Advertisement
Advertisement
Argentina Football Team

‘আর্জেন্টিনার ডিএনএ’তে লড়াই’, অতীত বিতর্ক ভুলে স্কালোনির চোখে ‘সাধারণ’ ইংল্যান্ড-যুদ্ধ

সমর্থকদের বাঁধভাঙা আবেগের মাঝেও নিরুত্তাপ লিওনেল স্কালোনি।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১৫:০৬

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১৫:০৬

options
link
‘আর্জেন্টিনার ডিএনএ’তে লড়াই’, অতীত বিতর্ক ভুলে স্কালোনির চোখে ‘সাধারণ’ ইংল্যান্ড-যুদ্ধ zoom
মেসির সঙ্গে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি

কানসাস সিটি কিংবা মায়ামির ফ্যান জোন। বুয়েনেস আয়রেসের রাস্তা। জুলিয়ান আলভারেজের গোলটার পর কী পরিমাণ উৎসব চলছে, সেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ভিডিও দেখেই বোঝা যাচ্ছিল। লিওনেল মেসিকে নিয়ে সমর্থকদের বাঁধভাঙা আবেগ। আলভারেজ, মার্টিনেজদের নিয়ে ফের স্বপ্ন দেখা শুরু। এসবের মাঝেও একইরকম নিরুত্তাপ তিনি। তিনি- লিওনেল স্কালোনি।

নিঃশব্দে আর্জেন্টিনার সাম্রাজ্য গড়ার কারিগর। ২০১৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের কাছে কুৎসিতভাবে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়। দুমড়ে যাওয়া একটা টিমের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের বীজমন্ত্রটা ধীরে ধীরে বপন করেন তিনি। প্রথমে কোপা আমেরিকা জয়। তারপর বিশ্বকাপ। আর এবারের বিশ্বকাপেও (FIFA World Cup 2026) তাঁর আর্জেন্টিনা (Argentina Football Team) যেন কামব্যাকের প্রতিশব্দ হয়ে উঠেছে। কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও প্রথমার্ধে এগিয়ে থাকলেও সুইসরা রীতিমতে চাপে রেখে দেয় আর্জেন্টিনাকে। দ্বিতীয়ার্ধে স্ট্র্যাটেজি বদল কোচ স্কালোনির। বদলে গেল আর্জেন্টিনাও। স্কালোনি অবশ্য বরাবরই প্রচারের আলো থেকে নিজেকে কয়েকশো মাইল দূরে রাখেন। ক্যামেরার ঝলকানি থেকে তিনি অনেকটা দূর। সেমিফাইনালে ওঠার পরও স্কালোনি একইরকম। ইংল্যান্ড যুদ্ধের প্রসঙ্গেও নিরুত্তাপ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আসলে ইংল্যান্ড ম্যাচের গুরুত্ব আর্জেন্টাইনদের কাছে কতটা, সেটা আর নতুন করে বলার প্রয়োজন পড়ে না। এই ম্যাচ শুধু নব্বই মিনিটের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ থাকে না। সঙ্গে জড়িয়ে ইতিহাস। অজস্র আবেগ। চব্বিশ বছর পর বিশ্বকাপে মুখোমুখি হতে চলেছে দুই ফুটবল সভ্যতা।

তবে আর্জেন্টিনা কোচ যতটা সম্ভব নিজেকে শান্ত রাখছেন। সংযত রাখছেন। তাই ইংল্যান্ড প্রসঙ্গ উঠলেনই স্কালোনি বলছেন, এটা শুধুই ফুটবল ম্যাচ। তাঁর কথায়, “টিমকে শুধুই একটা কথা বলব- এটা আরও একটা ফুটবল ম্যাচ। ফুটবলারদের কাছে এটাই আমার বার্তা। আমরা ভীষণ কঠিন এক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল খেলতে নামব। ওদের কোচও খুব ভালো। এর বাইরে আর কিছু ভাবছি না। সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে আমাদের কঠিন পরীক্ষার মধ্যে পড়তে হয়েছে। জানতাম ওরা শারীরিক দিক থেকে অনেক শক্তিশালী। কঠিন পরিস্থিতির মধ্য থেকে ম্যাচ বের করে নিয়ে আসা সহজ ছিল না। আমাদের টিম সেটাই করেছে। সত্যি বলতে কী জানেন, লড়াই আমাদের রক্তেই রয়েছে। প্রত্যেক ফুটবলারের ডিএনএ-র মধ্যে লড়াই করার ব্যাপারটা ঢুকে গিয়েছে। আগের বিশ্বকাপে ততটা অভিজ্ঞ ছিলাম না। কোচ হিসাবেও আমার অভিজ্ঞতা খুব বেশি ছিল না। ওই পরিস্থিতিগুলো ভীষণ কঠিন মনে হত। এখন সবাই মাথা ঠান্ডা রাখতে শিখে গিয়েছে। কঠিন পরিস্থিতিতে পড়লেও কীভাবে মাচ বের করতে হয়, সেটা ওরা জানে। জানি পরিস্থিতি যতই খারাপ হোক না কেন, টিম লড়াই ছাড়বে না।” অবশ্য মাঠে মেসির মতো একজন নেতা ও কোচের চেয়ারে স্কালোনির মতো ঠান্ডা মাথার সুদক্ষ ট্যাকটিশিয়ান থাকলে টিম তো কামব্যাক করবেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.