সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নজরে দাক্ষিণাত্য। তেড়েফুঁড়ে ডিএমকেকে আক্রমণ করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তাঁর হাতিয়ার মূলত পরিবারতন্ত্র এবং দুর্নীতি। এবার পালটা দুর্নীতিকে হাতিয়ার করে মোদিকে বেনজির আক্রমণ করলেন ডিএমকে সুপ্রিমো এম কে স্ট্যালিন। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর তোপ, “দেশে দুর্নীতির বিশ্ববিদ্যালয় হলে মোদি তার উপাচার্য হবেন।”
লোকসভা ভোটের প্রায় বছর খানেক আগে থেকে দক্ষিণ ভারত চষা শুরু করেছেন মোদি। বুধবারও তামিলনাড়ুর একাধিক সভা থেকে ডিএমকেকে (DMK) তোপ দেগে মোদি বলেন, “গোটা ডিএমকে এখন একটি পারিবারিক সংস্থা। এই পরিবারতন্ত্রের রাজনীতির জন্যই তামিলনাড়ুর যুব সমাজ এগোতে পারছে না। ডিএমকের হয়ে রাজনীতি করতে হলে তিনটি মূল বিষয় শিখতে হবে, পরিবারের রাজনীতি, দুর্নীতি, তামিল-বিরোধী সংস্কৃতি।” দুর্নীতির পাশাপাশি সরকারি প্রকল্পও তুলে ধরছেন মোদি।
[আরও পড়ুন: রাজ্যসভায় মমতাবালার শপথ থামালেন ধনকড়, অভিষেকের প্রশ্ন, ‘গুরুচাঁদ ঈশ্বর নয়?’]
স্ট্যালিন (MK Stalin) ঠিক এর পর দিনই জবাব দিলেন মোদিকে। ডিএমকে সুপ্রিমো তথা সেরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বললেন, “দেশে দুর্নীতির বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হলে মোদিই হবেন সেটির আচার্য। তিনিই যোগ্যতম। ইলেক্টোরাল বন্ডের তথ্য সামনে আসার পর কারও সন্দেহ থাকার কথা নয় যে, বিজেপি কতবড় দুর্নীতিবাজ দল। পিএম কেয়ার্স তহবিলও দুর্নীতির এক নিদর্শন। আর নরেন্দ্র মোদি সেই দলেরই নেতা। বিজেপি দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক করে ফেলেছে।”
[আরও পড়ুন: সরকারি স্কুলের খাতায় মমতার ছবি, রাজ্য ও মুখ্যমন্ত্রী বিরুদ্ধে কমিশনে বিজেপি]
লোকসভায় নিজেদের লক্ষ্যপূরণের জন্য এবার দক্ষিণ ভারতকে টার্গেট করেছেন মোদি। আর বিজেপি সেই টার্গেট পূরণে মূলত পাখির চোখ করছে তামিলনাড়ুকে। মোদি-শাহদের (Amit Shah) লাগাতার আক্রমণে জর্জরিত ডিএমকে। স্ট্যালিন এবার পালটা দুর্নীতিকেই মোদির বিরুদ্ধে হাতিয়ার করছেন।
সর্বশেষ খবর
-
পাঁশকুড়া ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত পাচার! দুর্নীতিদমন শাখার হাতে গ্রেপ্তার দালাল, কতদূর ছড়িয়ে জাল?
-
জেরায় একাধিক অসঙ্গতি, তারাপীঠ অগ্নিকাণ্ডে গ্রেপ্তার হোটেল মালিকের ছেলে
-
মুসলিমদের জন্য কেন আলাদা বেসিন! মার্কিন বিমানবন্দরের প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ টেক্সসের গভর্নরের
-
আশিসের মৃত্যুর তদন্তে ফরেনসিক টিম-তৎপর সিআইডি, নজরে টিআরডিএ-র পুরনো দুর্নীতির অভিযোগও
-
‘হাম দো হামারে দো’, এবার দু’য়ের বেশি সন্তান ঠেকাতে আইন আনছে স্বাস্থ্যদপ্তর!