Advertisement
Advertisement
ফুটবলের মহাযুদ্ধ
FIFA World Cup 2026

এক ছোবলে ছবি! জার্মান দলের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ এখন বিষধর সাপ 

প্রতিপক্ষ দলের বদলে এবার তাঁদের চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে বিষধর সাপ। এই পরিস্থিতিতে কী বলছেন জার্মান অধিনায়ক জোশুয়া কিমিচ?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২৬, ১৬:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২৬, ১৬:৪২

options
link
এক ছোবলে ছবি! জার্মান দলের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ এখন বিষধর সাপ  zoom
আতঙ্কে জার্মান অধিনায়ক জোশুয়া কিমিচ। ফাইল ছবি।

সাত গোলের দুর্দান্ত জয় দিয়ে বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) অভিযান শুরু করেছে জার্মানি (Germany)। আপাতত ফুরফুরে মেজাজ জার্মান শিবিরে। কিন্তু টুর্নামেন্ট চলাকালীনই নতুন এক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে ফুটবলারদের। প্রতিপক্ষ দলের বদলে এবার তাঁদের চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে বিষধর সাপ।

নর্থ ক্যারোলিনার উইনস্টন-সালেমে জার্মান দলের ক্যাম্পে হঠাৎই ঘাসের আড়ালে দেখা যায় একটি কপারহেড সাপ। এই প্রজাতির সাপ নর্থ ক্যারোলিনায় সাধারণ হলেও তা বিষধর হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে জার্মান শিবিরে। শুধু জার্মানিই নয়, সুইজারল্যান্ড এবং নরওয়ে দলও একই ধরনের সমস্যার কথা জানিয়েছে বলে জানা গিয়েছে এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জার্মান অধিনায়ক জোশুয়া কিমিচ বলেন, “জার্মানিতে আমরা স্ট্রাটেজি, ট্যাকটিক্স, চোট-আঘাত এবং পরের প্রতিপক্ষকে নিয়ে চিন্তা করি। কিন্তু এখানে ঘাসের তলায় কী লুকিয়ে আছে, সেটাও ভাবতে হচ্ছে।” ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিমিচ ও তাঁর সতীর্থদের সামনে আচমকাই চলে আসে একটি কপারহেড সাপ। বিশ্বকাপ শুরুর আগে সুইজারল্যান্ড দলও সান দিয়েগোর ক্যাম্পে একটি নির্দিষ্ট এলাকাকে ‘সাপের অঞ্চল’ হিসাবে চিহ্নিত করে রেখেছিল।

ফুটবলারদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে সাপ বিষধর বলে জানার পর থেকেই। কিমিচের কথায়, “গতকাল আমরা সাপ দেখেছি। পরে জেনেছি, ওটা বিষাক্ত কামড়ালে হাসপাতালে যেতে হবে। আমার মনে হয় না এই সাপের ছোবলে মৃত্যু হবে, তবে বিষয়টা ভয়ংকর। ভুল করে সাপের গায়ে পা পড়লে বড় সমস্যায় পড়তে হতে পারে। তাই আমরা থেকে দূরত্ব বজায় রাখছি।” তিনি আরও বলেন, “এখানকার মানুষের প্রতি যথেষ্ট সম্মান রয়েছে। তবে জার্মানিতে এত বিষাক্ত প্রাণী নেই। কী ধরনের সাপ এবং কামড়ালে কী হতে পারে, সেটা জানার পর বিষয়টাকে আর হালকাভাবে নেওয়া যায় না।”

এই ঘটনায় বিরক্ত নরওয়ের অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ান থোরস্টভেডও। তাঁর কথায়, “আমরা ফুটবলের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি নিতে এসেছি। কিন্তু এখন পা ফেলার আগেও ফুটবলারদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হচ্ছে।” তবে সাপের আতঙ্ক কাটিয়ে দ্রুত ফুটবলে মন ফেরাতেই হবে জার্মানিকে। আগামী ২১ জুন আইভরি কোস্টের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে তারা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.