বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) প্রথম দিনে নিজেদের ম্যাচে জয় পেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া ও মেক্সিকো। কিন্তু আসল ‘গল্প’ তৈরি হল মাঠের বাইরে। নেপথ্যে একটা চুমু। সম্প্রচার চলাকালীনই দক্ষিণ কোরিয়ার এক সাংবাদিককে ভরা রাস্তায় চুমু খেলেন মেক্সিকোর এক সুন্দরী তরুণী সমর্থক। ব্যাপারটা সেখানেই মিটে যায়নি। চুমু-কাণ্ডের পরই সোশাল মিডিয়ায় বিতর্ক শুরু হয়ে যায়। এভাবে কি কাউকে অনুমতি ছাড়া চুমু খাওয়া যায়?
এই বিষয়ে আরও খবর
দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে মেক্সিকো। অন্যদিকে পিছিয়ে থেকেও ২-১ গোলে কামব্যাক করে চেক রিপাবলিকের বিরুদ্ধে জিতেছে দক্ষিণ কোরিয়া। জাপোপান শহরের এস্তাদিও গুয়াদালাহারা স্টেডিয়ামে দক্ষিণ কোরিয়ার ম্যাচ ছিল। তারপর স্টেডিয়ামের বাইরে ক্যামেরার সামনে বক্তব্য রাখছিলেন কোরিয়ার এক সাংবাদিক।
হঠাৎই পিছন থেকে আবির্ভূত হন মেক্সিকোর এক মহিলা ভক্ত। কোরিয়ার ওই সাংবাদিককে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরেন তিনি। কিন্তু সেখানেই থামেননি। হঠাৎ সাংবাদিকের গালে চুমু খেয়ে বসেন মেক্সিকোর ওই সুন্দরী তরুণী। সাংবাদিক তখন যেন পালাতে পারলে বাঁচেন! কোনও রকমে জোর করে হাসি ধরে রেখেছিলেন।
Dünya Kupası için Meksika’da canlı yayına bağlanan Güney Kore muhabiri, Meksikalı bir kız tarafından öpülünce kısa sürede viral oldu. pic.twitter.com/HWhVlK6yp2
— Serkan Tanyildizi (@srkntnyldz) June 11, 2026
কিন্তু এই ঘটনার পর বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, ব্যাপারটা যদি উলটো ঘটত? অর্থাৎ যদি কোনও পুরুষ একজন মহিলা সাংবাদিককে ভরা রাস্তায় চুমু খেতেন, তাহলে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠত। তাহলে এক্ষেত্রে ওই মহিলা কেন পার পাবেন? আবার অনেকের বক্তব্য, দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্কৃতি এখন সারা বিশ্বে জনপ্রিয়। সেই হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষদেরও পছন্দ করা হয়। অন্যদিকে মেক্সিকোও অন্য দেশের মানুষদের আপন করে নিতে জানে। সেই হিসেবে এটা উচ্ছ্বাসের অতি বহিঃপ্রকাশ।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
এমআরপির থেকে বেশি দামে আলু টিক্কি বিক্রি! ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা বাংলার শপিং মলের
-
প্রথম ঝলকেই বাজিমাত সানি-প্রীতির, প্রকাশ্যে ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ ছবির ফার্স্ট লুক
-
রোনাল্ডোর মঞ্চে দ্যুতি ছড়াল কঙ্গো, অঘটনের বিশ্বকাপে আটকে গেল পর্তুগাল
-
ডিম হামলা থেকে বাঁচতে সকালে বসল ‘ভিউ কাটার’! রাতে প্রত্যাহার নিরাপত্তারক্ষী, কালীঘাটে টানটান উত্তেজনা
-
‘ভারত শান্তির পক্ষে’, জেলেনস্কিকে মোদির বার্তা, মস্কো-ওয়াশিংটনের ‘সেতু’ হবেন প্রধানমন্ত্রী?




