়া কিংবা মেলা প্রাঙ্গনের যেকোনও জায়গায় পৌঁছে যাবে কাঠ। শীতের হাত থেকে বাঁচতে সেগুলো জ্বেলেই আগুন পোহাতে পারবেন পুণ্যার্থীরা।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ডিজিটাল মহাকুম্ভ’-এর স্বপ্ন সার্থক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী। স্বপ্নের বাস্তবায়নে রাজ্যের নতুন প্রতিষ্ঠিত ৭৬তম জেলা ‘মহাকুম্ভ নগরে’ রেকর্ড সময়ে যাবতীয় নাগরিক পরিষেবা প্রদান করছেন তিনি। মেলা আয়োজনে ডিজিটাল প্রযুক্তিকে ব্যাপক হারে কাজে লাগানো হয়েছে। যার একটি অংশ হল ‘ফায়ারউড ডিপো প্রয়াগরাজ’। ভক্তরা মোবাইল থেকে গুগলে এটি সার্চ করলে সহজেই খুঁজে পাবেন। জানা গিয়েছে, মহাকুম্ভে মোট ১৬টি জ্বালানি কাঠের ডিপো স্থাপন করা হয়েছে। মোবাইল লোকেশন চালু করে অনলাইনে কেউ আবেদন জানালে সবচেয়ে কাছের ডিপো থেকে কাঠ সংগ্রহ করতে পারবেন।

Advertisement

এনিয়ে প্রয়াগরাজের ডিএসএম আর কে চন্দনা জানান, উত্তরপ্রদেশের ফরেস্ট কর্পোরেশন এই কাঠগুলো সরবরাহ করেছে। সব মিলিয়ে প্রায় ২৭ হাজার কুইন্টাল কাঠের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে কুইন্টাল প্রতি কাঠের দাম ৬০০ টাকা। এই কাঠগুলো পূজা ও রীতিনীতি পালনের জন্যও ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে ফের একবার যোগীর এই উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মহাকুম্ভে আসা ভক্তরা।

এছাড়া যোগী সরকারর তরফে তৈরি করা হয়েছে ‘মহাকুম্ভ ল্যান্ড অ্যান্ড ফেসিলিটি অ্যালোকেশন’ অ্যাপ। সেখানে এক ক্লিকেই জানা যাচ্ছে পুণ্যার্থীদের প্রয়োজনের যাবতীয় তথ্য। এই অ্যাপের মাধ্যমেই পরিষেবা মিলছে দ্রুত। মেলায় অংশগ্রহণের আবেদন করা যাচ্ছে অ্যাপেই। এবারে ডিজিটাল মহাকুম্ভের মাধ্যমে ভারতের আধ্যাত্মিক ও ঐশ্বরিক দর্শন, ভক্তের ভক্তি, পবিত্রতা বিশ্বের যেকোনও মানুষ দেখতে পাবেন। মহাকুম্ভের প্রতিটি সংবাদ সারা বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি আন্তর্জাতিক স্তরের মিডিয়া সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। যেখানে দেশ-বিদেশ থেকে আসা ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের জন্য সমস্ত ধরনের সুবিধা রাখা হয়েছে। কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেট রয়েছে সব কিছুই। সব মিলিয়ে মহাকুম্ভের এই আয়োজন ও মোদি-যোগীর সংকল্প গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.