ওয়াকফ সংশোধনী আইন মুসলিম স্বার্থবিরোধী বলে অভিযোগ তুলে বড়সড় আন্দোলনের পথে হেঁটেছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একটা বড় অংশ। দেশজুড়েই বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়ে পড়েছে। নয়া ওয়াকফ আইনের বিরোধিতার জল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টেও। ইসলামিক সংগঠন তো বটেই, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফেও একগুচ্ছ মামলা দায়ের হয়েছে। নয়া আইনের উপর স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট? ওয়াকফ শুনানির দ্বিতীয় দিনে কী বলল শীর্ষ আদালত।
দুপুর ২.৩০: পরবর্তী শুনানি ৫ মে। দুপুর দু’টো।
দুপুর ২.২৫: কেন্দ্রকে জবাব দিতে সাতদিন সময় দিল শীর্ষ আদালত।
দুপুর ২.২০: পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত-যেসব সম্পত্তি ব্যবহারে ওয়াকফ বা ওয়াকফ ব্যবহারকারী( ওয়াক্ফ-বাই-ইউজার) হিসেবে নিবন্ধিত বা নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ঘোষিত হয়েছে — তাদের চরিত্র পরিবর্তিত হবে না। সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্রীয় সরকার।
দুপুর ২.১৫: সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, কেন্দ্রের তরফে সংক্ষিপ্ত জবাব ৭ দিনের মধ্যে দাখিল করা হবে এবং পরবর্তী শুনানির তারিখ পর্যন্ত রাজ্যের ওয়াকফ বোর্ড বা ওয়াকফ কাউন্সিলে অমুসলিম সদস্য পদে কোনও নিয়োগ হবে না।
দুপুর ২.০০: প্রধান বিচারপতি-সহ তিন বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি শুরু।
দুপুর ১.৪৮: বুধবারে প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তী আদেশে তিনটি বিষয় রাখার কথা বলে সুপ্রিম কোর্ট:
- যতদিন পর্যন্ত এই মামলা চলছে ততদিন অবধি আদালত কর্তৃক ওয়াকফ ঘোষিত সম্পত্তিকে ‘ডিনোটিফাই’ করা যাবে না।
- নতুন আইন মোতাবেক সরকার কর্তৃক প্রেরিত আধিকারিক যতক্ষণ না পর্যন্ত তদন্ত সম্পূর্ণ করছেন কোনও সম্পত্তিকে ওয়াকফ ঘোষণা করা যাবে না। আপাতত আইনের এই অংশ স্থগিত রাখা হোক।
- ওয়াকফ বোর্ডে দু’জন আধিকারিক ছাড়া বাকি সদস্যদের ইসলাম ধর্মাবলম্বী হতে হবে।
দুপুর ১.৪৫: মামলাকারীদের মধ্যে রয়েছেন সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য তথা রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র, বিধায়ক হুমায়ুন কবীর এবং আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। মামলা করেছে আরজেডিও।
দুপুর ১.৪২: নয়া ওয়াকফ আইনের বিরোধিতার জল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টেও। ইসলামিক সংগঠন তো বটেই, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফেও একগুচ্ছ মামলা দায়ের হয়েছে। আজ তার শুনানি। মামলাকারীদের তরফে আইনজীবীরা হলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট কপিল সিব্বল, রাজীব দাভেন, অভিষেক মনু সিংভিরা। কেন্দ্রের তরফে রয়েছেন সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা।
দুপুর ১.৪০: এই আইন নিয়ে অভিযোগের পাহাড় রয়েছে। অভিযোগ, ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতা এবং কার্যকারিতা বদলে যেতে চলেছে। বিরোধী দলগুলির দাবি, এই সংশোধন ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতাকে খর্ব করে দিচ্ছে।
দুপুর ১.৩০: ২ এপ্রিল গভীর রাতে লোকসভায় পাশ হয়েছিল ওয়াকফ সংশোধনী বিল। ৩ এপ্রিল মধ্যরাতে রাজ্যসভায় পাশ হয়েছে। ৫ এপ্রিল রাতে তাতে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তারপর তা আনুষ্ঠানিকভাবে আইনে পরিণত হয়।
সর্বশেষ খবর
-
নিউটাউনের পর পূর্বস্থলী! ঘরে তরুণীর দেহ, জেরায় অসঙ্গতি থাকায় আটক লিভ-ইন সঙ্গী
-
FCRA বিল নিয়ে তাড়াহুড়ো নয়, দরকারে ‘ঠান্ডা ঘরে’ পাঠাতে রাজি সরকার! দাবি সূত্রের
-
যন্তর মন্তর অতীত, এবার দেশজুড়ে নয়া কর্মসূচি ঘোষণা ‘আরশালো’দের, ফের বিক্ষোভের ছক?
-
ব্রিকসের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সফরেও তারেককে আমন্ত্রণ! হাসিনা-হাদি নিয়ে মন্তব্য দিল্লির
-
SIR-এ বাদ প্রকাশ রাজের নাম! ‘এবার খেলা হবে’, চ্যালেঞ্জ অভিনেতার