সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পহেলগাঁও কাণ্ডের দু’দিনের মাথায় সর্বদল বৈঠকে মিলিত হয়েছে সরকারি ও বিরোধী দলগুলি। আর সেই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাকি স্বীকার করে নিয়েছেন, সেদিন নিরাপত্তায় গলদ ছিল। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি তেমনই। সূত্রের খবর, গোয়েন্দাদের অনুমতি না নিয়েই সম্ভবত পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল বৈসরণ উপত্যকা।
ঠিক কী বলেছেন শাহ? ওই প্রতিবেদনের দাবি, তাঁকে এদিন বিরোধী নেতাদের উদ্দেশে বলতে শোনা গিয়েছে, ”যদি কিছু ভুল না হত, তাহলে আমরা এখানে বসে আছি কেন? কোথাও না কোথাও কিছু গলদ হয়েছেই, যা আমাদের খুঁজে বের করতে হবে।”
বৈঠকে বেশ কয়েকটি বিরোধী দল নিরাপত্তা ব্যবস্থার স্পষ্ট ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। সূত্রের খবর, বেশ কয়েকজন বিরোধী নেতা প্রশ্ন তোলেন, “নিরাপত্তা বাহিনী কোথায় ছিল? কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী কোথায় ছিল?” এর জবাবে সরকার জানিয়ে দেয়, পহেলগাঁওয়ের বৈসরান এলাকা খোলার আগে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে অবহিত করেনি। সাধারণত জুন মাসে অমরনাথ যাত্রা পর্যন্ত ওই অঞ্চল নিয়ে কড়াকড়ি থাকে। পাশাপাশি প্রশ্ন ওঠে, কেন হামলার খবর পেয়েও দেরিতে সেখানে পৌঁছয় নিরাপত্তা বাহিনী? সেক্ষেত্রে জানানো হয়, ওই অঞ্চলে পৌঁছতে ৪৫ মিনিট উপরে উঠতে হয়।
এদিকে এদিন বৈঠকশেষে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী বলেন, ‘‘কেন্দ্র যা সিদ্ধান্ত নেবে, যা পদক্ষেপ করবে তাতে সমর্থন করবে বিরোধীরা।’’ কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, জম্মু-কাশ্মীরে শান্তি ফেরানোর জন্য যা পদক্ষেপ করা প্রয়োজন, সেটা করতে হবে। এই সময়ে দেশ ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। সরকারের পাশে থাকার বার্তা তৃণমূলেরও। সর্বদল বৈঠকের পর তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল কেন্দ্রের পাশে রয়েছে। দেশের স্বার্থে তারা যা সিদ্ধান্ত নেবে, সেটা সমর্থন করা হবে।”
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন