সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ভাষাযুদ্ধে’র আবহে বিরাট পদক্ষেপ করল তামিলনাড়ু। ভারতীয় মুদ্রার চিহ্ন বদলে দিল এম কে স্ট্যালিনের সরকার। উল্লেখ্য, কেন্দ্র সরকারের ‘হিন্দি আগ্রাসন’ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই যুদ্ধং দেহি মেজাজে তামিলনাড়ু। এবার হিন্দি হরফের ধাঁচে তৈরি করা টাকার চিহ্নই বদলে ফেলল তারা।
আগামী শুক্রবার সকালে তামিলনাড়ু বিধানসভায় পেশ হবে চলতি অর্থবর্ষের বাজেট। তার আগেই দেখা গেল, বাজেটের নথিতে বদলে ফেলা হয়েছে টাকার চিহ্ন। তামিল অক্ষরের ‘রু’-এর আদলে নতুন করে টাকার চিহ্ন তৈরি করা হয়েছে। সেটাই ব্যবহার করা হচ্ছে তামিলনাড়ু বাজেটের সমস্ত নথিপত্রে। তার ছবি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন স্ট্যালিন নিজেই। এবারের বাজেটের ভিত্তি হল, ‘সকলের জন্য সবকিছু।’

কিন্তু বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সুর চড়িয়েছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের মুখপাত্র নারায়ণ তিরুপতির কথায়, টাকার জাতীয় চিহ্ন এইভাবে বদলে ফেলা যায় না। এমন পদক্ষেপ করার অর্থ তামিলনাড়ুকে ভারতের থেকে পৃথক হিসাবে তুলে ধরা। গোটা দেশেই টাকার চিহ্ন হিসাবে নির্দিষ্ট একটি প্রতীক ব্যবহার করা হয়। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তামিলনাড়ুর এক সরকারি আধিকারিকের কথায়, দেবনাগরীর বদলে এবার তামিল হরফকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ডিএমকে মুখপাত্র সাভরানন আন্নাদুরাইয়েরও দাবি, ‘আমরা এবার তামিলকে গুরুত্ব দিচ্ছি’। যদিও টাকার চিহ্ন বদল নিয়ে কিছু বলেননি তিনি।
এই প্রথমবার কোনও রাজ্যের তরফে জাতীয় চিহ্ন প্রত্যাখ্যান করা হল। উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরেই ‘ভাষাযুদ্ধে’র আবহ তামিলনাড়ুতে। ‘দেশের বহু আঞ্চলিক ভাষাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে হিন্দি’, দিনকয়েক আগে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন তামিলনাড়ুর উপমুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন। ধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন জানিয়েছিলেন, হিন্দি আগ্রাসন এবং জাতীয় শিক্ষানীতি মেনে নেওয়ার জন্য তামিলনাড়ু সরকারকে কার্যত হুমকি দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এবার হিন্দি আগ্রাসন রুখতে জাতীয় চিহ্নই বদলে দিলেন স্ট্যালিন।
সর্বশেষ খবর
-
উথাল-পাথাল গঙ্গা, ভাসল ভূতনি দ্বীপের অন্তত ১৯টি গ্রাম, জলবন্দি প্রায় ২ লক্ষ মানুষ
-
দিমাগি নকশালের পর এবার ‘নারাজ ফুফা’, জিডিপি বিতর্ক উড়িয়ে বিরোধীদের তোপ মোদির
-
কথা রেখে বাংলায় বিজ্ঞপ্তি শুভেন্দু সরকারের, তৈরি হবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারি ভাষা কমিটি
-
এশিয়া কাপে ভারতের ‘সিংহীবাহিনী’র গর্জন, লজ্জার রেকর্ড গড়ে ধরাশায়ী পাকিস্তান
-
৬২ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক রেল পরিষেবা! কীভাবে এত বড় ধস? আইআইটি খড়গপুরের সাহায্য নেবে রেল