Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
Supreme Court

‘ওজন বেড়েছে, জেলে থাকুন কমে যাবে’, জামিন খারিজ করে আসামীকে কটাক্ষ শীর্ষ আদালতের

জেল নাকি জিমখানা!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫, ১৫:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫, ১৫:১৬

options
link
‘ওজন বেড়েছে, জেলে থাকুন কমে যাবে’, জামিন খারিজ করে আসামীকে কটাক্ষ শীর্ষ আদালতের zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলার পার্থ, অনুব্রত থেকে দিল্লির অরবিন্দ কেজরিয়াল, জেলবন্দি দশায় এমন সব ভিভিআইপির ব্যাপক ওজন কমার হাতে-কলমে প্রমাণ পেয়েছে দেশ। যা দেখে অনেকেই হয়ত মনে মনে ভেবেছেন স্থুলতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জেলের চেয়ে বোধহয় ভালো কিছু হয় না। এই নিয়ে চাপানউতোরের মাঝেই এবার সেই তত্ত্বে সিলমোহর দিল খোদ শীর্ষ আদালত! ‘জেলে থাকুন ওজন কমে যাবে’, এমনই বার্তা দিয়ে অভিযুক্তের জামিন খারিজ করলেন শীর্ষ আদালতের বিচারপতি বেলা ত্রিবেদী।

জানা যাচ্ছে, অপরাধ মামলায় জেলবন্দি এক মহিলা অভিযুক্ত সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন। এই মামলায় জামিন পেতে মহিলার স্থুলতাকে হাতিয়ার করেন অভিযুক্তের আইনজীবী। বিচারপতি বেলা ত্রিবেদীর এজলাসে আইনজীবী বলেন, তাঁর মক্কেলের স্থুলতাজনিত সমস্যা রয়েছে। অতিরিক্ত ওজন হওয়ার কারণে নানাবিধ সমস্যা রয়েছে তাঁর। ফলে জেল হেফাজত থেকে তাঁকে রেহাই দেওয়া হোক। আদালতে এমন যুক্তিতে জামিনের এমন আবেদন শুনে রীতিমতো ক্ষুব্ধ হন বিচারপতি বেলা ত্রিবেদী। পালটা বলেন, জামিন পাওয়ার জন্য এমন যুক্তি দেওয়া যায় আদালতে? এমন যুক্তিকে হাতিয়ার করে কি জামিন পাওয়ার কোনও বিধান রয়েছে সংবিধানে? এর প্রেক্ষিতে পালটা আইনজীবী বলেন, ‘স্থুলতার জন্য আমার মক্কেল নানা ধরনের অসুখে ভোগেন।’ এর পালটা বিচারপতি বলেন, ”ওজন বেড়েছে যখন তাহলে ওনাকে জেলেই রাখা হোক। ওনার ওজন কমে যাবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিচারপতির এহেন মন্তব্যে সোশাল মিডিয়ায় ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। কেউ লিখেছেন, ‘একজন বিচারপতির এহেন মন্তব্য করা একেবারেই অনুচিত। ওনার মামলার বিষয়ে কথা বলা উচিত। কোনও অভিযুক্তের শরীর নিয়ে এমন মন্তব্য করা ঠিক নয়। এটা অসংবেদনশীল মন্তব্য।’ কেউ আবার মন্তব্য করেছেন, ‘বিচারপতি একেবারেই ভুল বলেননি। বর্তমানে জেলখানা সত্যিই জিমখানায় পরিণত হয়েছে। এর প্রমাণ সাম্প্রতিক সময়ে আমরা বহুবার পেয়েছি।’

উল্লেখ্য, জামিন ইস্যুতে এর আগেও কড়া পদক্ষেপ নিতে দেখা গিয়েছে বিচাপতি ত্রিবেদীকে। ২০২৪ সালে এক জামিন মামলার শুনানিতে কড়া সুরে বিচারবতি বলেছিলেন, “আমার মতে জামিন মামলায় সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ করা একেবারেই উচিত নয়। জামিনের সিদ্ধান্ত হাই কোর্টের উপরেই ছেড়ে দেওয়া উচিত। যেভাবে শীর্ষ আদালতে জামিনের মামলা আসছে তাতে মনে হয় এটা সুপ্রিম কোর্ট জামিনের আদালত হয়ে গিয়েছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.