Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
JDU

ওয়াকফে ভাঙন জেডিইউতে, গত ২ দিনে নীতীশের দল ছাড়লেন ৫ শীর্ষ নেতা

ইস্তফাপত্রে নেতারা জানিয়েছেন ওয়াকফ সংশোধন বিলকে সমর্থন করার জন্যই দলত্যাগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২৫, ২১:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২৫, ২১:২৪

options
link
ওয়াকফে ভাঙন জেডিইউতে, গত ২ দিনে নীতীশের দল ছাড়লেন ৫ শীর্ষ নেতা zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ওয়াকফ সংশোধন বিলকে সমর্থন করে বিপাকে নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড। মোদি সরকারের ‘মুসলিম বিরোধী’ এই পদক্ষেপকে সমর্থন করার জেরে ক্ষুব্ধ জেডিইউ-এর নেতারা। এই সিদ্ধান্তের জেরে কার্যত ভাঙন ধরছে নীতীশের দলে গত দুই দিনে জেডিইউ থেকে ইস্তফা দিলেন ৫ জন নেতা। নিজেদের ইস্তফাপত্রে তাঁরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন ওয়াকফ সংশোধন বিলকে সমর্থন করার জন্যই দল ছেড়েছেন তাঁরা।

গত বৃহস্পতিবার লোকসভা ও তারপর শুক্রবার রাজ্যসভায় পাশ হয়েছে ওয়াকফ সংশোধন বিল। এর পরই দল থেকে ইস্তফা দেন জেডিইউ নেতা নাদিম আখতার, রাজু নায়ার, তাবরেজ সিদ্দিকি, মহম্মদ শাহনওয়াজ মালিক, মহম্মদ কাসিম আনসারির মতো পদাধিকারি নেতারা। ইস্তফাপত্রে রাজু লিখেছেন, ‘ওয়াকফ বিল লোকসভায় পাশ হয়েছে। মুসলিম বিরোধী কালো আইনের পক্ষে জেডিইউ সমর্থন করায় আমি মর্মাহত। যুব জেডিইউর রাজ্য সম্পাদক পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি এবং দলের দলের প্রাথমিক সদস্যপদ প্রত্যাহার করছি। নীতীশ কুমারের কাছে আমার অনুরোধ সব পদ থেকে অব্যহতি দেওয়া হোক আমায়।’

Advertisement

পাশাপাশি তাবরেজ সিদ্দিকি লিখেছেন, ‘আমাদের মতো লক্ষ লক্ষ মুসলিম দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন আপনি ধর্ম নিরপেক্ষ আদর্শের পক্ষে। তবে মুসলিম সম্প্রদায়ের সেই আস্থার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন আপনি।’ শাহনওয়াজ মালিক তাঁর ইস্তফাপত্রে লিখেছেন, আপনার (নীতীশ) কুমার ধর্মনিরপেক্ষতার যে প্রতিচ্ছবি আপনার ছিল তা বিশ্বাস হারিয়েছে। সমস্ত মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ আপনার সিদ্ধান্তে মর্মাহত। এই অবস্থায় জেডিইউতে থাকা আর সম্ভব নয়। দলের সমস্ত পদ থেকে আমি ইস্তফা দিলাম।’

উল্লেখ্য, লোকসভার পুনরাবৃত্তি ঘটে শুক্রবার রাজ্যসভা অধিবেশনে। দীর্ঘ ১২ ঘণ্টার বিতর্কের পর ভোটাভুটিতে পাশ হয়ে যায় ওয়াকফ সংশোধনী বিল। বিলটির পক্ষে ভোট দেন ১২৮ জন সদস্য। বিপক্ষে ভোট দেন ৯৫ জন। প্রায় ভোররাত পর্যন্ত অধিবেশনে নজিরবিহীন ভাবে ভোট দেন রাজ্যসভার সব সদস্য। এমনিতে ভোটাভুটিতে এনডিএ জয়ী হবে সেটাই প্রত্যাশিত ছিল। কারণ নীতীশ কুমারের জেডিইউ আগেই ঘোষণা সরকারকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিল, একই পথে হাঁটে টিডিপিও। এমনকী ওড়িশার বিরোধী দল বিজেডিও দলীয় সাংসদদের কোনও হুইপ জারি করেনি। বিজেডির সাংসদরা নিজেদের ইচ্ছামতো ভোট দিয়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.