সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাটনায় গান্ধী ময়দানে প্রশান্ত কিশোরের অনশনমঞ্চে হানা বিহার পুলিশের। সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, সোমবার কাকভোরে অনশনস্থল থেকে জন সুরজ পার্টির প্রধানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে পুলিশের তরফে। তাঁর পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকেও আটক করেছে পুলিশ। জানা যাচ্ছে, অনশনস্থল থেকেই অ্যাম্বুল্যান্সে করে সোজা এইমস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।
প্রশান্ত কিশোরের বিরুদ্ধে যে বড় পদক্ষেপ নিতে পারে পুলিশ এমন একটা আভাষ ছিলই। সেইমতো সোমবার ভোর ৪টে নাগাদ অনশনস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশ বাহিনী। জোর করে প্রশান্ত কিশোরকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলে এই সময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয় পুলিশের। সেই সময় পুলিশ পিকেকে চড়ও মারে বলে অভিযোগ। ঘটনার একাধিক ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা গিয়েছে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করছেন আন্দোলনকারীরা। এদিকে সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, গান্ধী ময়দান থেকে পিকেকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে নিয়ে যাওয়া হয় এইমস হাসপাতালে। সেখানে বাকিদের থেকে আলাদা রাখা হয়েছে তাঁকে।
বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও ব্যাপক কারচুপির অভিযোগে আন্দোলনে নেমেছেন পড়ুয়ারা। দাবি উঠেছে পরীক্ষা বাতিলের। পড়ুয়াদের দাবি ছিল, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলার। যদিও মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার পড়ুয়াদের সেই দাবিকে গুরুত্ব দেননি বলে অভিযোগ। এহেন পরিস্থিতিতে চাকরিপ্রার্থীদের হয়ে সুর চড়ান পিকে। গত ২৯ ডিসেম্বর রাতে তাঁর নেতৃত্বে পাটনার গান্ধী ময়দান থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির উদ্দেশে পদযাত্রা বের করেন পড়ুয়ারা। যেখানে লাঠিচার্জের অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। বিক্ষোভকারীদের উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছিল।
এই ঘটনার প্রতিবাদে ও পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গত ২ জানুয়ারি পাটনার গান্ধী ময়দানে আমরণ অনশনে বসেন জন সুরাজ পার্টির প্রধান প্রশান্ত কিশোর। সোমবার চতুর্থ দিনে পড়েছিল তাঁর এই অনশন।
সর্বশেষ খবর
-
তৃণমূল আমলে প্রতিবন্ধী ভাতাতেও দুর্নীতি! দ্রুত তদন্ত শেষ করতে বলল হাই কোর্ট
-
গোলের মালায় বাংলাদেশকে দুরমুশ, ২০ বছর পর ফের এশিয়ার মঞ্চে ভারতের তরুণ তুর্কিরা
-
এককালে সাসপেন্ড হতে হয়েছিল! সঞ্জুর সঙ্গে হাত মেলালেন না বিতর্কিত পেসার, ভাইরাল ভিডিও
-
বিদেশি সংবাদমাধ্যমের হাত বাঁধল নেপাল, বন্যার রিপোর্টিংয়ে জারি বিধিনিষেধ, কারণ কী?
-
আরও দুই মামলায় জামিন সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের, কবে জেলমুক্তি?