Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Ghaziabad

পরিবারের সদস্য ‘সেজে’ বাড়ি বাড়ি ডাকাতি! ডিএনএ টেস্টে প্রতারণা ফাঁস যুবকের

তিন দশক আগে পরিবারের হারিয়ে যাওয়া সন্তান হিসেবে দাবি করেছিলেন যুবক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২৪, ১৭:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২৪, ১৭:৪৫

options
link
পরিবারের সদস্য ‘সেজে’ বাড়ি বাড়ি ডাকাতি! ডিএনএ টেস্টে প্রতারণা ফাঁস যুবকের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৩১ বছর আগে অপহৃত নাবালক বাড়ি ফিরে এসেছে। এই ঘটনা সাড়া ফেলে দিয়েছিল গোটা উত্তরপ্রদেশে। মাত্র ৯ বছর বয়সে হারিয়ে যাওয়া ওই যুবককে আনন্দের সঙ্গে ঘরে তুলেছিল পরিবার। এক মুহূর্তের জন্যও মাথায় আসেনি কী বিরাট বিপদ আসতে চলেছে। অল্প দিনের মধ্যেই জানা গেল, ভুয়ো পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে আসলে ডাকাতির ছক কষেছিল অভিযুক্ত। এটাই তাঁর পেশা। ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে রাজু নামের ওই অভিযুক্তকে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজস্থানের বাসিন্দা ওই যুবক। নাম ভাড়িয়ে গৃহস্থের বাড়িতে ঢুকে সর্বস্ব লুট করাই তাঁর পেশা। কখনও ইন্দ্ররাজ, কখনও ভীম, কখনও রাজু বলে নিজের পরিচয় দিতেন অভিযুক্ত। উত্তরপ্রদেশে গাজিয়াবাদে নিজের নাম রেখেছিলেন রাজু। গৃহস্থের বাড়িতে ঢুকতে গল্পও ফেঁদে ফেলেন তিনি। ৩১ বছর আগে ১৯৯৩ সালে স্কুল থেকে ফেরার পথে তাঁকে অপহরণ করেন এক ট্রাক ড্রাইভার। রাজস্থানে নিয়ে গিয়ে তাঁকে ক্রীতদাস করে রাখা হয়। সেখানেই এতদিন ধরে ছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, গাজিয়াবাদে এসে প্রথমে থানায় গিয়ে পুলিশকে সবটা জানান তিনি। পুলিশই এর পর তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করে।

Advertisement

শুরুতে সবকিছু ঠিকঠাক চললেও যুবকের আচরণে সন্দেহ হয় পরিবারের। পুলিশকে গোটা বিষয়টি জানায় তাঁরা। ওই যুবক সত্যিই তাঁদের হারিয়ে যাওয়া সন্তান কিনা জানতে এর পর ডিএনএ টেস্ট করায় পুলিশ। সেখানেই জানা যায়, এই পরিবারের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই যুবকের। পুলিশ অনুসন্ধান করে জানতে পারে আসলে ওই যুবক চুরি ও ডাকাতিতে সিদ্ধহস্ত। বহুবার এই কাণ্ড ঘটিয়েছে সে। অভিযুক্ত রাজুকে গ্রেপ্তার করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

গাজিয়াবাদ পুলিশের ডেপুটি কমিশনার নিমিশ পাটিল জানান, এই যুবক এর আগেও আত্মীয় ও পরিচিতদের বাড়িতে বহু জিনিস চুরি করেছে। যার জেরে ২০০৫ সালে তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। এর পর থেকে একই পন্থায় নাম ভাড়িয়ে অন্তত ৫টি পরিবারের কাছে আশ্রয় নিয়েছে সে। সেখানে চুরি ও ডাকাতির করে। একবার পুলিশের কাছে ধরাও পড়ে এই অপরাধী। পাঞ্জাব, রাজস্থান, হরিয়ানায় তাঁর বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ফের একই কাজে লিপ্ত হয় অভিযুক্ত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.