Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
Maharashtra

গুলেন বারিতে প্রথম মৃত্যু, মহারাষ্ট্রে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে বিরল স্নায়ুর রোগ

ইতিমধ্যেই শতাধিক ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছেন এই সিনড্রোমে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৫, ১১:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৫, ১১:৫৫

options
link
গুলেন বারিতে প্রথম মৃত্যু, মহারাষ্ট্রে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে বিরল স্নায়ুর রোগ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে বিরল স্নায়ুর রোগ গুলেন বারি। ইতিমধ্যেই শতাধিক ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছেন এই সিনড্রোমে। রবিবার তাঁদের মধ্যে একজনের মৃত্যুও হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নজরদারি চালাচ্ছে পুণে প্রশাসন।

সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, সম্ভবত গুলেন বারি সিনড্রোমে আক্রান্ত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে পুণেতে। মহারাষ্ট্রের এক স্বাস্থ্য আধিকারিক জানান এই বিষয়টি। মৃত ব্যক্তি আদতে সোলাপুরের বাসিন্দা। কিন্তু পুণেতে এসেই তিনি গুলেন বারিতে আক্রান্ত হন এবং সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। ওই স্বাস্থ্য আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে মহারাষ্ট্রে অন্তত ১০১ জন গুলেন বারি সিনড্রোমে আক্রান্ত। তাঁদের মধ্যে ৬৮ জন পুরুষ এবং ৩৩ জন মহিলা। আক্রান্তদের ১৬ জনকে রাখা হয়েছে ভেন্টিলেশনে। পুণে এবং পিম্পরি-চিনচড়-পাশাপাশি অবস্থিত এই দুই কর্পোরেশন এলাকাতেই ৯৫ জন গুলেন বারি আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সাধারণত, ভয়াবহ কোনও সংক্রামক ব্যাধি শরীরে বাসা বাঁধলে স্নায়ুর এই সমস্যাটি দেখা যায়। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা না হলে এই রোগটিও হতে পারে প্রাণঘাতী। গুলেন বারি সিনড্রোমের মূল লক্ষণ হল অসাড়তা। শুরুর দিকে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ব্যথাও থাকতে পারে। পরবর্তীকালে দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দুর্বল হতে থাকে। বিশেষ করা হাত-পায়ের দুর্বলতা এক্ষেত্রে লক্ষণীয়। আক্রান্ত হওয়ার দু’সপ্তাহের মধ্যে এই দুর্বলতা প্রকট হয়। অনেক ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র অসাড় হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘাড়ের পেশি। চিকিৎসা না হলে রোগীর হাঁটাচলা করতেও সমস্যা হয়। কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র দুর্বল হয়ে যাবার কারণে মুখের পেশি দুর্বল হয়, খাবার গিলতে অসুবিধা হয়, চোখের পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে সমস্যা দেখা যায় দৃষ্টিশক্তিরও। এছাড়াও শরীরে বিভিন্ন জায়গা যেমন ঘাড়, পিঠ, কোমরে ব্যথা থাকতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.