সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গুলেন বারি সিনড্রোম বা জিবিএস নিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে দেশজুড়ে। এর মধ্যেই গুজরাটে এক ব্যক্তির মৃত্যু হল কঙ্গো ফিভারে। গত ৫ বছরের মধ্যে এই প্রথম এই অসুখে এদেশে কারও প্রাণ গেল। স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বেগ বাড়ছে।
অসুখটির নাম ক্রিমিন-কঙ্গো হেমোরাজিক ফিভার তথা সিসিএইচএফ। যদিও সকলে একে কঙ্গো ফিভার নামেই চেনে। গুজরাটের মোহনভাই নামের এক ৫১ বছরের ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছিলেন এই অসুখে। পেশায় তিনি গবাদি পশু পালনকারী। ২১ জানুয়ারি তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গতকাল, সোমবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ওই ব্যক্তি। তাঁর রক্তের নমুনা পুণেতে পাঠানো হলে দেখা যায়, শরীরে লুকিয়ে রয়েছে কঙ্গো ফিভার ছড়ানো ভাইরাস।
গুজরাটের স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে ওই অঞ্চলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মৃতের পরিবারের কাছে প্রশাসনের তরফে আর্জি জানানো হয়েছে, যেন সকলে স্বাস্থ্য সম্পর্কে সতর্ক থাকেন।
কী উপসর্গ এই অসুখের? জ্বর, পেশির ব্যথা, মাথায় যন্ত্রণা ও ঝিমুনির মতো উপসর্গ ছাড়াও ঘুম না আসা, অবসাদ ও পেটব্যথাও হতে থাকে সংক্রমিত হওয়ার দুই থেকে চারদিনের মধ্যে। এছাড়া মুখে, গলায় ও দেহের অন্যত্র র্যাশ বেরনোর মতো উপসর্গও দেখা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO আগেই জানিয়েছে, এই অসুখে মৃত্যুহার ৪০ শতাংশ। এখনও এর কোনও টিকা আবিষ্কৃত হয়নি। সাধারণত গৃহপালিত প্রাণীর থেকে ছড়ালেও মানুষ থেকে মানুষেও এই ভাইরাস সংক্রমতি হতে পারে।
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা