সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রামের অস্তিত্বের কোনও ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তামিলনাড়ুর মন্ত্রী এস এস শিবশংকর। দক্ষিণী রাজ্যের আরিয়ালুরের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, রাজেন্দ্র চোলের (চোল সাম্রাজ্যের প্রথম রাজেন্দ্র) উত্তরাধিকার উদযাপন উচিত সকলের। কিন্তু মানুষ এমন কিছু উদযাপন করতে বাধ্য হবে যার সঙ্গে তাদের কোন সম্পর্ক নেই। এর পরই সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন রামের অস্তিত্বের কোনও ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।
তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”রাজেন্দ্র চোলান যখন জীবিত ছিলেন তখন তিনি পুকুর নির্মাণ করতেন। মন্দিরও নির্মাণ করেছেন। ওঁর নাম স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে উল্লেখিত হত। কিন্তু রামের অস্তিত্বের কোনও ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। ওরা ওঁকে অবতার বলে। অবতারের জন্ম হতে পারে না। এটা করা হচ্ছে আমাদের প্রভাবিত করার জন্য, আমাদের ইতিহাসকে আড়াল করে আরেকটি ইতিহাসকে বড় করে দেখানোর জন্য।”
[আরও পড়ুন: তাঁর বিরুদ্ধে ইডি হানার প্রস্তুতি চলছে, বিস্ফোরক দাবি রাহুল গান্ধীর]
এহেন মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) বিজেপি (BJP) সভাপতি কে আন্নামালাই। তাঁর কথায়, ”হঠাৎ শ্রীরামকে নিয়ে ডিএমকের এমন আকস্মিক আবেগের বিষয়টি সত্যিই দেখার মতো। কে এটা ভাবতে পেরেছিল? এটা কি আশ্চর্যের নয় যে, কত তাড়াতাড়ি ডিএমকে নেতাদের স্মৃতি ফিকে হয়ে গেল? ওঁরাই তো নতুন সংসদ ভবনে চোলরাজাদের সেঙ্গল প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন! ডিএমকে (DMK) তো বলার চেষ্টা করে ১৯৬৭ সালে তামিলনাড়ুর ইতিহাসের সূচনা হয়েছিল। তারাই হঠাৎ দেশের সংস্কৃতি ও ইতিহাস নিয়ে কথা বলতে আরম্ভ করেছে।” সেই সঙ্গে তিনি থিরু শিবশংকরকে শ্রীরামের চরিত্রের অন্তত একটি বা দুটি দিক সম্পর্কে অন্য দুই ডিএমকে নেতা থিরু রগুপতি ও থিরু শিবশংকরের থেকে জেনে নিন। সব মিলিয়ে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন করে আলোচনার শীর্ষে রামচন্দ্র।
[আরও পড়ুন: অবশেষে কুকি-মেতেইদের মধ্যে শান্তিচুক্তি, স্বাভাবিক হওয়ার পথে মণিপুর!]
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লিতে ককরোচ পার্টির বিক্ষোভে উপস্থিত সোনম ওয়াংচুক, কী বার্তা ‘র্যাঞ্চো’র?
-
পুরবোর্ড টিকলে পরবর্তী মেয়র কে? রবিতে তৃণমূল ভবনে বৈঠক ডাকলেন মমতা
-
কাজু-আমন্ড অতীত, এই চেনা ফলের বীজই ‘সুপারফুড’!
-
বাবুঘাটে তলিয়ে গেলেন আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদী, ডাক্তারি পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে রহস্য
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত