Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
Great Nicobar Project

পরিবেশ বিতর্কে নো পরোয়া, গ্রেট নিকোবর প্রকল্পে হবে নয়া বিমানবন্দর! ১৩ হাজার কোটি বরাদ্দ কেন্দ্রের

প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের দাবি, প্রস্তাবিত ‘গ্রিনফিল্ড’ বিমানবন্দরের তুলনায় রানওয়ে সম্প্রসারণে আদিবাসী বসতি, বনভূমি এবং বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলের উপর অধিকতর প্রভাব পড়বে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০২৬, ১৯:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০২৬, ১৯:১৩

options
link
পরিবেশ বিতর্কে নো পরোয়া, গ্রেট নিকোবর প্রকল্পে হবে নয়া বিমানবন্দর! ১৩ হাজার কোটি বরাদ্দ কেন্দ্রের zoom
নৌবাহিনীর বিমানঘাঁটি সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত আপাতত বাতিল করা হয়েছে।

আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে মোদি সরকারের ‘গ্রেট নিকোবর প্রকল্প’ (Great Nicobar Project) নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। পরিবেশ ধ্বংস নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিরোধী রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে পরিবেশ কর্মীরা। এর মধ্যেই এই প্রকল্পের আওতায় সম্পূর্ণ নতুন একটি বিমানবন্দর নির্মাণে ১৩০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র। নয়া বিমানবন্দরটি একইসঙ্গে সামরিক এবং বেসামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে। এর ফলে দ্বীপপুঞ্জের ‘আইএনএস বাজ’ নৌবাহিনীর বিমানঘাঁটি সম্প্রসারণের যে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তা আপাতত বাতিল করা হল।

সরকারি সূত্রে খবর, নতুন বিমানবন্দরটি নির্মাণ করা হবে গ্রেট নিকোবরের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে গালাথিয়া উপসাগরের কাছে চিংগেনে। সামরিক ও বেসামরিক দুই ধরনের উড়ান চলাচল করবে এখানকার রানওয়ে থেকে। স্থানটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি মালাক্কা প্রণালীর পশ্চিম প্রবেশপথের কাছে অবস্থিত। মালাক্কা প্রণালী হল বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সামুদ্রিক সংযোগপথ, যা ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ চিন সাগরকে সংযুক্ত করেছে। বিশ্বব্যাপী পণ্য পরিবহন তথা জ্বালানি সরবরাহের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এই জলপথে হয়ে থাকে। ফলে পূর্ব ভারত মহাসাগরে সামুদ্রিক কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে দ্বীপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

‘গ্রেট নিকোবর প্রকল্প’-এর কর্মকর্তাদের দাবি, নতুন বিমানবন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বাণিজ্য রুটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সক্রিয় হওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের সক্ষমতা জোরদার করবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ক্যাম্পবেল উপসাগরে অবস্থিত ভারতীয় নৌবাহিনীর ‘আইএনএস বাজ’ বিমান ঘাঁটির রানওয়ে সম্প্রসারণের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনাটি কার্যত স্থগিত হয়ে গেল।

‘গ্রেট নিকোবর প্রকল্প’-এর আওতায় নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক গুরুত্বও বহন করে। কারণ বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী সম্প্রতি যুক্তি দেন, ‘গ্রেট নিকোবর প্রকল্প’-এর উদ্দেশ্য যদি প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয়তা পূরণ হত, তবে সরকার বড়সড় উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পরিবর্তে বিদ্যমান ‘আইএনএস বাজ’ বিমানঘাঁটিটিরই সম্প্রসারণ করতে পারত। সরকারি সূত্রের অবশ্য দাবি, জমির অভাবে বিদ্যমান ৪,৫০০ ফুটের রানওয়েকে ১০,০০০ ফুট পর্যন্ত দীর্ঘ করা সম্ভব হবে না।

প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের আরও দাবি, প্রস্তাবিত ‘গ্রিনফিল্ড’ বিমানবন্দরের তুলনায় রানওয়ে সম্প্রসারণে আদিবাসী বসতি, বনভূমি এবং বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলের উপর অধিকতর প্রভাব পড়বে। সূত্রের খবর, নতুন বিমানবন্দরটির নির্মাণকাজ আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। বেসামরিক বিমান চলাচলের পাশাপাশি প্রয়োজনে নৌবাহিনীও নয়া বিমানবন্দরটিকে ব্যবহার করবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.