Advertisement
Advertisement
FIFA World Cup 2026

একদিকে ইংল্যান্ড, অন্যদিকে মেসি! ক্লাব বনাম দেশ দ্বন্দ্বে ধর্মসংকটে বেকহ্যাম

ডেভিড বেকহ্যামের নাম নিয়েও বিশেষ আলোচনা হওয়ার কথা নয়। এক নয়, বিশ্বকাপে দু-দু’বার আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয়েছিলেন ইংল্যান্ড ফুটবলের চিরকালীন ‘গ্ল্যামারবয়’। আর প্রতিবারই কিছু না কিছু ‘ঘটনা’ যুক্ত হয়েছে তাঁর নামের সঙ্গে।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ১২:১১

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ১২:১১

options
link
একদিকে ইংল্যান্ড, অন্যদিকে মেসি! ক্লাব বনাম দেশ দ্বন্দ্বে ধর্মসংকটে বেকহ্যাম zoom
১১ জুলাই মায়ামি স্টেডিয়ামে হার্পার বেকহ্যাম, ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম, রোমিও বেকহ্যাম ও ডেভিড বেকহ্যাম। ছবি সংগৃহীত।

আর্জেন্টিনা আর ইংল্যান্ডের ফুটবলযুদ্ধে শ্রেষ্ঠতম চরিত্র কে? উত্তরটা যে দিয়েগো মারাদোনা, তা নিয়ে আলোচনার কোনও অবকাশই নেই। ’৮৬ বিশ্বকাপে সেই বহুচর্চিত কোয়ার্টার ফাইনালে চার মিনিটের ব্যবধানে যিনি উপহার দিয়েছিলেন ‘হ্যান্ড অফ গড’ এবং ‘গোল অফ দ্য সেঞ্চুরি’ নামক দুই প্রহেলিকা। তবে তালিকায় মারাদোনার পর কে থাকবেন?

এক্ষেত্রে ডেভিড বেকহ্যামের নাম নিয়েও বিশেষ আলোচনা হওয়ার কথা নয়। এক নয়, বিশ্বকাপে দু-দু’বার আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয়েছিলেন ইংল্যান্ড ফুটবলের চিরকালীন ‘গ্ল্যামারবয়’। আর প্রতিবারই কিছু না কিছু ‘ঘটনা’ যুক্ত হয়েছে তাঁর নামের সঙ্গে। ’৯৮ বিশ্বকাপের কথাই ধরুন। প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দেশ। প্রথমার্ধে একটা অ্যাসিস্টও করেন বেকহ্যাম। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ছন্দপতন। দিয়েগো সিমিওনের একটা কড়া ট্যাকলে দেহের ভারসাম্যের সঙ্গে মেজাজও হারিয়েছিলেন। সটান লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল বেকহ্যামকে। একজন কম নিয়ে লড়েও শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে হেরে যায় ইংল্যান্ড। তবে চার বছর পর বদলাও নিয়েছিলেন বেকহ্যামরা। এবার দেখা হয়েছিল গ্রুপেই। বক্সের মধ্যে মাইকেল ওয়েনকে ফাউল করেছিলেন সিমিওনে। পেনাল্টি থেকে যে গোলটা করেছিলেন বেকহ্যাম, সেটাই তফাত গড়ে দেয় দু’পক্ষের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সেই ম্যাচের দু’যুগ পর ফের বিশ্বকাপের মঞ্চে বেকহ্যামের দেশের সামনে আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ডের একটা অধিনায়ক এখন পুরোদস্তুর প্রাক্তনী। গ্যালারিতে বসে দলকে উৎসাহ দেওয়া ছাড়া আর কিছুর সঙ্গেই জড়িত নন। কিন্তু তারপরও বুধ-রাতের আটলান্টার ম্যাচে আলোচনার কেন্দ্রে তিনিই। কারণ এ ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাঁটা লিওনেল মেসির সঙ্গে বেকহ্যামের সম্পর্কটা বেশ গভীর। আসলে অবসরের পর মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামির মালিক হয়েছেন ইংল্যান্ড মহাতারকা। আর সেই ক্লাবেই খেলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। আসলে বেকহ্যামের ডাকেই এমএলএসে যোগ দিয়েছেন মেসি। ফলে তাঁর জন্য একদিকে যেমন নিজের দেশ, অন্যদিকে ক্লাবের সেরা তারকা। এমত অবস্থায় বেকহ্যামের সমর্থন কোনদিকে থাকবে, সেই নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। ইন্টার মায়ামির আর এক তারকা সদস্য রডরিগো ডি’পলও আছেন এই আর্জেন্টিনা দলে।

অবশ্য শুধু মেসি-ডি’পলই নন, তাঁদের হেড স্যর লিওনেল স্কালোনির সঙ্গেও বেকহ্যামের সম্পর্কটা বেশ ‘মধুর’। ২৩ বছর আগে রিয়াল মাদ্রিদ বনাম ডেপোর্টিভো লা কারুনা ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিলেন দু’জন। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ম্যাচের শেষবেলায় ট্যাকল করা নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়ান বেকহ্যাম-স্কালোনি। দু’জনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকার সেই ছবি এখনও ফুটবলবিশ্বে অন্যতম ‘আইকনিক’ দৃশ্য। কয়েক বছর আগে বেকহ্যামের ইন্টার মায়ামির ম্যাচ দেখতে এসেছিলেন স্কালোনি। সেসময় অবশ্য একে অপরকে জড়িয়ে হাসিমুখে ছবিও তোলেন দু’জনে। তবে এবার আটলান্টায় স্কালোনির হাসিমুখ বেকহ্যাম দেখতে চাইছেন কি, প্রশ্ন সেটাই!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.