Advertisement
Advertisement
Leandro Paredes

স্প্যানিশ ফুটবলারের গলা টিপেছেন আর্জেন্টাইন তারকা, বেশ করেছে, গুণধর ছেলের পাশে মা!

খেলা শেষে স্পেনের প্লেয়ারদের নির্বিচারে মারধর। রীতিমতো মাটিতে ফেলে। ‘বিব’ টেনে ধরে। বলা যেতে পারে বিশ্বকাপ হাতছাড়া হওয়ার পর মাঠজুড়ে কার্যত গুন্ডামি করেছে আর্জেন্টিনা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৬, ১৮:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৬, ১৮:০৪

options
link
স্প্যানিশ ফুটবলারের গলা টিপেছেন আর্জেন্টাইন তারকা, বেশ করেছে, গুণধর ছেলের পাশে মা! zoom
উত্তেজনার কেন্দ্রে মূলত আর্জেন্টিনার দুই তারকা- লিয়ান্দ্রো পারাদেস এবং নাহুয়েল মোলিনা।
Advertisement

খেলা শেষে স্পেনের প্লেয়ারদের নির্বিচারে মারধর। রীতিমতো মাটিতে ফেলে। ‘বিব’ টেনে ধরে। বলা যেতে পারে বিশ্বকাপ হাতছাড়া হওয়ার পর মাঠজুড়ে কার্যত গুন্ডামি করেছে আর্জেন্টিনা। তবে এহেন আচরণেও মোটেই লজ্জিত নয় তারা। বরং ফুটবলারদের এই অতি আগ্রাসী আচরণের পক্ষে পালটা যুক্তি খাড়া করছেন তাঁদের মা-বোনরা! তাঁদের মতে, ফুটবলাররা ম্যাচ শেষে যে আচরণটা করেছেন তাতে ভুল নেই।

উত্তেজনার কেন্দ্রে মূলত আর্জেন্টিনার দুই তারকা-লিয়ান্দ্রো পারাদেস (Leandro Paredes) এবং নাহুয়েল মোলিনা। ম্যাচ চলাকালীনই কার্ড দেখেছিলেন পারদেস। খেলা শেষ হওয়ার পর গার্সিয়ার গলা টিপে ধরেন, ধাক্কা মেরে দেন পারদেস। যার পর গাভি কিছু বলতে গেলে, তাঁকে ঘুসি মেরে বসেন আর্জেন্টিনা ফুটবলার। আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালেনি পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য ছুটে যান। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। রেফারি সোজা লাল কার্ড দেখিয়ে দেন পারদেসকে। ফিফা যা নিয়ে তদন্ত শুরু করছে।

Advertisement

গোটা বিশ্বের ফুটবলমহল এই আচরণের নিন্দা করছে। কিন্তু পারদেসের মা মরিয়ম বেনিতেজ পুত্রস্নেহে অন্ধ! তাঁর মতে, ছেলে কোনও ভুল করেনি। সাংবাদিকদের দেখে তিনি বলেন, “আমরা তো কখনও কাউকে অসম্মান করি না। সবসময়ে সম্মান দেখাই। সেটাই আমাদের উদ্বুদ্ধ করে। ওই জোরেই আমরা নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছে যাই। আমার ছেলের কাছে জাতীয় দল, আর্জেন্টিনা যে কতখানি গুরুত্বপূর্ণ, সেটা আমি জানি।” মরিয়মের ইঙ্গিত, ম্যাচের পর পারদেস যে কাণ্ডটা ঘটিয়েছেন সেটা আসলে দেশের জন্যই!

কম যান না পারদেসের বোন বারবারা। ফাইনালের মারামারির প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়ে তিনি বলছেন, “আমরা ইংল্যান্ডকে হারিয়েছি, সেটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার। চার নম্বর ট্রফিটা হয়তো আসেনি, কিন্তু ফকল্যান্ড রয়েছে আমাদের হাতে।” যদিও ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ এখনও রয়েছে ব্রিটেনের অধীনেই। ১৯৮২ সালের যুদ্ধ এবং তারপর একাধিক গণভোট-সমস্ত কিছুতেই জয়ী ব্রিটেন। তবুও আর্জেন্টিনা বারবার দাবি করে এসেছে, ফকল্যান্ড তাদেরই। সেই মর্মে বিশ্বকাপ চলাকালীন ব্যানারও প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনা তারকারা। সেই আচরণকে পূর্ণ সমর্থ করছেন বারবারা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.