Advertisement
Advertisement
Luka Modric

‘এত সহজে পেনাল্টি দেওয়া যায় না’, বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ মদ্রিচ

অনেকেই বলছেন, যে পেনাল্টি ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর পর্তুগাল পেয়েছিল, সেটাও বিতর্কিত। তাছাড়াও বিশ্বকাপের নকআউটের ইতিহাসে প্রথম কোনও ম্যাচে চার-চারটি গোল বাতিল হয়েছে। এসব কিছু নিয়ে মুখ খুলেছেন লুকা মদ্রিচ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ২০:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ২০:২৯

options
link
‘এত সহজে পেনাল্টি দেওয়া যায় না’, বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ মদ্রিচ zoom
লুকা মদ্রিচ। ছবি সংগৃহীত।
Advertisement

পর্তুগালের কাছে বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) ৩২তম রাউন্ডে হেরে বিদায় নিয়েছে লুকা মদ্রিচের (Luka Modric) দল। কিন্তু একাধিক প্রশ্ন উঠেছে রেফারিং নিয়ে। আদৌ কি শেষমুহূর্তের গোল অফসাইড ছিল? সোশাল মিডিয়ায় অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, মদ্রিচদের সঙ্গে কি অন্যায় করা হল? অনেকেই আবার বলছেন, যে পেনাল্টি ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর পর্তুগাল পেয়েছিল, সেটাও বিতর্কিত। তাছাড়াও বিশ্বকাপের নকআউটের ইতিহাসে প্রথম কোনও ম্যাচে চার-চারটি গোল বাতিল হয়েছে। এসব কিছু নিয়ে মুখ খুলেছেন লুকা মদ্রিচ।

ম্যাচের পর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক লুকা মদ্রিচ। তিনি মনে করেন, ভ্লাসিচের ঘটনা কোনওভাবেই পেনাল্টি ছিল না। তাঁর মন্তন্য, “এমন ম্যাচে এত সহজে পেনাল্টি দেওয়া যায় না। এই প্রযুক্তি তখনই ব্যবহার করা উচিত, যখন ভুল ২০০ শতাংশ নিশ্চিত। এমন সিদ্ধান্ত তরুণ ফুটবলারদের মানসিকভাবে প্রভাব ফেলে। এর খেসারতও দলকে দিতে হয়।” কেবল মদ্রিচই নন, রেফারিংয়ের সমালোচনা করেন ক্রোট কোচ জ্লাতকো দালিচও। “আরও কয়েকটা ফ্রিকিক আমাদের প্রাপ্য ছিল। তবে অজুহাত দেখাতে চাই না। কারণ চাইলে এই ম্যাচ আমরা আগেই জিতে নিতে পারতাম।”

Advertisement

তবে পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্টিনেজ ‘ভার’-এর সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, “প্রযুক্তি পরিষ্কার অফসাইড দেখিয়েছে। কোনও ভুল সিদ্ধান্ত হয়নি। পেনাল্টিও স্পষ্ট ছিল।” উল্লেখ্য, ইভান পেরিসিচ যখন প্রান্ত থেকে বক্সের দিকে ক্রসটি বাড়ালেন তখন ক্রোয়েশিয়ার কেউ অফসাইড ছিলেন না। কিন্তু মাঝপথে ক্রোট মিডফিল্ডার মাটানোভিচ ওই বলটিতে মাথা ছুঁইয়ে দেন। সমস্যা হল মাটানোভিচ যে সময় বলে মাথা ছোঁয়ালেন, ততক্ষণে পাসালিচ অফসাইড পজিশনে চলে গিয়েছেন। ওই বলটি যদি মাটানোভিচের মাথা স্পর্শ না করত, তাহলে হয়তো গোলটি বাতিল হত না।

কিন্তু বলের ভিতরে যে চিপ বসানো রয়েছে, সেই চিপের সংকেত থেকে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে ক্রোয়েশিয়ার ওই তারকা অফসাইড ছিলেন। যার অর্থ, মদ্রিচদের সঙ্গে কোনও অন্যায় হয়নি। ওই অফসাইড দেওয়া হয়েছে নিয়ম মেনেই। শুক্রবার ভোরে সব মিলিয়ে অফসাইডের দৌলতে যে চারটি গোল বাতিল হয়েছে, তার মধ্যে একটি ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোরও। সেই গোলটিও বাতিল হয় VAR-এর হস্তক্ষেপেই। প্রশ্ন উঠছে, ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ কি খেলার স্বতঃস্ফূর্ততার জন্য বাধার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে?

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.