Advertisement
Advertisement
FIFA World Cup 2026

দেশঁর মায়ের মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছিলেন এমবাপেরা, কোন যুক্তিতে নাকচ করল ফিফা?

‘আই’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে নরওয়ের বিরুদ্ধে ডাগআউটে ছিলেন সহকারী কোচ গাই স্টিফেন। দেশঁ না ফেরা পর্যন্ত তিনিই দল সামলাবেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৬, ২০:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৬, ২০:২৬

options
link
দেশঁর মায়ের মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছিলেন এমবাপেরা, কোন যুক্তিতে নাকচ করল ফিফা? zoom
দেশঁর মায়ের মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছিলেন এমবাপেরা। ছবি সংগৃহীত।

নরওয়েকে ৪-১ গোলে দুরমুশ করেছে ফ্রান্স। গ্রুপ ‘আই’-এর শীর্ষে থেকে রাউন্ড অফ ৩২-এ গিয়েছে দিদিয়ের দেশঁর দল। ম্যাচটি কালো বাহুবন্ধনী পরে খেলতে চেয়েছিলেন উসমান দেম্বেলে, কিলিয়ান এমবাপেরা। কারণ বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) মাঝেই প্রয়াত হয়েছেন হেডকোচের মা। শেষকৃত্যে যোগ দিতে প্যারিস যাওয়ায় ডাগআউটে থাকতে পারেননি তিনি। সেই কারণেই ফ্রান্স দল ফিফার কাছে আর্জি জানিয়েছিল, বাহুবন্ধনী পরে খেলার। যদিও সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন জিয়ানি ইনফান্তিনো।

কেবল কালো বাহুবন্ধনী নয়। ম্যাচ শুরুর আগে জিনেট দেশঁর স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালনের প্রস্তাবও দিয়েছিল ফ্রান্স। তারও অনুমতি দেয়নি বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা। তবে ম্যাচের আগে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে। প্রশ্ন হল, ফিফা কেন ফ্রান্সের এই আবেদনে ‘না’ করে দিয়েছে? দেশঁর মা বিশ্বকাপের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি না হওয়ায় ফিফা অনুমতি দেয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
FIFA World Cup 2026: FIFA reject France's request to honour Didier Deschamps' late mother
দিদিয়ের দেশঁ। ফাইল ছবি।

মঙ্গলবার দেশঁর মা প্রয়াত হয়েছেন। ফরাসি ফুটবল সংস্থা এই খবর নিশ্চিত করে। মায়ের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে দেশে ফিরে যান দেশঁ। ‘আই’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে নরওয়ের বিরুদ্ধে ডাগআউটে ছিলেন সহকারী কোচ গাই স্টিফেন। দেশঁ না ফেরা পর্যন্ত তিনিই দল সামলাবেন। উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের মাঝে এর আগেও দেশঁ ব্যক্তিগত শোক পেয়েছেন। ২০২২ সালে নেশনস লিগে ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে তাঁর বাবা প্রয়াত হন। সেবারও কিছুদিনের জন্য দল ছেড়ে বাড়ি ফিরে যান।

খেলোয়াড় হিসাবে ফ্রান্সের হয়ে দেশঁ ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ জেতেন। সেবার অধিনায়কও ছিলেন তিনি। এরপর ২০০০ সালেও ইউরো জয়ী দলে ছিলেন। ২০১২ সালে জাতীয় দলের কোচ হন এবং ২০১৮ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে ফাইনালে তোলেন। ২০১৮ সালে তাঁর তত্ত্বাবধানে ফ্রান্স চ্যাম্পিয়ন হয়। খেলোয়াড় ও কোচ হিসাবে বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের কীর্তি গড়েন দেশঁ। প্রসঙ্গত, কোচের অনুপস্থিতিতেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছে গত বিশ্বকাপের রানার্সরা। সবকিছু ঠিক থাকলে খুব রবিবারের মধ্যে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে দেশঁর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.