১১ মাঘ  ১৪২৬  শনিবার ২৫ জানুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

১১ মাঘ  ১৪২৬  শনিবার ২৫ জানুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তীব্র খরায় রাজ্যে হাহাকার, অথচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নিজেরই মোটা অঙ্কের জলকর বাকি৷ এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর বেশ চাপে পড়েছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিস৷ কটাক্ষ করে বিরোধী নেতা এই প্রস্তাবও দেন, মুখ্যমন্ত্রীর প্রায় ৭ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা তিনিই মকুব করে দেবেন৷ এবার আরও বড় দুর্নীতির অভিযোগ উঠল ফড়ণবিসের বিরুদ্ধে৷ সেই দুর্নীতির অঙ্ক ২০ হাজার কোটি টাকা৷ নগরোন্নয়ন দপ্তরের জমি সংক্রান্ত কেলেঙ্কারিতে এই টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে৷

[আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপে ইতিহাস পড়েছেন অমিত শাহ! বেনজির কটাক্ষ কংগ্রেসের]

মহারাষ্ট্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে এতদিনে বহু দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে৷ রাজ্যের রাজস্ব মন্ত্রী চন্দ্রকান্ত পাটিল ৩৪০ কোটি টাকার জমি কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত৷ এরপর সেই তালিকায় এবার নাম উঠল মুখ্যমন্ত্রীরও৷ এনসিপি নেতা জয়ন্ত পাটিল তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, দারিদ্রসীমার নিচে থাকা মানুষজনের জন্য বরাদ্দ জমিতে ব্যাপক দুর্নীতিতে যুক্ত মুখ্যমন্ত্রী নিজে৷ মুষ্টিমেয় শিল্পপতিদের কাছে তিনি ওইসব জমি তুলে দিয়েছেন ব্যাপক মুনাফা লাভের আশায়৷

সম্প্রতি একটি আরটিআই-এর ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, ২০০৯ সাল থেকে নিজের সরকারি বাংলো ‘বর্ষা’র জলকর মেটাননি মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবিস৷ একই তালিকায় রয়েছে বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর নামও৷ তাঁদের সকলেরই মোটা অঙ্কের বিল বাকি পড়ে রয়েছে বেশ কিছু বছর ধরেই৷ অভিযোগ, বিজেপি পরিচালিত পুরসভা এবিষয়ে ঠিকমতো খোঁজখবর নেয় না বলেই এতটা বকেয়া রয়েছে বলে দাবি বিরোধীদের৷

[আরও পড়ুন:তিন বছরে ভেঙে পড়েছে বায়ুসেনার ২৭টি বিমান, সংসদে ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর]

এরপর খোদ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই উঠছে জমি কেলেঙ্কারিতে কয়েক হাজার কোটি টাকা তছরূপের অভিযোগ৷ যদিও এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর বা দলের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি৷ অভিযোগের সত্যাসত্য যদিও তদন্তসাপেক্ষ, তবে গত পাঁচ বছরেই ফড়ণবিস সরকারের বিরুদ্ধে এত আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায়, শাসকের ভূমিকা বড়সড় প্রশ্নের মুখে৷ এমনকী আসন্ন নির্বাচনে এই দুর্নীতির অভিযোগের প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং