Advertisement
Advertisement
Lamine Yamal

পুলিশকেই ‘গ্রেপ্তার’, ভারী ট্রফি তুলতে গিয়ে অবাক! বিশ্বজয়ের মঞ্চ মাতাল ইয়ামালের ভাইয়ের দুষ্টুমি

অনেকে তো ইয়ামালের সাড়ে তিন বছরের ভাইকে বিশ্বকাপের সেরা ফ্যান তকমা দিয়ে দিয়েছে। বিশ্বজয়ের মঞ্চে তার কীর্তি ভাইরাল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৬, ২১:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৬, ২১:০৯

options
link
পুলিশকেই ‘গ্রেপ্তার’, ভারী ট্রফি তুলতে গিয়ে অবাক! বিশ্বজয়ের মঞ্চ মাতাল ইয়ামালের ভাইয়ের দুষ্টুমি zoom
বিশ্বজয়ের পর ইয়ামাল ও তাঁর ভাই কেইন।
Advertisement

বয়স মাত্র সাড়ে তিন। এই বয়সেই সেলিব্রেটি কেইন ইয়ামাল। নাম শুনেই আশা করি বোঝা যাচ্ছে কে এই খুদে? সে হল স্পেনের ফুটবল তারকা লামিনে ইয়ামালের (Lamine Yamal) ভাই। অনেকে তো কেইনকে বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) সেরা ফ্যান তকমা দিয়ে দিয়েছে। বিশ্বজয়ের মঞ্চ মাতাল তার কাণ্ড। মাঠ জুড়ে ঘুরে বেড়াল, দাদার কোলে উঠে পড়ল। কখনও বা খোদ মার্কিন পুলিশকেই প্যাঁচে ফেলে দিল। ভাইরাল কেইনের কাণ্ডকারখানা।

এর আগে ইউরোজয়ের মঞ্চে ছিল কেইন। তখন আরও অনেক ছোট ছিল। বয়স যত বাড়ছে, তত দুষ্টুমি বাড়ছে। ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন। সেলিব্রেশনের মঞ্চে ছিল স্পেনের ফুটবলারদের পরিবার। ১৯ বছর বয়সি ইয়ামালের প্রেমিকাও ছিল। তবে নজর কাড়ল কেইনই। বিশ্বকাপের স্মারক হিসেবে অনেকে গোলপোস্টের জাল কেটে রাখে। সেই জাল নিয়ে মাতামাতি সাড়ে তিন বছরের খুদের। এর মধ্যে এক পুলিশ অফিসার তার সঙ্গে খুনসুটি করছিলেন। পুলিশের বড় টুপিটাও কেইনের মাথায় পরিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টা বোধহয় ভালোভাবে নেয়নি সে। ওই কাটা জাল পুলিশের দিকে ছুড়ে ‘গ্রেপ্তারে’র চেষ্টা করে।

Advertisement

আবার কখনও মাঠময় ছুটে বেরোয়। দাদার কোলে উঠে নাচও করে। তবে মুশকিল একটাই। বিশ্বকাপ ট্রফিতা ওজনে ভারী। সেটা কি আর সে তুলতে পারে? চেষ্টা করেছিল। শেষমেশ না পেরে ট্রফি জড়িয়ে ধরে জিভ ভেঙাতে থাকে।

বিশ্বকাপে স্পেনের সব ম্যাচেই তাকে নিয়ে গ্যালারিতে উপস্থিত থাকছেন লামিনের মা শেইলা ইবানা। এমনও দেখা গিয়েছে, মায়ের কোল থেকেই মাঠে দাঁড়ানো দাদার উদ্দেশ্যে ‘ফ্লাইং কিস’ দিচ্ছে কেইন। পাল্টা আদর ফিরিয়ে দিয়েছেন লামিনেও। ভাইয়ের প্রতি দাদার ভালোবাসা অকৃত্রিম। বহু সাক্ষাৎকারে কেইনকে নিজের সবচেয়ে প্রিয় বলেও উল্লেখ করেছেন লামিন। দাদাকে উৎসাহ দিতে তাই মার্কিন মুলুকে শহরে শহরে ঘুরেছে এই খুদেও। আর ফাইনালে প্রচারের আলো তার উপরই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.