নেদারল্যান্ডস: ১ (গাকপো)
মরক্কো: ১ (দিয়োপ)
পেনাল্টি শুটআউটে ৩-২ জয়ী মরক্কো
আরও পড়ুন:
গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে ফুটবল দুনিয়ায় হইচই ফেলে দিয়েছিল মরক্কো। জমাট রক্ষণ করে সুযোগ বুঝে প্রতি আক্রমণ-এই ফর্মুলায় একের পর এক হেভিওয়েট প্রতিপক্ষের রাতের ঘুম উড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দল। চলতি বিশ্বকাপেও ব্রাজিলকে ধাক্কা দিয়েছিল মরক্কো। ফলে নেদারল্যান্ডের বিরুদ্ধে আশরাফ হাকিমিদের ম্যাচ যে ধুন্ধুমার পর্যায়ে পৌঁছবে, ফুটবলপ্রেমীদের হাড্ডাহাড্ডি খেলা উপহার দেবে-এমনটাই প্রত্যাশা ছিল। মেক্সিকোর স্টেডিয়ামে ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে দুই দলই সমানে সমানে টক্কর দিল।
ম্যাচের অধিকাংশ সময়টা ছিল মরক্কোর দখলেই। বল পজেশন, নিখুঁত পাস, গোল লক্ষ্য করে শট-সবেতেই এগিয়ে আফ্রিকান দেশটি। ফরোয়ার্ডদের জন্য। শুরুর ১৫ মিনিটের পর থেকে ডাচ বাহিনীকে সেভাবে খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু ফুটবলে শেষ কথা বলে গোল। মঙ্গলবার সকালে এই একটা জায়গাতেই বারবার আটকে গেল মরক্কো। একেবারে সাজিয়ে দেওয়া বলেও পা ছোঁয়াতে পারলেন না ইসমাইল সাইবারি। একবার নয়, অন্তত তিনটে সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট করলেন মরোক্কান স্ট্রাইকার। সেটা না হলে প্রথমার্ধেই এগিয়ে যেতে পারতেন হাকিমিরা।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের ছবিটা একই রকম। মাঝমাঠ থেকে একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেন ব্রাহিম দিয়াজরা। কিন্তু সেই সুযোগগুলোকে কিছুতেই গোলে পরিণত করা গেল না। ফলে খানিকটা হতাশ হয়ে পড়া মরক্কোকে পালটা দিতে শুরু করে নেদারল্যান্ডস। ৬৫ মিনিটের পর থেকে ধারাবাহিক ভাবে চলল ডাচ আক্রমণ। গোটা ম্যাচ সেভাবে নজর কাড়তে না পারলেও নেদারল্যান্ডসের উদ্ধারকর্তা হয়ে উঠলেন কোডি গাকপো। এই ম্যাচের আগেই অনাগত সন্তানকে হারিয়েছেন। কিন্তু সেই শোক ভুলে ৭২ মিনিটে গোল। ডাচভক্তরা তখন ধরেই নিয়েছেন, পরের রাউন্ডে যাচ্ছে দল। কিন্তু ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিল মরক্কো কোচের মগজাস্ত্র। ৮৮ মিনিটে এসে তালবিকে নামালেন। ঠিক তিন মিনিটের মাথায় গোল, নেপথ্যে তালবির পাসই। ম্যাচ গড়াল একস্ট্রা টাইমে। সেখানেও সুযোগ নষ্টের ধারা বজায় রাখল মরক্কো। পেনাল্টি শুটআউটে গেল হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ।
বিশ্বকাপ ডাচদের পেনাল্টিভাগ্য সাম্প্রতিক অতীতে একেবারেই ভালো নয়। গত তিনটে বিশ্বকাপের দু’টিতে খেলেছিল নেদারল্যান্ডস। প্রত্যেকবারই পেনাল্টি শুটআউটে হেরে বিদায় নেয় কমলা জার্সিধারীরা। এদিন মরক্কোর বিরুদ্ধেও বজায় থাকল সেই ব্যর্থতা। প্রথম শটটা গোলে ঠেলেও ডাচদের শেষরক্ষা হল না। ১০টার মধ্যে পাঁচটা শটই মিস হল এদিনের পেনাল্টিতে। রক্তাক্ত হওয়ার পর মরণবাঁচন শট মারতে এলেন সাইবারি। এবার আর ভুল নয়। গোলে জড়িয়ে গেল বল। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় মরক্কো।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
চুম্বকের টানে পেট থেকে বেরল চাবি! ‘তারে ধরি…’র প্রোমোয় ‘দিতি’ পল্লবীর কীর্তিতে হাসির রোল
-
কম্পিউটার কেনার টাকা নেই? এবার ৩০০ টাকায় টিভিকেই বানিয়ে ফেলুন ডেস্কটপ! রইল পদ্ধতি
-
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল! পার্ক সার্কাসের নামী শপিং মলের পাশে আবর্জনার স্তূপ দেখে অগ্নিশর্মা অগ্নিমিত্রা
-
শচীনের চেয়ে ঢের এগিয়ে কোহলি! ডিভিলিয়ার্সের মন্তব্যে বিতর্কের লাভাস্রোত, কী যুক্তি দিলেন?
-
বেঙ্গালুরুতে ধড়পাকড় শুরু হতেই বাংলায় গা ঢাকা! রায়দিঘি থেকে আটক ১০ বাংলাদেশি, হবে পুশব্যাক
